চিঠিপত্র

প্রকাশ: ১২ জুন ২০১৯      

চিকিৎসা খাতের সুচিকিৎসা প্রয়োজন

মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর মানুষের জীবন-মৃত্যু নির্ভর করে। বর্তমান সরকার চিকিৎসা ক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্ব প্রদান করছে, যার উদাহরণ হতে পারে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প। সরকারের এমন নজরদারির পরও এ ক্ষেত্রে দুর্নীতি, চিকিৎসকদের দায়িত্ববোধের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। সম্প্রতি চিকিৎসক কর্তৃক রোগীকে লাঞ্ছিত হতেও দেখা যায়। উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থাকলেও নেই মানসম্মত সেবা। জেলা শহরের হাসপাতালেও নেই পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা। পর্যাপ্ত বেডের অভাবে রোগীদের মেঝে এমনকি বারান্দায়ও থাকতে হয়। পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশেরও অভাব রয়েছে। ওষুধের অভাবও পরিলক্ষিত হয়। সম্প্র্রতি লালমনিরহাটসহ কয়েকটি জেলা-উপজেলার হাসপাতাল থেকে কোটি টাকার ওষুধ গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। গরিবদের প্রতি সহানুভূতি যেন চিকিৎসার বেলায় খাটে না। অর্থের অভাবে অনেক সময় সুচিকিৎসা পাওয়া হয়ে ওঠে না। এহেন অবস্থায় দেশের চিকিৎসা খাতে বিশেষভাবে নজর দেওয়া প্রয়োজন।

আল-মাহমুদ

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সাতক্ষীরা



কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক মরণফাঁদ

প্রায় ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। রাস্তায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। বর্ষার পাহাড়ি ঢল আর দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার সংস্কার না হওয়ায় যানবাহন চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। আবার যে কোনো সময় গাড়ি উল্টে প্রাণহানির আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে যুক্ত হয়েছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। উখিয়া-টেকনাফের জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ লাখ; সেখানে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ১০ লক্ষাধিক। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের জন্য তাঁবু খাটানোর বাঁশবোঝাই একটি ট্রাক উল্টে কয়েকটি টমটম গাড়িকে পিষ্ট করে। এতে চারজন নিহত ও ১০ জন আহত হয়। শুধু তাই নয়, আঁকাবাঁকা কাঁচা রাস্তা আর বড় বড় গর্ত হওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। এ রাস্তা দিয়ে প্রচুর

সংখ্যক পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যায়। রাস্তার বেহাল দশা পর্যটকদের কাছেও বিরক্তিকর। দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, পর্যটন শিল্প রক্ষা এবং উখিয়া-টেকনাফকে সুন্দর আবাসভূমি হিসেবে গড়ে তুলতে রাস্তাটির সংস্কার জরুরি।

মো. জাফরুল ইসলাম

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়