আজকাল প্রায়ই মনে পড়ে, আমাদের নাগরিক জীবন থেকে কী যেন হারিয়ে গেছে। মুছে গেছে অনেক স্মৃতি। শৈশব-কৈশোরে শিউলিতলা। আবু তাহের গাছির সেই নিঃসঙ্গ খেজুর গাছ। আমরাই বারো মাস ধরে বেড়ে উঠি। চালাক হই, চতুর হই, আরও একটু বড় হলে হয়ে যাই অভিজ্ঞ। আস্তে আস্তে হারান নাপিতের সেই চকচকে ক্ষুরের মতো ধারালো বুদ্ধিও অর্জন করি একদিন। আমার তো মনে হয় বড় না হয়ে চিরদিনই যদি ছোট থাকতাম মানুষের বাড়ির আম, কাঁঠাল, পেয়ারা পেড়ে খেলেও, এমনকি দোহারপাড়ার ট্রাক ড্রাইভার আয়াজ উদ্দিনের ল্যাংড়া মায়ের পাকা পেঁপে চুরি করে খেলেও বয়সীরা বলতেন, শৈশব-কৈশোরে ছেলেরা ওই রকম করেই থাকে, আমরাও করেছি।
সেই ১৯৫৭ সালের ডিসেম্বরে বাড়ির বাগানের পাকা সুপারি পাড়তে কখন যে ৩০-৩৫ ফুট উঁচু সুপারি গাছ থেকে পড়ে গেলাম। গলার হাড়, ডান হাত ভেঙে মাসখানেকের বেশি পাবনা সদর হাসপাতালে থাকতে থাকতেই একদিন জ্ঞান ফিরে এলো। লাল টুকটুকে সুপারি পাড়তে গিয়েছিলাম মেজো কাকার মেয়ে কনাকে সঙ্গে নিয়ে। তখন চতুর্থ শ্রেণির পরীক্ষা শেষ হয়েছিল ডিসেম্বর মাসেই। আর ওই মাসে আমার পতন হয়েছিল সুপারি গাছ থেকে। পাড়ার ফনিদা বললেন- শোন, হঠাৎ তোর লম্বা হওয়ার কারণ হলো গাছ থেকে পতন। তার মানে তুই এখন বড় হয়ে যাচ্ছিস। বড় হওয়া মানে যাবতীয় স্মৃতির জগৎ থেকে দূরে চলে আসা। বড় হওয়া মানেই ঘুড়ি ওড়াতে না পারা। ফনিদা অনেক ছেলেমেয়েকে বিনা টাকায় ইংরেজি ও বাংলা পড়াতেন। বাবা 'সিন্ডেরেলার' গল্পটি শুনিয়ে বলেছিলেন, ফনি বেঁচে থাকলে শেকসপিয়রের হ্যামলেট নাটকের কিছু ডায়লগ শুনিয়ে দিতে বললে শুনিয়ে দিয়ে খুশি হতো।
সম্প্রতি একটি অভিসারের আয়োজন করেছিলেন রাজশাহীর 'কবি কুঞ্জ' নামের একটি শিল্প-সাহিত্যের সংগঠন। বিভাগীয় শহর রাজশাহীতে শিল্প সাহিত্যের চর্চা, ১৯৭৫ সালের পর থেকে অলিখিতভাবে নিষিদ্ধ হয়েছিল এবং তার স্বরূপ উদ্ঘাটিত হয়েছিল বেশ কয়েক বছর পর। মৌলবাদীদের আধিপত্য বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে লুপ্ত হয়েছিল বাঙালির যাবতীয় সংস্কৃতি, শিল্প এবং সাহিত্য। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শহিদ ইকবাল 'চিহ্ন' নামের একটি লিটল ম্যাগাজিন বের করেন। এ বছরের মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আম বাগানের নিচে আয়োজন করেছিলেন 'চিহ্ন' ছোট কাগজের জন্মোৎসব। প্রফেসর আনিসুজ্জামান, সেলিনা হোসেন, বিশিষ্ট কথাশিল্পী হাসান আজিজুল হক ও ড. অসিত সাহা এসেছিলেন। উদ্বোধক ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ মিজান উদ্দিন, 'চিহ্ন' ছোট কাগজের সঙ্গে যুক্ত অধ্যাপক রহমান রাজু, তবিবুর রহমান, তৌফিক জহুরী এবং মর্মরিদ ঊষা ও সৈকত আরেফিনসহ অনেক কবি। অন্যদিকে ২০১০-১৩ রাজশাহী বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছিলেন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে আবদুল মান্নান। যিনি কবি আসাদ মান্নান নামে সমধিক পরিচিত। তিনি রাজশাহীতে শিল্প-সাহিত্যে নতুন জোয়ারের সৃষ্টি করেছেন। উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলায় গিয়ে তিনি স্থানীয় কবিদের নিয়ে শিল্প-সাহিত্যের আসরে তরুণ কবিদের উৎসাহিত করতেন। সেই প্রবীণদের ভেতরে কবি ওমর আলী যিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার পেলেও তার আর্থিক অবস্থান ছিল শোচনীয়। সে কথা জেনে কবি আসাদ মান্নান, কবি ওমর আলীর চর কোমরপুরের বাড়িটি নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছিলেন। তখন পাবনার জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমান। পাবনার শিল্পকলা একাডেমির জন্য জায়গা দখল নিতে গিয়ে প্রশাসন বনাম ভূমিদস্যুদের ভেতর গণ্ডগোল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। জেলা প্রশাসকের দৃঢ় মনোবলের কারণে এক পর্যায়ে ভূমিদস্যুদের বাড়িঘর রাতারাতি সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল। মোস্তাফিজুর রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে ছিলাম এই বলে যে, জায়গাটির পশ্চিমে জেলা জজের বাড়ি। ঠিক উত্তরেই সুচিত্রা সেনের বাড়ি। কবি আসাদ মান্নান বিভাগীয় কমিশনার থাকাকালে যে শিল্প-সাহিত্যের আবহ সৃষ্টি করেছিল সেটি অবশ্যই স্মরণযোগ্য। এমনকি কবিদের নিয়ে বসন্তকালীন কবিতা উৎসবের ব্যবস্থা করেছিলেন রাজশাহী জেলা পরিষদ ভবনে। খোলা মঞ্চেও একাধিকবার কবিতা পাঠের ব্যবস্থা করায় ঢাকার অনেক কবিকেই যেতে হয়েছিল আসাদ মান্নানের আমন্ত্রণে রাজশাহী কবিতা পাঠের আসরে। সৈয়দ শামসুল হক, আনোয়ারা সৈয়দ হক, রফিক আজাদ, দিলারা হাফিজ, নির্মলেন্দু গুণ, মুহাম্মদ নুরুল হুদা, টোকন ঠাকুর, নাসির আহমেদ, হাবিবুল্লাহ সিরাজী, আরিফ হায়দার, অসীম সাহা, সিহাব শাহরিয়ারসহ সারাদেশ থেকে এসেছিলেন নবীন-প্রবীণ কবিরা। সুখের বিষয় হলো, প্রত্যেক কবিকেই তিনি সম্মানীসহ ট্রেনে প্রথম শ্রেণির টিকিটের ব্যবস্থা করেছিলেন। আগে কোনো বিভাগীয় কমিশনার করেছিলেন কি-না আমার জানা নেই। এখন যিনি বিভাগীয় কমিশনার আবদুল হান্নান তিনি একসময় আমার সহকর্মী ছিলেন বিসিকে (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থা)। গত অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে আবদুল হান্নানের সঙ্গে দেখা হলো রাজশাহীর একটি চায়নিজ রেস্তোরাঁয়, দুপুরের নিমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, রাজশাহীর ভারতীয় উপ-দূতাবাসের কর্ণধার, শিল্প-সাহিত্য ও কবিতাপ্রেমিক অভিজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, কবি কুঞ্জের প্রাণপুরুষ কবি রুহুল আমিন প্রামাণিক। কবি আরিফুল হক কুমার বিশিষ্ট কথাশিল্পী হাসান আজিজুল হকসহ আরও অনেকের ভেতরেই ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার আবদুল হান্নান। তিনি কবি কুঞ্জের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক কুমারকে জানালেন, আগামী মহান বিজয় দিবসের আগে-পিছে শিল্প-সাহিত্যের অনুষ্ঠান করা যেতে পারে। শুনে সবাই খুশি হলাম। বরিশালের কবি নাহিদা আশরাফী জানালেন, সমগ্র বাংলাদেশ থেকে কবি কুঞ্জের দু'দিনের কবি জীনবানন্দ দাশের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে এ অনুষ্ঠান প্রতি বছরই কবি কুঞ্জের সদস্যরা করে থাকেন। কবি কুঞ্জের আরেক সদস্য কবি কামরুল বাহার আরিফ জানালেন, এ অনুষ্ঠানের যাবতীয় খরচ, থাকা-খাওয়া কবি কুঞ্জের এবং অনেকের জন্যই ট্রেন ও বাসের ভাড়া আমরাই দিয়ে থাকি। গত রাত পর্যন্ত সারাদেশ থেকে ২৪৮ জন এ সম্মেলনে এসেছেন। পরদিন শনিবার। শনিবার সাতসকালে কবি কুঞ্জে অনুষ্ঠানের মাঠ শাহ মখদুম কলেজ চত্বরে গিয়ে সবাই উপস্থিত হলাম। প্রায় ২০০ লোকের সকালের নাশতা আর দুপুরের উৎকৃষ্টমানের খাবার ব্যবস্থাসহ কবিতা পাঠ এবং অভিনয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন কবি কুঞ্জের কৃষ্ণরা। অনেকেই কবিতা পাঠ করেছিলাম। গান গেয়ে শোনালেন নাজমা মান্নান, সিকতা কাজল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক ড. আরিফ হায়দার একক অভিনয় দেখিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করলেন। অনুরূপভাবে মুগ্ধ করলেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের গণসংযোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার। তিনি রাজশাহীতে একটি গানের দল বানিয়েছেন। ইতিমধ্যে দলটি জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে এবং দলটির নামও হৃদয়গ্রাহী। শনিবারের সন্ধ্যায় বইমেলা শুরু হয়েছিল শাহ মখদুম কলেজের মাঠে। বাংলাদেশের ছোটগল্প নিয়ে আলোচনা করলেন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক, গল্পকার জাকির তালুকদার, রফিকুর রশিদ, পশ্চিমবঙ্গের অমর মিত্র এবং মনি হায়দার ও আরও অনেকেই। পরের সেশনে শুরু হয়েছিল কবিতা পাঠের আসর। কবি জীবনানন্দ দাশ পুরস্কার এবার আমাকে ক্রেস্টসহ দিলেন কবি কুঞ্জ কর্তৃপক্ষ, যার অর্থমূল্য অকল্পনীয়। শেষের অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিয়েছিলেন কথাশিল্পী, কথার নায়ক হাসান আজিজুল হক। তিনি তার বক্তব্যে জানালেন কবি কুঞ্জের যাত্রার কথা এবং আরও জানালেন উপস্থিত সুধীদের বাংলাদেশের হায়দার পরিবারের ভাইদের কথা, যারা শিল্প-সাহিত্য নিয়ে ধ্রুবজ্যোতির মতো উজ্জ্বল করেছে বাংলাদেশের সাহিত্য। ক্রমেই আমাদের কয়েক ভাইয়ের নাম বলার পর জানালেন হায়দার পরিবারের অগ্রজ জিয়া হায়দার। তিনি ১৯৫৬ সালে আমার সহপাঠী ছিলেন এই শহরের রাজশাহী কলেজের। তিনি আনন্দের সঙ্গে জানালেন তরুণ কবিদের কথা এবং দুঃখ প্রকাশ করলেন তরুণ কবিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে। শেষমেশ আমার জীবনানন্দ দাশ পুরস্কারপ্রাপ্তির ওপর আমাকে অনুভূতি জানাতে বলা হলে জানিয়েছিলাম। ২০১২ সালে প্রথম আমাকেই পুরস্কারে ভূষিত করেছিলেন টাঙ্গাইলের ভাষাসৈনিক সোফিয়া খাতুন খান স্মৃতি পুরস্কার, যেটি অরণি সাহিত্য পুরস্কার। ২০১২ সালের ১৭ ডিসেম্বর দিয়েছিলেন কবি বুলবুল খান মাহবুব, সভাপতি ছিলেন আনিসুর রহমান মিয়া, ফজলুর রহমান খান ফারুক, অরণি সম্পাদক কবি মাহমুদ কামাল।
বগুড়ার লেখকচক্র ২০১৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আমাকে অর্থসহ ক্রেস্ট দিয়ে সম্মানিত করেছিল। গত শতকের শেষদিকে ফরিদপুরের জন কয়েক তরুণ এসে বলেছিল, এ বছর আমরা ফরিদপুর সাহিত্য সংসদ থেকে আপনাকে পুরস্কার দেব। পরে তারা জানালেন কিছু অর্থের সংস্থান করে দিতে হবে। আমি তাদের বিমুখ করে বিদায় দিয়েছিলাম। টাঙ্গাইল, বগুড়া, রাজশাহীতে তারা যেভাবে পুরস্কার দিয়ে একজন কবিকে সম্মানিত করলেন সেটি অবশ্যই স্মরণযোগ্য। গত অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে বগুড়া লেখকচক্রের ২৮তম জন্মবার্ষিকীতে গিয়েছিলাম প্রধান অতিথি হয়ে। দু'দিনব্যাপী অনুষ্ঠান হয়েছিল বগুড়ার উডবার্ন হলে, সেখানে শ্রোতাদের অভাবনীয় সহযোগিতা লক্ষ্য করলাম। দুই সন্ধ্যায় গল্প, কবিতা, উপন্যাস ও ছড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। বগুড়ার আঞ্চলিক ভাষায় গান করেছিলেন দুই শিল্পী সিকতা কাজল এবং একজন অন্ধ গায়ক। ৯ অক্টোবর বগুড়ার লেখকচক্রের চক্রীদের নিয়ে গিয়েছিলাম রবিঠাকুরের কুটিবাড়ি দেখতে, পতিসরে যাওয়ার পথে পড়েছিল সেই বিখ্যাত নন্দী গ্রাম, যে গ্রামের মানুষ চাঁদের ভেতরে দেখতে পেয়েছিল সাঈদীকে (২০১৪ সালে)। তবে শহর থেকে বেরিয়ে কিছুদূর যেতে কবি আবদুল খালেক গাড়ি থামিয়ে আমাদের নিয়ে গেলেন একটি বধ্যভূমিতে। ১৯৭১ সালে যাদের হত্যা করেছিল পাকিস্তানি আর্মিরা, যারা বয়সে ছিলেন তরুণ গ্রামবাসী এবং সবাই ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। আবদুল খালেক একাধারে শিশু সংগঠক এবং বগুড়ার লেখকচক্রের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। তিনি যখন ওই হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিচ্ছিলেন তখন লক্ষ্য করলাম তার চোখ দুটি ভেজা। পতিসরে গিয়ে ঠাকুরবাড়ির স্থাপত্য দেখলাম এবং একই সঙ্গে দেখলাম ১৯৩৭ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে প্রতিষ্ঠিত রবীন্দ্রনাথ ইনস্টিটিউশন, পতিসরের কুটিবাড়ির পূর্ব দিকেই সেই বিখ্যাত নাগর নদী। নাগর নদীর ওপর যে ব্রিজটি সেটির নাম রবীন্দ্রনাথ ব্রিজ। পতিসরে বসেই রবীন্দ্রনাথ ইছামতি কবিতাটি লিখেছিলেন। ছিন্নপত্রের ১৪ সংখ্যক চিঠিও লেখা হয়েছিল ৬ মাঘ, ১৮৯১ সালেই। তিনি ওই চিঠিতে লিখেছিলেন, 'আমার বোট কাচারি থেকে অনেক দূরে এনে একটি নিরিবিলি জায়গায় বেঁধেছি।' সেই বোটটিকে দেখলাম, সঙ্গে ঠাকুরবাড়ির অজস্র ছবি এবং ওই বোটটির বিশাল নোঙর। নাগর নদীতে মুখ ধুতে গিয়ে নিজেকে খুব শুভ্র মনে হলো। কিন্তু নদীটির পশ্চিম পাড়েই নদীর ভেতরে স্থানীয় প্রভাবশালীদের একতলা-দোতলা দোকান উঠেছে ৯টি। তখন দুর্গোৎসব চলছিল। মণ্ডপে দেখলাম প্রচুর লোকের সমাগম। ছোটকালে যেভাবে আমাদের পাবনার পূজামণ্ডপে দেখেছি এবং সেভাবে গিয়েছিলাম দুর্গা ঠাকুরকে দেখতে। এবারও গিয়েছিলাম ঠিক সেভাবেই। কিন্তু আমার মাথায় সাদা চুল। আমার অতীত নিয়ে কিছুদিন আগে একটি কবিতা লিখেছিলাম। 'যে আমারে কাঁদায় সে কেন কাঁদে না নিজে।'
ষ কবি

মন্তব্য করুন