কলেজে ভর্তি

প্রযুক্তি সক্ষমতার নতুন যুগে

প্রকাশ: ১২ জুন ২০১৬      

তের লাখ ছাত্রছাত্রীর কলেজে ভর্তি হওয়ার আবেদন- এ শিরোনামে শনিবার সমকালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তারা এ বছরেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেছে। যারা পাস করেছে তাদের মধ্যে মাত্র দেড় লাখ কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করেনি। ভর্তির জন্য আবেদন করা হয়েেেছ অনলাইনে কিংবা এসএমএসের মাধ্যমে। গত বছরও এভাবেই ভর্তির আবেদন করতে হয়েছিল। তাতে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছিল। কেউ কেউ ভোগান্তিতেও পড়ে। সেটা ছিল প্রথম বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। তবে ভুল থেকে সংশ্লিষ্টরা শিক্ষা নিয়েছেন। তাই এবার তেমন সমস্যার কথা গণমাধ্যমে আসেনি। কেউ প্রশ্ন করতে পারেন, দেড় লাখ শিক্ষার্থী কেন কলেজে পড়তে চাইছে না। আবার অন্য প্রশ্নও আসতে পারে- এত বিপুল সংখ্যক লোক কেন সাধারণ শিক্ষা গ্রহণ করবে? মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাসের পর বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী বৃত্তি ও কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করবে, এটাই প্রত্যাশিত। অর্থনীতিতে এ ধরনের চাহিদা এখন পর্যন্ত তৈরি হয়নি বলেই কি সাধারণ শিক্ষা গ্রহণের জন্য এত ভিড়? এ বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আলোচনা করবেন, এটা কাঙ্ক্ষিত। তবে এই আবেদনের প্রক্রিয়া থেকেই কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি ও সম্ভাবনার দিকটি স্পষ্ট হয়ে যায়। আগে ভর্তি হতে হলে ছাত্রছাত্রীদের এক কলেজ থেকে আরেক কলেজে ছুটতে হতো। দূর-দূরান্তেও যেতে হতো। এ জন্য সময় ও অর্থ ব্যয় হতো। এখন তারা সামান্য ব্যয়েই নিজের ঘরে বসে আবেদন করতে পারছে। দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা এভাবে উপকৃত হচ্ছে বিশেষভাবে। এখন অপেক্ষার পালা। কেউ কাঙ্ক্ষিত ভালো কলেজে ভর্তি হতে পারবে, কেউ তেমন সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে হতাশ হবে। শিক্ষার মান বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ আমাদের সামনে। এ কারণে সরকার ও বিদ্যোৎসাহী মহল, সবার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, মানসম্পন্ন কলেজের সংখ্যা বাড়ানো। একই সঙ্গে বৃত্তি ও কারিগরি শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর প্রতিও মনোযোগী হতে হবে।