শতবর্ষী বরেন্দ্র জাদুঘর

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০১৫      

সৌরভ হাবিব

শত বছর পেরিয়েছে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর। ১০৫ বছরে পা রাখতে যাওয়া দেশের প্রথম ও প্রাচীন এই জাদুঘরটির বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জৌলুসও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এই জাদুঘরে রয়েছে প্রায় ১১ হাজার প্রত্ন নিদর্শন। ১৯১০ সালে কুমার শরৎকুমার রায় প্রতিষ্ঠিত জাদুঘরটি এখন বঙ্গীয় শিল্পকলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ সংগ্রহশালা।
বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতি কর্তৃক প্রকাশিত 'গৌড়রাজমালা' পড়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সমিতির কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেছিলেন, 'গহনের মধ্যে অদৃশ্য গৌড় পুনরাবৃত্তের লুপ্তপ্রায় রথচক্ররেখার অনুসরণ করিয়া আপনারা আমাদের দেশের ইতিহাসের যে সুপ্রশস্ত রাজপথ উদঘাটনে ব্রতী হইয়াছেন, আপনাদের সে উদ্যোগ সার্থক হইল।' রবীন্দ্রনাথের এই উক্তির মধ্যেই নিহিত রয়েছে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর প্রতিষ্ঠার সার্থকতা।
বাংলাদেশের বিস্মৃত ও লুপ্তপ্রায় ইতিহাসের উপাদান সংকলনের আশায় বরেন্দ্রভূমিতে ধারাবাহিকভাবে তথ্যানুসন্ধানের জন্য গত শতাব্দীর প্রথম দশকে গঠিত হয়েছিল 'বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতি।' এর ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আজকের জাদুঘর। এই মহৎ ও কালজয়ী প্রচেষ্টার পেছনে কুমার শরৎকুমার রায়ের ব্যক্তিগত অবদান অপরিসীম। তার অদম্য জ্ঞানপিপাসা এবং পুরাতত্ত্বের প্রতি গভীর অনুরাগ এই প্রচেষ্টাকে সার্থক রূপ দিতে সহায়তা করেছিল। উত্তরাঞ্চলে একটি ঐতিহাসিক গবেষণাগার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ছাত্রাবস্থাতেই যে তার মনে অঙ্কুুরিত ছিল, সে বিষয়ে জানা যায় তার গৃহশিক্ষকের বিবরণে। তার গৃহশিক্ষক রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী 'ঐতরেয় ব্রাহ্মণ' গ্রন্থের ভূমিকায় বলেছেন, 'দীঘাপতিয়া রাজবংশের উজ্জ্বল প্রদীপ শ্রীমান কুমার শরৎকুমার রায় যখন আমার নিকট পদার্থবিদ্যা পড়িয়া এমএ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হইতেছিলেন, আমি তখন পদার্থবিদ্যার সীমা ছাড়াইয়া মাঝে মাঝে অন্যান্য কথা পড়িতাম। আমাদের দেশের পুরাতন কথা যে আমরা জানি না বা জানিবার চেষ্টাও করি না এবং ইহার অপেক্ষা লজ্জার বিষয় আমাদের পক্ষে আর কিছুতেই হইতে পারে না, এই বিষয় লইয়া আমাদের মধ্যে প্রায়ই আলোচনা হইত। এমনকি আমাদের জাতীয় জীবনের যে কিছু বিশিষ্টতা, তাহার মূল ভিত্তিরও আমরা সন্ধান রাখি না, এই জন্য বসিয়া বসিয়া আক্ষেপ করিতাম ও আমাদের শিক্ষাকে ধিক্কার দিতাম। ভারতবর্ষের প্রাচীনতম শাস্ত্র গ্রন্থসমূহের বাঙ্গালা অনুবাদ প্রকাশ করিয়া এই সন্ধান কার্য্যে সাহায্য করা উচিত, এই কল্পনাও সেই সময় অঙ্কুুরিত হইয়াছিলো।'
এরপর এমএ পাস করে ১৯০০ সালে কুমার শরৎকুমার রায় যখন ইউরোপে যান এবং বিভিন্ন প্রাচীন নগরীর প্রত্নতাত্তি্বক নিদর্শন প্রত্যক্ষ করেন, বস্তুত তখন থেকেই তার মনে নিজের দেশের প্রাচীন সভ্যতা এবং ইতিহাসের উপাদান সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ইচ্ছা সুদৃঢ় হয়। ইউরোপ থেকে প্রত্যাবর্তনের পরপরই তিনি তার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে সচেষ্ট হন। এ ব্যাপারে তিনি প্রথম থেকেই অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় এবং রমাপ্রসাদ চন্দ্রের সহায়তা লাভ করেন। বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের আদি সূচনা ঘটে ১৯১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এবং ১৯১৪ সালে এই সমিতিকে ১৮৬০ সালের ভারতীয় সমিতি আইন অনুযায়ী নিবন্ধন করা হয়। এই দেশের তিনজন কৃতী সন্তান দীঘাপতিয়ার রাজবংশজাত দয়ারামপুরের জমিদার বিদ্যোৎসাহী কুমার শরৎকুমার রায়, প্রখ্যাত ঐতিহাসিক ও আইনজীবী অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় এবং খ্যাতনামা নৃতত্ত্ব ও শিক্ষাবিদ রমাপ্রসাদ চন্দ্র এই অনুসন্ধান সমিতি প্রতিষ্ঠার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এরা তিনজন অনুসন্ধান সমিতিতে যথাক্রমে ছিলেন সভাপতি, পরিচালক এবং সম্পাদক। বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতি গঠনের পর থেকে এর সদস্যরা বরেন্দ্র প্রত্নতত্ত্ব চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তারা প্রত্নতত্ত্ব সংগ্রহ করেছিলেন এই আশায় যে, এগুলো যথাযথভাবে গবেষণা করা হলে, বাংলার ইতিহাস পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতির পক্ষে কুমার শরৎকুমার রায়, অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রমাপ্রসাদ চন্দ্র, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের রামকমল সিংহ ও কলকাতা জাদুঘরের রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গঠিত অনুসন্ধানী দল রাজশাহী জেলার দেওপাড়া, চবি্বশনগর, মাডৈল, কুমারপুর, বিজয়নগর, খেতুর, জগপুর, মালঞ্চ প্রভৃতি স্থানে অনুসন্ধান চালিয়ে বেশ কিছু দুষ্প্রাপ্য পুরাকীর্তি সংগ্রহ করেন। এছাড়া নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর, মাহীসন্তোষ, জগদ্দল এবং দিনাজপুর জেলার বাণগড়, ঘোড়াঘাট প্রভৃতি স্থানেও তারা অনুসন্ধান ও উৎখনন চালিয়ে আরও কিছু প্রত্ন নিদর্শন সংগ্রহ করেন।
অনুসন্ধানী দলের এই সংগ্রহ রাজশাহী নিয়ে আসার পর তা সংরক্ষণ করা এক বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। সংগৃহীত প্রত্নসামগ্রী প্রাথমিকভাবে কুমার শরৎকুমার রায়ের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা রাজা প্রমদানাথ রায়ের রাজশাহীর বাড়ির উঠোনে (পুরাতন বিভাগীয় কমিশনার ভবন) রাখা হয়। পরে রাজশাহী পাবলিক লাইব্রেরির নিচতলায় একটি কক্ষে তা স্থানান্তর করা হয়। ক্রমান্বয়ে সংগ্রহের সংখ্যা বাড়তে থাকলে পাবলিক লাইব্রেরির বরাদ্দকৃত ঘরে সংকুলান হচ্ছিল না। তখন নিজস্ব ভবনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় এবং একটি জাদুঘর ভবন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য হয়ে পড়ে।
কুমার শরৎকুমার রায় নিজ ব্যয়ে রাজশাহী শহরে এই জাদুঘর ভবনটি নির্মাণ করেন। নবনির্মিত ভবনটির দায়িত্বভার রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি ট্রাস্টি বোর্ডের ওপর অর্পণ করা হয়। ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা হলেন_ কুমার শরৎকুমার রায়, কুমার প্রতিভানাথ রায়, মহেন্দ্রকুমার সাহা চৌধুরী, রমাপ্রসাদ চন্দ্র এবং অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়। ১৯১৬ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলার তদানীন্তন গভর্নর লর্ড কারমাইকেল এই ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯১৯ সালের ২৭ নভেম্বর লর্ড রোনাল্ডস এর দ্বারোদ্ঘাটন করেন। পাবলিক লাইব্রেরি থেকে সব সংগ্রহ এই নতুন ভবনে নিয়ে আসা হয়। এর পর জাদুঘরের সার্বিক উন্নয়নে ১৯৩৭ সালের ৬ নভেম্বর প্রতিষ্ঠা করা হয় ব্যবস্থাপনা কমিটি। ওই তারিখ থেকে জাদুঘরটি একটি আধা সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হতে থাকে এবং পদাধিকারবলে এর সভাপতি নিযুক্ত হন তৎকালীন জেলা প্রশাসক।
প্রাচীন গৌড়ীয় স্থাপত্যশৈলীর ধারায় নির্মিত এই জাদুঘর অল্প দিনের মধ্যেই বঙ্গীয় শিল্পকলার সমৃদ্ধ ভাণ্ডার হিসেবে সারাবিশ্ব্বে খ্যাতিলাভ করেছে এর সংগ্রহের পরিমাণ ও গুণগত সমৃদ্ধির কারণে। প্রায় ১১ হাজার প্রত্ন নিদর্শনের মধ্যে এখানে রয়েছে ভাস্কর্য শিল্প (প্রস্তর, ধাতব, দারু), বিভিন্ন মুদ্রা (স্ব্বর্ণ, রৌপ্য, তাম্র ও মিশ্র ধাতুতে নির্মিত ছাপযুক্ত মৌর্য, ব্যাকট্রীয়, সাসানিয়ান, গুপ্ত, শশাঙ্ক, সুলতানি, সুরি ও মোগল মুদ্রা), শিলালেখ, তাম্রশাসন, পোড়ামাটির ফলক ও অন্যান্য মৃণ্ময় শিল্প, পাণ্ডুলিপি, চিত্রশিল্প প্রভৃতি। এগুলোর মধ্যে রয়েছে মৌর্য, গুপ্ত ও পাল আমলের বৌদ্ধ, জৈন, শাক্ত, ব্রহ্মা, বৈষ্ণব, সৌর, শৈব, গাণপত্যসহ নানা দেব-দেবীর মূর্তি, নকশি পাথর, পোড়ামাটির ফলক, মৃৎভানু ছাড়াও রয়েছে প্রাগৈতিহাসিক সিন্ধু সভ্যতা, মহাস্থান, নালন্দা (বিহার), পাহাড়পুরে প্রাপ্ত নিদর্শন, প্রাক-মুসলিম ও মুসলিম আমলের শিলালেখ, তাম্রশাসন, ফরমান, দলিল ও রঙিন চিত্রযুক্ত অষ্টসহস্রিকা ও প্রজ্ঞাপারমিতার মতো দুর্লভ পুঁথি। এগুলো জনসাধারণ্যে প্রদর্শনের জন্য বিভিন্ন গ্যালারিতে সুবিন্যস্ত রয়েছে। এই জাদুঘরে সংগৃহীত প্রত্নসামগ্রীর সিংহভাগই প্রস্তর নির্মিত ভাস্কর্য। বাংলা মুসলিম শাসনে আসার আগ পর্যন্ত প্রাচীন বাংলার প্রত্ন নিদর্শন সংখ্যা প্রচুর। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো হাঁকরাইল (মালদহ) ও নরহট্টের (বগুড়া) বিষ্ণু মূর্তি। এদের বসন-ভূষণ ও গঠনশৈলী দেখে তা কুষাণ যুগের মূর্তির অনুরূপ বলে মনে করা হয়। এছাড়া রাজশাহীর বিহারৈলে প্রাপ্ত সারনাথ রীতির বুদ্ধমূর্তি গুপ্ত যুগের বলে প্রতীয়মান হয়। বগুড়ার দেওপাড়ার সূর্যমূর্তি ও বালাইধাপে প্রাপ্ত স্বর্ণমণ্ডিত মঞ্জুশ্রীমূর্তিতেও গুপ্ত যুগের শিল্প বিদ্যমান। এই মূর্তির কমনীয় অথচ শান্ত-সমাহিত অতীন্দ্রিয়ভাবের পরিপূর্ণ মুখশ্রী। অঙ্গপ্রত্যঙ্গের লাবণ্য ও সুষমা, করাঙ্গুলি ও অধরযুগলের ব্যঞ্জনা এবং সমগ্র দেহের ভাব প্রবণতা দেখলে একে প্রাচীন বাংলার ভাস্কর্য শিল্পের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন বলে গ্রহণ করা যায়। এ থেকে অনুমান করা হয়, পালপূর্ব সময়কালে মোর্য, কুষাণ ও গুপ্ত আমলে এখানে ধ্রুপদী শিল্পকলার চর্চা ছিল। এরই অব্যাহত ধারায় পাল আমলেও এসে বাংলার ভাস্কর্য শিল্পের চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল। এই জাদুঘরে প্রদর্শিত সুষমামণ্ডিত গঙ্গাদেবীর মূর্তি, অর্ধ নারীশ্বর শিব, রাজ্যপালের ভাতুড়িয়া লিপি ও প্রথম মহীপালের রাজভিটা লিপি এর সাক্ষ্য। অপরদিকে সেন আমলের বিজয় সেনের 'দেওপাড়া প্রশস্তি'তেও এর যথার্থতা মেলে এবং বরেন্দ্রের এই শিল্পঘরানার নিজস্ব বৈশিষ্টমণ্ডিত শিল্পকলা সম্পর্কে তিব্বতীয় ঐতিহাসিক লামা তারানাথ রচিত 'ভারতে বৌদ্ধ ধর্মের বিস্তার' শীর্ষক গ্রন্থে এই ঘরানার দুই শিল্পী ধীমান ও তার পুত্র বীতপালের কথা জানা যায়।
বরেন্দ্র জাদুঘরের একটি পুঁথি সংগ্রহশালাও রয়েছে। যেখানে অষ্টসহস্রিকা, প্রজ্ঞাপারমিতাসহ হস্তলিখিত বাংলা ও সংস্কৃত সংখ্যা সাড়ে চার হাজারের মতো। এ ছাড়া এই জাদুঘরে প্রায় ১৪ হাজার দুষ্প্র্রাপ্য বই ও পত্রিকাসমৃদ্ধ একটি গ্রন্থাগার রয়েছে। এখানে দেশি-বিদেশি শিক্ষক, গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পড়ার সুযোগ পান। জাদুঘর থেকে প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে রমাপ্রসাদ চন্দ্রের গৌড়রাজমালা (১৯১২), অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়ের গৌড়লেখমালা (১৯১২), ভাষাবৃত্তি (১৯১৮), ধাতুপ্রদীপ (১৯১৯), অলঙ্কারকৌস্তভ ১ম ও ২য় খণ্ড (১৯২৬, ১৯৩৪), সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিতম (১৯৩৯), ননীগোপাল মজুমদারের ইনসক্রিপশনস অব বেঙ্গল, ভল্যুম-৩ (১৯২৯), মৌলভী শামসুদ্দীন আহমদের ইনসক্রিপশনস অব বেঙ্গল, ভল্যুম-৪ (১৯৬০), বাংলা পুঁথির তালিকা (১৯৫৬), রাধাগোবিন্দ বসাকের বরেন্দ্র গবেষণাগারের ভাস্কযগুলোর ক্যাটালগ (১৯১৯) প্রভৃতি।
প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই জাদুঘরটি জ্ঞানান্ব্বেষীদের আকৃষ্ট করে আসছে। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় এই জাদুঘরটি পরিচালনা আর্থিক অসচ্ছলতা, ক্রটিপূর্ণ ব্যবস্থাপনার কারণে হুমকির মুখে পড়ে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণে ১৯৬৪ সালের ১০ অক্টোবর এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গৃহীত হয়। বর্তমানে জাদুঘরটি পরিচালনায় ১৪ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কমিটি রয়েছে। পদাধিকারবলে এই কমিটির সভাপতি উপাচার্য।
বরেদ্র জাদুঘরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক সুলতান আহমেদ বলেন, 'এই জাদুঘরে বর্তমানে ১১ হাজারের অধিক প্রত্ন নিদর্শন রয়েছে। এই সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বঙ্গীয় শিল্পকলার সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন সংগ্রহশালা হিসেবে বরেন্দ্র জাদুঘর এখন সমৃদ্ধ।'