চিঠিপত্র

প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯      

রেলের জমি উদ্ধার করুন

রেলওয়ের জায়গা-জমি এক শ্রেণির রেলওয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীর যোগসাজশে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সারাদেশে দখলবাজি চলছে। দেশব্যাপী রেলওয়ের খালি জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে দোকানপাট বিক্রি করার মহোৎসব চলছে। তা দেখার কেউ নেই। দেশে রেলওয়ের কত জায়গা বা সম্পদ রয়েছে, তার কোনো সঠিক হিসাব রেলওয়ে মন্ত্রণালয় বা রেল কর্তৃপক্ষের কাছে নেই। প্রতিদিন এ সম্পত্তি বেদখল হয়ে যাচ্ছে, যার কোনো হিসাব রেল অধিদপ্তরে থাকার কথা নয়। কেননা এ সম্পত্তি বেচা-বিক্রি বা অবৈধভাবে লিজ দেওয়া ইত্যাদিতে রেলওয়ের এক বিরাট চক্র দীর্ঘদিন থেকে সক্রিয়। এ ছাড়াও রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে অনেক রেলওয়ের সম্পত্তি লুণ্ঠন করা হচ্ছে। এখানে রেল কর্তৃপক্ষ বড়ই অসহায়। এক শ্রেণির ভূমি দস্যু রেলওয়ের জমির মাটি বিভিন্নজনের কাছে অহরহ বিক্রি করছে। স্থানীয় প্রভাবশালী লোকজন, সন্ত্রাসী ও মাস্তানরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় রেললাইনের পাশে রেলওয়ে তথা সরকারি জমি জবর-দখল করছে। পরে রেলের এক শ্রেণির অসৎ কর্মকর্তা ও কর্মচারীর যোগসাজশে ওইসব ভূমিদস্যু রেলওয়ের ব্রিজ ও রেললাইনের পাশে রেলের মালিকানাধীন জমি থেকে অবৈধভাবে ভেকু বা মাটি কাটার লোকজন দিয়ে মাটি কেটে বিভিন্ন কল কারখানায় অবৈধভাবে বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে দিন দিন রেললাইনের পাশের মাটি সরে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে দেশের রেল লাইনগুলো। অথচ লোকবলের সংকটের কারণে রেলের জমিজমা বা সম্পত্তি রক্ষা করার ব্যাপারে রেল কর্তৃপক্ষ সবসময় উদাসীন। রেলওয়ে সম্পত্তি বিভাগ বলেছে, ওই এলাকায় রেলওয়ের কমবেশি ৭৫ বিঘা জমি রয়েছে। এর বাজারমূল্য প্রায় ২২৫ কোটি টাকা। জমিগুলো দীর্ঘদিন থেকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের হাতছাড়া। বিষয়টি সরকারকে অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।
মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী, ঢাকা

শিক্ষাথী নির্যাতন বন্ধ হোক

২১ এপ্রিল ২০১১ সাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি রহিত করা সংক্রান্ত নীতিমালা-২০১১ প্রণয়ন করা হয়। নীতিমালায় বলা হয়েছে, দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশু অধিকার সংরক্ষণ ও শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সরকার বদ্ধপরিকর। শারীরিক ও মানসিক শাস্তি রহিত করা হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আনন্দঘন পরিবেশ বজায় থাকবে এবং শিশুরা সুন্দরভাবে গড়ে উঠবে। প্রশ্ন হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি রহিত করা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করার পরও পরিস্থিতির উন্নতি কি হয়েছে? হয়নি। শুধু ভয়ঙ্কর নির্যাতনের ঘটনাই মানুষ জানতে পারে মিডিয়ার কল্যাণে। দেশের প্রচলিত নারী নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী শিশুদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং এ আইন অনুযায়ী শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার্থী নির্যাতন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বন্ধ হোক এ নির্যাতন।
আলি হায়দার (রুমান), শিক্ষার্থী. ভোলাহাট মোহবুল্লাহ মহাবিদ্যালয়