চিঠিপত্র

প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮      

এলপিজি ব্যবসা বৃদ্ধি প্রয়োজন

নয় বছরে বাংলাদেশ সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে। বর্তমানে কদাচিৎ লোডশেডিং হয়। জ্বালানি গ্যাসের উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে তা দেশের প্রয়োজন পুরোপুরি মেটাতে পারছে না। বিকল্প হিসেবে সরকার বিপুল এলএনজি আমদানির ব্যবস্থা করে গ্যাসের প্রয়োজন পূরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দেশে খুব দ্রুত এলপিজির চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অধিকাংশ এলপিজি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সরবরাহ করছে। এলপিজি সরবরাহের ক্ষেত্রে সরকারের অবদান মোটেই উল্লেখযোগ্য নয়। দেশে এলপিজির মূল্য আন্তর্জাতিক বাজার অপেক্ষা খুব বেশি এবং সরবরাহও নিয়মিত নয় বিধায় ব্যবহারকারীদের জন্য খুবই অসুবিধার সৃষ্টি করছে। বর্তমানে সিংহভাগ এলপিজি গৃহস্থালি রান্নার কাজে ব্যবহূত হয়। ক্ষুদ্র শিল্প ও বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান এলপিজি ব্যবহার করে থাকে। ভোক্তাদের এলপিজি আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যে নিয়মিত সরবরাহের জন্য দেশের অর্ধেক এলপিজি সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরবরাহ করা সময়ের দাবি। এলপিজি তুলনামূলকভাবে ক্লিন জ্বালানি বলে পরিচিত। সরকার বছরে পাঁচ লাখ টন এলপিজি সরবরাহ করলে এলপিজি ব্যবসায় শৃঙ্খলা অর্জিত হবে। প্রতিযোগিতার কারণে ভোক্তারা যৌক্তিক মূল্যে নিয়মিত এলপিজি পাবে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের সংশ্নিষ্ট মন্ত্রণালয় আগামী কয়েক বছরের মধ্যে পাঁচ লাখ টন এলপিজি সরবরাহের পদক্ষেপ নিলে দেশের এলপিজি ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে, ভোক্তারা নিয়মিত এলপিজি পাবে এবং মূল্যও যৌক্তিক হবে।

মো. আশরাফ হোসেন

ব্যাংক টাউন, সাভার, ঢাকা



কর্ণফুলী নদী বাঁচান

কর্ণফুলী একটি নদীর নাম। যার তীরে দেশের প্রধানতম সমুদ্রবন্দর, চট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত। এককালের স্রোতস্বিনী কর্ণফুলী এখন মৃতপ্রায়। দখল-দূষণে নদীর অবস্থা শোচনীয়। প্রতিদিন গড়ে ৫শ' টন বর্জ্য কর্ণফুলীতে পড়ে। ২০০টির মতো প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য ফেলে থাকে এ নদীতে। সিটি করপোরেশন প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৮০০ টন বর্জ্য নদীতে ফেলে। নদীর পাড়ে বসবাস করে ৮০ লাখ মানুষ। এসব প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য ফেলার জায়গা কর্ণফুলী। ভাবা যায়, এত ভয়াবহভাবে একটি নদীকে দূষিত করা যায়। কারও বিবেকে এতটুকু বাধে না। কেউ বাধা দেয় না। কর্তৃপক্ষ নীরব। দূষণের তীব্রতায় নদীর ১০০ প্রজাতির মাছ ও জলজ উদ্ভিদ হারিয়ে গেছে। নদীর পানি যারা ব্যবহার করে, তারা চর্মসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। যে কোনো মূল্যে এই দূষণ থামাতে হবে। অনতিবিলম্বে কর্তৃপক্ষের কাছে কর্ণফুলী নদীকে বাঁচানোর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

মিরপুর, ঢাকা

 

নিঝুম দ্বীপ রক্ষায় এগিয়ে আসুন

নিঝুম দ্বীপ হচ্ছে একটি চর এলাকা। এটির অবস্থান নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলায়। এটি খুবই সুন্দর এলাকা। ওখানে এখনও লক্ষাধিক মানুষ বসবাস করে। ধানের জমি, কৃষি জমি, বাসগৃহ, পুলিশ ফাঁড়ি, প্রাইমারি স্কুল, হাইস্কুল ও কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। নিঝুম দ্বীপের চারপাশে আবার ভাঙন শুরু হয়েছে। এটি একসময় টিকবে কিনা সন্দেহ। তাই এটিকে রক্ষা করতে সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ সবাইকে এগিয়ে আসা জরুরি বলে মনে করি।

আজিম উল্যাহ হানিফ

নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা



সিলোনিয়ায় যাত্রী ছাউনি চাই

সিলোনিয়া বাজার একটি বৃহত্তম বাজার। বাজারটি ফেনী জেলার দাগনভূঞা থানার ৮নং জায়লস্কর ইউনিয়নের ভেতর অবস্থিত। বাজারের ওপর দিয়ে ফেনী-নোয়াখালী হয়ে যাওয়া রাস্তার দুই পাশে একটি যাত্রী ছাউনিও নেই। বাজারে রাস্তার দুই পাশে প্রতিদিন মানুষজন গাড়ির জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে গাড়িতে যাতায়াত করছেন। এতে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করা সব মানুষের খুবই কষ্টকর ব্যাপার। আগে এ বাজারে যাত্রী বসার চারদিক দেয়াল ঘিরে মজবুতভাবে যাত্রী ছাউনি ছিল। কয়েক বছর আগে পুরনো রাস্তার দুই পাশে নতুন করে রাস্তা চওড়া হওয়ার ফলে পুরনো যাত্রী ছাউনিগুলো ভেঙে ফেলা হয়। এরপর থেকে আজ পর্যন্ত কোনো ধরনের যাত্রী ছাউনি গড়ে তোলা হয়নি। তাই অবিলম্বে সিলোনিয়া বাজারে যাত্রীসাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে রাস্তার দুই পাশে দুটি যাত্রী ছাউনি তৈরি করে দেওয়া হোক।

ইয়াছিন খন্দকার লোভা

সিলোনিয়া বাজার, ফেনী



প্রশ্ন ফাঁস রোধে দুদকের ভূমিকা

প্রায় প্রতিদিনই প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে। এভাবেই কি চলতে থাকবে? দেশের স্কুলগুলোতে চলছে পাসের হার বাড়ানোর অসম প্রতিযোগিতা। পাসের হার বাড়লে অনুদান বাড়বে। আর অনুদান বাড়লে বাড়বে দুর্নীতি করার ক্ষেত্রও! অভাবনীয় ঘটনাগুলোই এখন ঘটে যাচ্ছে অহরহ। তবে সন্তানকে বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে লাভ কী? শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বারবার বলা হলেও কোনো ব্যবস্থাই কার্যকরী হয়নি। পাশে একজন ফাঁসকৃত প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়ে ভালো ফল করবে; আবার কোনো ছাত্র নিজে ভালো থাকার জন্য ফাঁসকৃত প্রশ্নে পরীক্ষা না দিয়ে খারাপ ফল করলে সে কি ভালো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে? এই চিন্তার পরই সে দুর্নীতি আরম্ভ করবে এবং সে ফাঁসকৃত প্রশ্নেই পরীক্ষা দিতে আগ্রহী হয়ে উঠবে। শতভাগ পাসের মরণনেশা শিক্ষকদের দুর্নীতিবাজ করে তুলছে। আমাদের জাতীয়ভাবেই এ বিষয়টা নিয়ে এখন ভাবা দরকার। যেহেতু ব্যাপারটি শিক্ষাক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির কারণ, সেহেতু দুর্নীতি দমন কমিশন থেকে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। শুধু তাই নয়; প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে বড় ধরনের বাণিজ্য হচ্ছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব দুদকের একটি তদন্ত সেল গঠন করে গোপনে ও প্রকাশ্যে প্রশ্ন ফাঁস রোধে ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

সাঈদ চৌধুরী

শ্রীপুর, গাজীপুর

পরবর্তী খবর পড়ুন : সৌদিতে নতুন জিহাদ

বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

অভিবাসন ইস্যুতে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী চার্লস মিশেল। অভিবাসন নিয়ে ...

এভাবে চলে যেতে নেই

এভাবে চলে যেতে নেই

গতকাল মঙ্গলবার বাংলা চলচ্চিত্রের বরেণ্য নির্মাতা সাইদুল আনাম টুটুল চলে ...

বন্ধ হচ্ছে ট্রাম্প ফাউন্ডেশন

বন্ধ হচ্ছে ট্রাম্প ফাউন্ডেশন

ফাউন্ডেশনের অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগে বন্ধ হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পের ...

শেষ বিকেলে দেখা দিতে পারে রোদ

শেষ বিকেলে দেখা দিতে পারে রোদ

কয়েকদিন ধরে ঢাকাসহ সারাদেশে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও দিনভর বাতাসে ...

হাসপাতালে ভর্তি হলেন লতিফ সিদ্দিকী

হাসপাতালে ভর্তি হলেন লতিফ সিদ্দিকী

আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ ...

আড়াইহাজারে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতি, ৩৮ লাখ টাকার মালামাল লুট

আড়াইহাজারে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতি, ৩৮ লাখ টাকার মালামাল লুট

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুধুর্ষ ডাকাতি হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ...

ফতুল্লায় আগুনে একই পরিবারের ৯ জন দগ্ধ

ফতুল্লায় আগুনে একই পরিবারের ৯ জন দগ্ধ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাসের পাইপ লাইনের ছিদ্র থেকে আগুন লেগে একই ...

নজরদারি বেড়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে

নজরদারি বেড়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পগুলোতে টহল ...