মেরুকরণের সমীকরণ

রাজনীতি

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮      

এম হাফিজ উদ্দিন খান

রাজনীতিতে নির্বাচনকেন্দ্রিক জোটের বিষয়টি নতুন কিছু নয়। এ রকম দৃষ্টান্ত যেমন আমাদের দেশে আছে, তেমনি রয়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা যা লক্ষ্য করেছি তা হলো, এখানে জোটবদ্ধ রাজনীতির মেরুকরণটা অতীতে হয়েছে অন্যরকমভাবে এবং ভবিষ্যতেও এই মেরুকরণের নতুন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে যেভাবে শুরু হয়েছে, তাতে এখনই বলা যাচ্ছে না চূড়ান্ত রূপ কী হবে। আমাদের দেশে রাজনীতি ও নির্বাচনকেন্দ্রিক আস্থার সংকটের বিষয়টিও নতুন নয়। এই আস্থার সংকট থেকেই কখনও কখনও সৃষ্টি হচ্ছে বহুবিধ রাজনৈতিক-সামাজিক মারাত্মক জটিলতাও। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল সূত্রের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত-প্রচারিত খবরে জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ডিসেম্বরে হবে। তবে তা ডিসেম্বরের কত তারিখ হবে, এ বিষয়টি এখনও নির্দিষ্ট হয়নি। কিন্তু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে, রাজনৈতিক বাকবিতণ্ডা এতই বাড়ছে। এ কারণে শান্তিপ্রিয় মানুষের মনে নানারকম শঙ্কার দানাও বাঁধছে। কারণ এ সংক্রান্ত আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা অনেক ক্ষেত্রেই নয় প্রীতিকর। এই নির্বাচনকেন্দ্রিক ভিন্ন বার্তাও মিলেছে গণমাধ্যম মারফতই।

৮ সেপ্টেম্বর একটি দৈনিকের শীর্ষ প্রতিবেদনে প্রকাশ, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে, নাকি ভোটের তারিখ নতুন বছরে গড়াবে, তা নিয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মধ্যে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে কিছু কথা বললে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয় রাজনৈতিক অঙ্গনে। পরে অবশ্য তিনি এর যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাতে উত্তপ্ততার কিছুটা নিরসন হয়েছে। আমরা গণমাধ্যম সূত্রে গত কয়েক মাস ধরে এটাই জেনে আসছি যে, আগামী ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য নির্বাচন কমিশন জোর প্রস্তুতিও নিচ্ছে। যা হোক, বিষয়টি হলো সংবিধান মান্য করেই এ ব্যাপারে এগোতে হবে। অর্থাৎ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সাংবিধানিক সময়সীমা কিংবা বাধ্যবাধকতা অনুযায়ীই করতে হবে। কিন্তু সংকটটা জেগেছে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে। প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল অর্থাৎ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এখনও এ ব্যাপারে অবস্থান করছে বিপরীত প্রান্তে। মূলত বড় জোট হবে এ দুটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বাধীন, আমাদের অভিজ্ঞতা তাই বলে। অন্যদিকে এর বাইরেও একটি জোটের প্রক্রিয়া এখন পর্যন্ত চলমান।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাবাসের ৭ মাস পূর্ণ হয়েছে ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখ। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান একটি মামলায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। তার বিরুদ্ধে আরও মামলা রয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি মামলায় তিনি জামিন লাভও করেছেন। পত্রিকান্তরে প্রকাশ, তার আইনজীবী ও দলের নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, আর মাত্র দুটি মামলায় জামিন পেলে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার মুক্তির আইনগত বাধা অপসারিত হতে পারে। এ পর্যন্ত খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মোট ৩৬টি মামলার মধ্যে ৩৪টিতে তিনি জামিন লাভ করেছেন। গণমাধ্যমে দলের নেতাদের বরাত দিয়ে এ খবরও ইতিমধ্যে অনেকবারই প্রকাশিত হয়েছে যে, খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কারান্তরীণ রয়েছেন। বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য হলো- রাজনৈতিক নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য সরকার চেষ্টা চালাচ্ছে। এর বিপরীতে আওয়ামী লীগের নেতাদেরও বিপরীতধর্মী বক্তব্য মিলেছে।

এখন পর্যন্ত বিএনপি নেতাদের বক্তব্য থেকে এটুকু জানা গেছে যে, খালেদা জিয়াকে ছাড়া তারা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাবেন না। এ জন্য তারা আন্দোলনের পরিকল্পনাও করছেন। একই সঙ্গে তারা নির্বাচনের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন এবং এ জন্য জোটগত প্রক্রিয়া জোরদার করার খবরও গণমাধ্যম মারফতই জানা গেছে। তা ছাড়া আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এই দুই দলের মধ্যেই দলের মনোনয়ন পেতে নেতাদের অভ্যন্তরীণ বিরোধও ক্রম বাড়ছে। এও নতুন কোনো বিষয় নয়। প্রত্যেক নির্বাচনের প্রাক্কালেই এমনটি দেখা যায়। যদি জোটগতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়, তাহলে এই সমস্যা আরও বাড়বে। কারণ এখন জোটবদ্ধ সব দলের চাহিদা মোতাবেক আসন বণ্টনের বিষয়টি নির্ধারিত হবে। অন্যদিকে জাতীয় ঐক্যের প্রক্রিয়াও চলছে; যদিও এ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে এখনও বিভিন্ন বিষয়ে রয়েছে মতবিরোধ। সবকিছু মিলিয়ে রাজনীতিতে এক ধরনের অস্বস্তিকর পরিস্থিতি যেন ক্রম পুষ্ট হচ্ছে, যা শান্তিপ্রিয়দের জন্য উদ্বেগের।

আগেই বলেছি, আমাদের রাজনীতির মূল সমস্যা হলো আস্থার সংকট। গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে মতবিরোধ থাকতেই পারে; কিন্তু আমাদের দেশের মতো এত অসহিষুষ্ণতা ও পারস্পরিক অশ্রদ্ধা বিশ্বের অন্যান্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এতটা প্রকটভাবে পরিলক্ষিত হয় না। ৮ সেপ্টেম্বর অন্য একটি দৈনিকের শীর্ষ প্রতিবেদন থেকে জানা গেল, সরকারবিরোধী বৃহত্তর প্ল্যাটফর্ম গঠন প্রক্রিয়া কয়েকটি বিষয়ের জটিলতায় আটকে রয়েছে। জোটগত নাকি যুগপৎ আন্দোলন, কে হবেন জোটের প্রধান, ক্ষমতায় গেলে সরকারপ্রধান কে হবেন, এমন নানা প্রশ্নে এখনও বিভক্ত ঐক্য প্রক্রিয়ার উদ্যোক্তারা। এ বিষয়টির উল্লেখ এ কারণে করলাম, আমাদের দেশের রাজনীতির আরও একটি বড় সমস্যা হলো, কোনো কোনো রাজনীতিকের উচ্চাভিলাষ অনেকক্ষেত্রেই সংকট সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে বলতে হয়, পারস্পরিক অশ্রদ্ধা ও আস্থাহীনতা, এর ছায়া প্রায় সব ক্ষেত্রে, বিশেষ করে রাজনীতির স্তরে স্তরে বিস্তৃত। এটি আমাদের রাজনীতির বড় সংকট এবং এই সংকট আমাদের অনেক অর্জনের বিসর্জন ঘটানোর রাস্তা তৈরি করেছে এবং করছে।

বলতে গেলে রাজনীতি ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকেন্দ্রিক নতুন নতুন মেরুকরণের খবর মিলছে। ৯ সেপ্টেম্বর একটি দৈনিকের প্রতিবেদনে প্রকাশ, ছাড় দিয়ে হলেও বৃহত্তর ঐক্য চায় বিএনপি। এও জানা গেছে, ঐক্য গড়তে সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট থাকবে বিএনপির কিছু প্রস্তাব। আলোচনাসাপেক্ষে তারা আসন ছাড়তেও প্রস্তুত। এতে প্রতীয়মান হয়, তাদের চেয়ারপারসনের কারামুক্তি দাবির পাশাপাশি নির্বাচনকেন্দ্রিক সব প্রক্রিয়াই তারা অব্যাহত রেখেছেন। অন্যদিকে বসে নেই আওয়ামী লীগও। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তো বটেই, দলের অন্য নেতারাও নির্বাচনকেন্দ্রিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। মাঠ পর্যায়েও তারা সব কিছু গোছানোর প্রক্রিয়া ক্রম জোরদার করছেন। সবকিছু মিলিয়ে দেশের বর্তমান রাজনীতিতে ক্ষণে ক্ষণে মেরুকরণের সমীকরণ চলছে। অন্যদিকে বিএনপির নেতাকর্মীরা মামলার চাপে আছেন। এটি তাদের রাজনীতির ক্ষেত্রে বাড়তি একটি সংকট। একটি পত্রিকায় দেখলাম, অজানা ঘটনায় দেশের বিভিন্ন থানায় তাদের নেতাকর্মীদের ওপর ১২শ' মামলা রয়েছে এবং এসব মামলায় আসামির সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার। বিএনপি-জামায়াতসহ সমমনা দলগুলোর নেতারা আরও নতুন মামলার জাল এবং গ্রেফতার আতঙ্কের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন- এমন সংবাদও পত্রিকায় চোখে পড়েছে।

নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য, প্রশ্নমুক্ত, নিরপেক্ষ করার দায় নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলরাও রয়েছেন আস্থার সংকটে। তাদের ঘিরে আস্থার সংকট আগেই ছিল, এখন তা আরও পুষ্ট হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল কারও কারও বক্তব্য, ভূমিকা, অবস্থান আগেই অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। নতুন করে আরও প্রশ্ন জেগেছে। সর্বশেষ সিটি নির্বাচনগুলোতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং আস্থার সংকট প্রকট হয়ে ওঠে। তাদের সামনে কিন্তু সুযোগ ছিল আস্থার সংকট কাটিয়ে ওঠার। কিন্তু তারা এ ক্ষেত্রে সফলতার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হননি। নির্বাচন সংক্রান্ত যে কোনো বিষয়ে নির্বাচন কমিশনই মুখ্য প্রতিষ্ঠান। এ ক্ষেত্রে তারাই তো সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। সরকার তাদের সহযোগী শক্তিমাত্র। নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ, প্রশ্নমুক্ত করার জন্য নির্বাচন কমিশন যে অবস্থান কিংবা ভূমিকা নেবে, সরকারের কর্তব্য নির্মোহ অবস্থান থেকে এ ক্ষেত্রে কমিশনকে সর্বতো সহযোগিতা দান। কিন্তু এ ক্ষেত্রেও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির দৃষ্টান্ত রয়েছে। বিগত সিটি নির্বাচনে এ সংক্রান্ত বেশ কিছু অভিযোগ উঠেছিল।

নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করার ক্ষেত্রে সরকারকেই উদ্যোগী হতে হবে। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্রের রূপ পূর্ণাঙ্গ হবে না, হতে পারে না। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মহলের সরকারের প্রতি দাবি রয়েছে, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য সরকার যেন সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কিন্তু সরকারের তরফে এখন পর্যন্ত সে রকম জোরদার কোনো উদ্যোগ দৃষ্টিগ্রাহ্য হয়নি। এমতাবস্থায় অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের বিষয়েও সংশয়-শঙ্কা এখন পর্যন্ত থেকেই গেল। সরকারের দায়িত্বশীলদের যেসব বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে মনে হয়- তারা মনে করছেন, যে আসে আসুক, যে না আসে না আসুক- এ অবস্থায়ই নির্বাচন হবে। কিন্তু গণতন্ত্রের সংজ্ঞা সূত্র মোতাবেক এমন নির্বাচন তো গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ পথ মসৃণ করবে না, করতে পারে না। তাই সরকারকে এসব বিবেচনায় গঠনমূলক চিন্তাভাবনার পরিপ্রেক্ষিতে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। এ জন্য দরকার সংলাপ। সংলাপের মাধ্যমেই বিদ্যমান সমস্যা-সংকটের সমাধান সূত্র বের করা সম্ভব। স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দেশ-জাতির বৃহৎ স্বার্থে বিদ্যমান সব জটিলতা নিরসনকল্পে সংলাপ জরুরি। সংলাপের টেবিলে বিতর্ক হোক, তারপরও তো গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিচর্চার পথটা প্রশস্ত হবে এবং সংলাপে বসলে সমাধান সূত্র বের করে আনা কঠিন হবে না, যদি সংশ্নিষ্ট সবার আন্তরিকতা থাকে।

আমাদের বাস্তবতা এই যে, এখানে গণতন্ত্র ইতিমধ্যে বহুবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষের সব সময়ের প্রত্যাশা সুস্থ রাজনীতির। দুঃখজনক হলেও তো এটাই সত্য যে, রাজনীতির সুস্থ ধারাটি ইতিমধ্যে বহুবার পড়েছে চরম প্রতিবন্ধকতার মুখে। দেশের মানুষের আশা পূরণের দায়দায়িত্ব সরকারের। সব কথার শেষ কথা হচ্ছে, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদানের জন্য দরকার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর যূথবদ্ধ প্রয়াস এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশের চর্চার পথটি সুগম করা। দেশে যে রাজনৈতিক পরিবেশ বিরাজ করছে, তাতে রাজনীতির গুণগত মান পরিবর্তনের সুযোগ নেই। তাই গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ও বিকাশ অব্যাহত রাখতে হলে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে অবশ্যই পরিবর্তন আনতে হবে। গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোকে গণতান্ত্রিক হতে হবে। নির্বাচন গণতন্ত্রের একটিমাত্র অলঙ্কার। গণতন্ত্রের আরও শর্ত রয়েছে, এটা মনে রাখা দরকার।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সভাপতি, সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন

পরবর্তী খবর পড়ুন : রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়বে!

নিজস্ব প্রতীকে শরিকদের নির্বাচন আওয়ামী লীগের কৌশল: কাদের

নিজস্ব প্রতীকে শরিকদের নির্বাচন আওয়ামী লীগের কৌশল: কাদের

আসন ভাগাভাগির পরও বিভিন্ন আসনে শরিকরা নিজেদের প্রতীকে নির্বাচনে অংশ ...

পাবনায় হামলা থেকে বাঁচতে থানায় আশ্রয় নিলেন ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী

পাবনায় হামলা থেকে বাঁচতে থানায় আশ্রয় নিলেন ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী

পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়া আংশিক) আসনে ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও ধানের শীষ প্রতীকের ...

শ্রীলংকার কাছে সেমিতে হার যুবাদের

শ্রীলংকার কাছে সেমিতে হার যুবাদের

ইমার্জিং কাপে সেমিফাইনালে শ্রীলংকার কাছে ৪ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ ...

কলরেট বাড়ানো ও কলড্রপে টাকা কাটায় হাইকোটের্র নিষেধাজ্ঞা

কলরেট বাড়ানো ও কলড্রপে টাকা কাটায় হাইকোটের্র নিষেধাজ্ঞা

পুনরায় মোবাইলের কলচার্জ বাড়ানো ও কলড্রপে টাকা কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা ...

ট্রাকচাপায় দুই ভাইসহ নিহত ৩

ট্রাকচাপায় দুই ভাইসহ নিহত ৩

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ট্রাকের চাপায় দুই ভাইসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ...

শাকিব-ফারিয়ার ভিন্ন রসায়ন

শাকিব-ফারিয়ার ভিন্ন রসায়ন

মিরপুরে কোক ফ্যাক্টরির স্টুডিওতে সকাল থেকেই অপেক্ষা করছিলেন ভক্তরা। প্রিয় ...

সিলেটের উইকেট ব্যাটিং বান্ধব

সিলেটের উইকেট ব্যাটিং বান্ধব

শীতের চাদরে ঢাকা পড়েছে পুরো দেশ। রাজধানী ঢাকাতেই কেবল আসি ...

অর্থাভাবে সংস্কার হচ্ছে না পানাম নগরী

অর্থাভাবে সংস্কার হচ্ছে না পানাম নগরী

প্রাচীন বাংলার রাজধানীখ্যাত সোনারগাঁয়ের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের সাক্ষী পানাম নগরী অর্থাভাবে ...