সাক্ষাৎকার

দুর্যোগ মোকাবেলায় নারীর ভূমিকাই প্রধান

ড. মাহবুবা নাসরীন

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০১৬      

সাক্ষাৎকার গ্রহণ :শেখ রোকন

ড. মাহবুবা নাসরীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তিনি এর পরিচালক ও অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০০৫ সালে তিনি সমাজবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ১৯৮৮ সালে তিনি ওই বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। এ ছাড়া তিনি জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা কমিটির সদস্য। তিনি কমনওয়েলথ বৃত্তি সহযোগে নিউজিল্যান্ড থেকে ১৯৯৫ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। দুর্যোগ ও জেন্ডার বিষয়ে দেশ-বিদেশ থেকে তার অনেক প্রকাশনা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- উইমেন অ্যান্ড গার্লস :ভালনারেবল অর রেজিলিয়েন্ট? (২০১২); ভায়োলেন্স এগেইনস্ট উইমেন ডিউরিং ফ্লাড অ্যান্ড পোস্ট ফ্লাড সিচুয়েশন ইন বাংলাদেশ (২০০৮)। নারী ও দুর্যোগ বিষয়ে মৌলিক গবেষণা, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তিনি ২০১৬ সালে 'মেরি ফ্রান মায়ার্স' পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

সমকাল :আমরা জানি, নারীরা দুর্যোগে অসহায় নয় বরং নেতৃত্ব দেন- আপনার এই মৌলিক তত্ত্ব বহুল উচ্চারিত। এর প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বলবেন?
মাহবুবা নাসরীন :সে ক্ষেত্রে একটু পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। আপনার মনে থাকার কথা, ১৯৮৭ ও '৮৮ সালে বাংলাদেশে দুটি বড় বন্যা হয়েছিল। '৮৮ সালে আমি সবে শিক্ষক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে যোগ দিয়েছি। বন্যার্তদের জন্য টিএসসিতে তখন রুটি বানানোর কর্মসূচি ছিল। ছাত্রজীবনের মতো সেবারও আমি শিক্ষার্থীদের নিয়ে রুটি বানানোর কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলাম। সেই রুটি রায়েরবাজার এলাকায় বন্যার্তদের মধ্যে বিতরণ করতে গিয়ে চোখে পড়ল নারীরা তাদের জলে ভাসা সংসার সামলানোর কাজে অগ্রণী ভূমিকা নিচ্ছেন। বনশ্রী-আফতাবনগরে গিয়েও একই দৃশ্য চোখে পড়ল। নারীরাই বানের কোমর বা গলা পানিতে হেঁটে আসবাবপত্র রক্ষা করছেন, উঁচু জায়গায় তুলে রাখছেন। সংবাদপত্রে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বন্যার্তদের যেসব ছবি সেবার ছাপা হয়, সেখানেও দেখেছি নারীরা তাদের গবাদি পশু-পাখি বন্যা থেকে কোলে করে তুলে আনছেন। এ বিষয়টি আমার চিন্তার জগতে বড় রকমের প্রভাব ফেলে।
সমকাল :পরে তো আপনার পিএইচডির বিষয়ও এটাই ছিল। 'কোপিং উইথ ফ্লাডস :দ্য এক্সপেরিয়েন্স অব রুরাল উইমেন ইন বাংলাদেশ'।
মাহবুবা নাসরীন :ঠিকই বলেছেন। তখনও একাডেমিক পর্যায়ে পরিবেশ বা দুর্যোগ আলাদা ইস্যু হয়ে ওঠেনি। সমাজবিজ্ঞানের প্রেক্ষিত থেকে দেখা তখন আরও কঠিন। এই সময়ে আমি কমনওয়েলথ বৃত্তি পেলাম। ঠিক করলাম বন্যায় নারীর অভিজ্ঞতা নিয়ে গবেষণা করব। কিন্তু এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়াল। এ জন্যই প্রায় ১০ মাস বসে থাকতে হলো। তখন ব্রিটেন ও আমেরিকার দু'জন অধ্যাপক রাজি হলেন। কারণ ভারতের গ্রামীণ জনপদ নিয়ে তাদের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমি যখন গবেষণা প্রস্তাবনা লিখলাম, তারা বললেন যে এর তাত্তি্বক ভিত্তি কোথায়? তখনও তো এ বিষয়ে কোনো তত্ত্বই দাঁড় হয়নি! তারা বললেন, তাহলে ফ্যাক্ট থেকে থিওরি ডেভেলপ হবে। আমি মাঠ পর্যায়ে গবেষণায় নেমে গেলাম। সব দিক বিবেচনা করে ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকা উপযুক্ত হিসেবে নির্ধারিত হলো।
সমকাল :গবেষণা করতে গিয়ে কী দেখলেন?
মাহবুবা নাসরীন :দেখলাম, আমার ধারণাই সঠিক ছিল। নারীরাই মূলত দুর্যোগ মোকাবেলায় নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। একজন নারীর বক্তব্য আমার এখনও মনে আছে। তিনি বলেছিলেন, 'ধান-পাটের চক তলিয়ে গেলে বেটা মানুষের আর কী কাজ থাকে!' বন্যায় তখন নারীকেই ঘর সামলাতে হয়, পরিবারের ও গবাদি পশু-পাখির খাবারের জোগাড় করতে হয়। পুরুষ মানুষ হয়তো বাইরে বাইরেই থাকে, বন্যার পানি দেখে। খাবারের সময় এসে নারীর কাছেই দাঁড়ায়। আমি দেখেছি, বন্যার সময় নারীরা তাদের সঞ্চয় দিয়ে পরিবার চালান। এমন নজিরও আছে, নিজের নাকফুল বিক্রি করে নারী পরিবারের জন্য খাবার সংগ্রহ করেছেন। বিবাহিত নারীদের কাছে নাকফুল একটি বড় আবেগের বিষয়। কিন্তু দুর্যোগ মোকাবেলায় তারা সেই আবেগেরও পরোয়া না করে পরিবারের মুখে খাবার জোগাতে চান। প্রচলিত খাবার না থাকলে লোকায়ত জ্ঞান ব্যবহার করে খাবার তৈরি করেন তারাই। বন্যার মধ্যেই বাড়ির আশপাশ থেকে তারা বিভিন্ন শাকসবজি জোগাড় করে কোনোরকমে পরিবারের সদস্যদের মুখে তুলে দেন। আমি দেখেছি, দুই মুঠো চালের সঙ্গে গম মিশিয়ে 'ফেনা ভাত' তৈরি করতে, শাপলা ডাঁটা দিয়ে তরকারি রান্না করতে। বন্যার সময় চুলো ও আগুন একটি বড় ব্যাপার; সেই ঝক্কি নারীকেই পোহাতে হয়।
সমকাল :দুর্যোগে নারী নেতৃত্ব দিলেও তার পরিশ্রম ও কষ্টও নিশ্চয়ই বেশি।
মাহবুবা নাসরীন :হ্যাঁ, নারীদের কষ্টও বেশি। অনেক সময় ত্রাণ আনতে গিয়ে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয়, পুরুষের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে নারী পারেন না। আবার বাচ্চাদের বাড়িতে রেখে ত্রাণ আনতে যাওয়াও সম্ভব হয় না। ভেলা বা নৌকা চালানোও সম্ভব হয় না। গবাদিপশু বাড়িতে রেখে গেলে চুরি বা ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। নিজের নিরাপত্তাও একটি বড় ব্যাপার। ত্রাণ আনতে গেলে ফিরতে দেরি হতে পারে, অসভ্য পুরুষরা তাদের উত্ত্যক্ত এমনকি নির্যাতন করতে পারে। দেখা যায়, পরিবারের নারী সদস্য নিজে না খেয়ে দুর্যোগের সময় শিশু ও পরিবারের পুরুষ সদস্যদের খাওয়াচ্ছেন। পুরুষ সদস্য হয়তো তার খোঁজও নেন না।
সমকাল :বন্যার মতো দুর্যোগ মোকাবেলার এই চিত্র কি এখনও অব্যাহত?
মাহবুবা নাসরীন :১৯৮৭ সালের বন্যার তুলনায় '৮৮ সালের বন্যা বড় ছিল। কিন্তু আগের বছরের অভিজ্ঞতার কারণে দেখা গেছে, মানুষের দুর্ভোগ কম হয়েছে। '৮৭ সালের বন্যা এর আগের অনেক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় বন্যা ছিল। ফলে কেউ প্রস্তুত ছিল না। সরকারিভাবেও তখন বন্যা সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ভালোভাবে গড়ে ওঠেনি। ভাঙ্গায় আমি দেখেছি, '৮৮ সালের বন্যার আগে থেকেই স্থানান্তরযোগ্য চুলা তৈরি করে রেখেছিলেন নারীরা। খাদ্যও সঞ্চয় করে রেখেছিলেন। আগুন জ্বালানোর উপকরণ প্রস্তুত রেখেছেন। সাপ তাড়ানোর জন্য শুকনো হলুদ রেখেছেন। পরবর্তী বড় বন্যা হয়েছে '৯৮ সালে। তখন মানুষ আরও প্রস্তুত ছিল। সম্প্রতি উত্তরাঞ্চলে যে বন্যা হয়ে গেল, আপনি দেখবেন পানি বেশি হওয়া সত্ত্বেও মানুষ প্রস্তুত ছিল। সচেতনতা বেড়েছে। আমরা এখন ৩ থেকে ৭ দিন আগেই পূর্বাভাস দিতে পারি। মানুষ সেটা জেনে প্রস্তুতি নিতে সক্ষম হয়। যে কারণে কয়েক দিন আগে উত্তরাঞ্চলে বড় বন্যা হলেও প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
সমকাল :ঘূর্ণিঝড়ে যেভাবে মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে যায়, বন্যার ক্ষেত্রে সেভাবে যায় না। এর কি তাহলে প্রয়োজন নেই?
মাহবুবা নাসরীন :বন্যার সময় আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে চায় না, কারণ মানুষ বন্যার সঙ্গে বসবাস করে অভ্যস্ত। ঘূর্ণিঝড়ের মতো এটি প্রাণে মেরে ফেলে না। আপনি দেখবেন, ২৩ জুলাই পর্যন্তও কুড়িগ্রামের মানুষ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে যায়নি। তারপর কর্তৃপক্ষ অনেক চেষ্টা করে তাদের বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়েছে। কেবল আশ্রয়ের জন্য নয়, আমি বলব নিরাপত্তার জন্যও আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া জরুরি। বিশেষ করে নারীদের জন্য। ২০০৪ সালে ফরিদপুরে দেখেছি, বন্যার সময় বাঁধের ওপর একজন প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষিত হয়েছেন। গাইবান্ধায় নারীকে অপহরণ করেছিল নৌকায় এসে। ডাকাতিও হয় বন্যার সময়। আমার 'ভায়োলেন্স এগেইনস্ট উইমেন ডিউরিং ফ্লাড অ্যান্ড পোস্ট ফ্লাড সিচুয়েশন ইন বাংলাদেশ' গবেষণার বিষয় এটিই। দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল ও বাংলাদেশে একযোগে গবেষণাটি হয়েছিল। আমি বাংলাদেশ অংশের নেতৃত্বে ছিলাম।
সমকাল :দুর্যোগের সময় নারীর এই প্রেক্ষিত আমাদের নীতিগত বিষয়াবলিতে কতটা প্রতিফলিত হয়?
মাহবুবা নাসরীন :দেখুন, দুর্যোগ নিয়ে আমাদের দেশে দীর্ঘদিন আলাদা করে ভাবা হয়নি; নারীর প্রশ্ন আলাদা করে ভাবা তো পরের ব্যাপার। অথচ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপরই ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলার উপায় নিয়ে ভেবেছিলেন। সিপিপি বা সাইক্লোন প্রিপেয়ার্ডনেস প্রোগ্রাম গ্রহণ করেছিলেন। বন্যায় আশ্রয়ের জন্য তখন দেশের বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছিল 'মুজিব কেল্লা'। কিন্তু পরবর্তী সরকারগুলো দুর্যোগ মোকাবেলার ব্যাপারে উদাসীন ছিল। নব্বইয়ের দশকে এসে প্রতিষ্ঠিত হয় দুর্যোগ মোকাবেলা ব্যুরো। একাডেমিক ক্ষেত্রেও এ নিয়ে খুব বেশি বিবেচনা ছিল না। নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে দুর্যোগ মোকাবেলায় অনেকগুলো নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ গৃহীত হয়। বিশেষ করে '৯৮ সালের বন্যার পর সরকার এ ব্যাপারে যথেষ্ট উদ্যোগী হয়। এমনকি আমাদের জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালাতেও 'দুর্যোগে নারী ও শিশু' বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির উপদেষ্টা হিসেবে থাকার কারণে আমি সেখানে নারীর বিষয়াবলি অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিতে পেরেছি। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও নাজুকতা অধ্যয়ন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা হওয়া একটি বড় নীতিগত সাফল্য। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা কৌশলপত্রের ছয়টি পিলারের মধ্যে চারটিতে কীভাবে নারীর অংশগ্রহণ ও ভূমিকা বাড়ানো যায়_ এ ব্যাপারে আমরা একটি ধারণাপত্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছি। দুর্যোগ মোকাবেলায় নারীর নেতৃত্ব টেকসই করতে হলে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে হবে।
সমকাল :আমরা জানি, আপনি প্রায় তিন দশক ধরে দুর্যোগ ও নারী ইস্যুতে কাজ করে যাচ্ছেন। ২০১৬ সালের জন্য 'মেরি ফ্রান মায়ার্স' পুরস্কারে ভূষিত হওয়া তারই স্বীকৃতি। আপনাকে অভিনন্দন জানাই।
মাহবুবা নাসরীন :ধন্যবাদ। পুরস্কারের জন্য আমি কাজ করিনি। বস্তুত, প্রথম যখন এই পুরস্কারের কথা আমাকে জানানো হলো, আমি খুব অবাক হয়েছিলাম। শুধু বলতে পারি, আমি সবসময়ই দেশে গবেষণার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দুর্যোগবিষয়ক সম্মেলন, সভায় গিয়ে নারীর কথা বলেছি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনারে একাডেমিশিয়ান হিসেবে বা সরকারি প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে দুর্যোগে নারীর নেতৃত্ব ও স্বীকৃতির বিষয়টি তুলে ধরেছি।
সমকাল :এই বিষয়ে আরও কী করার স্বপ্ন দেখেন?
মাহবুবা নাসরীন :দুর্যোগ মোকাবেলায় উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ততা নিয়ে আমি কাজ করতে চাই। এখনও সিএসআর হিসেবে ত্রাণ দেওয়া হয়। কিন্তু আমরা চাই, কেবল দুর্যোগের পরে ত্রাণ নয়, তারা বিধ্বস্ত এলাকা আবার গড়ে তোলায়ও ভূমিকা রাখবেন। জাপানে ভূমিকম্প ও সুনামির পর বেসরকারি উদ্যোক্তারা একেকটি শহর গড়ে তোলায় ভূমিকা রেখেছেন। এটা আসলে এক ধরনের বিনিয়োগ। সেটা বাংলাদেশেও দেখতে চাই। দুর্যোগের পরে নয়, বরং দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহণ ও সমাজকে প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা বা ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের উদ্যোগ নিয়ে কাজ করব আমি। তাহলে সরকারের বাইরে সমাজ তার নিজের শক্তি নিয়ে দুর্যোগ মোকাবেলা করতে পারবে। দুর্যোগ মোকাবেলায় নারীর শক্তি ও নেতৃত্ব টেকসই হবে।
সমকাল :আমাদের সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
মাহবুবা নাসরীন :সমকালকেও ধন্যবাদ।
ঘরের মাঠে মস্কোয় বিধ্বস্ত রিয়াল

ঘরের মাঠে মস্কোয় বিধ্বস্ত রিয়াল

রাশিয়া নামক এক জুজু বুড়ির ভয় ভর করেছে রিয়ালের ওপর। ...

হারাচ্ছে জমি, অস্তিত্ব সংকটে সমতলের আদিবাসীরা

হারাচ্ছে জমি, অস্তিত্ব সংকটে সমতলের আদিবাসীরা

'জমি চাই মুক্তি চাই' স্লোগানে ১৮৫৫ সালে সাঁওতাল নেতা সিধু, ...

'কোল্ড আর্মসে' কক্সবাজার সৈকতে দুর্ধর্ষ হামলার ছক

'কোল্ড আর্মসে' কক্সবাজার সৈকতে দুর্ধর্ষ হামলার ছক

দুনিয়াব্যাপী কমান্ডো নাইফ এবং বিশেষ ধরনের ছুরি ও চাকু 'কোল্ড ...

সহিংসতা রোধে ইসিকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ আওয়ামী লীগের

সহিংসতা রোধে ইসিকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ আওয়ামী লীগের

দেশের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্ট সহিংসতা ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) আরও ...

গ্রেফতার হামলা বন্ধে সিইসির হস্তক্ষেপ চায় বিএনপি

গ্রেফতার হামলা বন্ধে সিইসির হস্তক্ষেপ চায় বিএনপি

প্রতীক বরাদ্দের পরও বিএনপির নেতাকর্মীদের হয়রানি, গ্রেফতার ও সন্ত্রাসী হামলার ...

বৃহত্তম সমাবেশ যুক্তরাজ্যে

বৃহত্তম সমাবেশ যুক্তরাজ্যে

১ আগস্ট ১৯৭১। যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে দুপুর থেকেই ...

চট্টগ্রামে আমীর খসরুর প্রচারে হামলায় আহত ৫

চট্টগ্রামে আমীর খসরুর প্রচারে হামলায় আহত ৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর গণসংযোগে হামলার ...

২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সেনা মোতায়েন

২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সেনা মোতায়েন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগামী ...