চিঠিপত্র

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০১৮      

পাড়াতলীকে উপজেলা করা হোক

নরসিংদী জেলার বৃহত্তর রায়পুরা উপজেলা একটি পৌরসভা ও ২৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে ছয়টি ইউনিয়ন মেঘনা নদী দ্বারা বেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চলে অবস্থিত। এখানে দুই লক্ষাধিক লোকের বসবাস। এ জায়গাটি দুর্গম চরাঞ্চল হওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে প্রশাসনিক, আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে দুর্গম পথ অতিক্রম করে উপজেলা সদরে গিয়ে দাপ্তরিক কাজ করতে সাধারণ জনগণের খুবই অসুবিধা হচ্ছে। মেঘনা নদীর তীরবর্তী পাড়াতলীতে দুটি মাদ্রাসা, উচ্চ বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডাকঘর, ইউনিয়ন ভূমি অফিস, ইউনিয়ন কৃষি অফিস, কমিউনিটি সেন্টার, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য উপকেন্দ্র, ইউনিয়ন কমপ্লেক্স ভবন, বাজার ও কবি শামসুর রাহমান স্মৃতি পাঠাগারসহ বেশ কয়েকটি এনজিও প্রতিষ্ঠানের অফিস রয়েছে। এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা এতটাই নাজুক যে, চরাঞ্চলের সাধারণ জনগণকে সুদীর্ঘ পথ হেঁটে ও মেঘনা নদী পার হয়ে উপজেলা সদরে যেতে দুই ঘণ্টারও অধিক সময় ব্যয় করতে হয়। তাই উল্লিখিত চরাঞ্চলের পাড়াতলী, চাঁনপুর, শ্রীনগর, বাঁশগাড়ী, চরমধুয়া ও মির্জারচর- এই ছয়টি ইউনিয়ন নিয়ে পাড়াতলীকে উপজেলা গঠন করা একান্ত প্রয়োজন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নমন্ত্রীসহ সংশ্নিষ্ট সবার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এরশাদুর রহমান (চন্দন)
পাড়াতলী, রায়পুরা, নরসিংদী


বেপরোয়া গতি

মানুষ সামাজিক জীব। জীবন বাঁচার তাগিদে মানুষকে ঘরের বাইরে বেরোতেই হয়। জীবিকার সন্ধানে দেশ থেকে বিদেশে ছুটতে হয়। এ জন্য কোনো না কোনো বাহনে মানুষকে উঠতেই হয়। কারণ যানবাহনই মানুষের প্রধান মাধ্যম। লঞ্চ, স্টিমার, বিমান, বাস, মিনিবাস, বাইক, নছিমন, সিএনজি, অটো- এসব মানুষের চলাচলের প্রধান বাহন হিসেবে ব্যবহূত হয়। কিন্তু বর্তমানে কোনো বাহনই নিরাপদ নয়। পত্রিকায় চোখ রাখলেই দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়। আকাশপথ, সড়কপথ ও পানিপথের দুর্ঘটনা নিত্যদিনের ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে সড়কপথের দুর্ঘটনা মানুষকে ভীষণভাবে চিন্তিত করেছে। প্রতিদিনই অহরহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। যে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছে অসংখ্য তাজা প্রাণ। অনাকাঙ্ক্ষিত এ দুর্ঘটনার অনেক কারণের মধ্যে চালকের বেপরোয়া গতি ও খারাপ রাস্তা দুর্ঘটনা বাড়িয়ে দিচ্ছে। রাস্তায় গাড়ির বেপরোয়া গতি মানুষকে আতঙ্কিত করছে। এতে যেমন হারাচ্ছে তাজা প্রাণ, তেমনি হারাচ্ছে দেশের সুনাম। দেশের একেকটি প্রাণ একেকটি সম্পদ। দেশ উন্নয়নের হাতিয়ার। এভাবে সড়ক দুর্ঘটনায় আর কোনো প্রাণকে হারাতে চাই না। দুর্ঘটনা এড়াতে হলে সড়ক উন্নয়নের পাশাপাশি চালকের প্রতি তীক্ষষ্ট দৃষ্টি দিতে হবে। বেপরোয়া গতি রোধ করতে হবে। অন্যথায় সড়ক দুর্ঘটনা এড়ানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

মো. আজিনুর রহমান লিমন
চাপানীহাট, ডিমলা, নীলফামারী