চিঠিপত্র

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০১৯

গবাদি পশু মোটাতাজাকরণ বন্ধ হোক

কোরবানি ঈদ সামনে রেখে বেশি দামের আশায় গবাদি পশুকে মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন পশুর মালিকরা। গরু মোটাতাজাকরণে স্টেরয়েড বা হরমোনসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ওষুধের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এসব ওষুধ প্রয়োগে মোটাতাজা করা গবাদি পশুর মাংস মানব স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এমন মাংস খাওয়ার ফলে মানবদেহে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন মারাত্মক রোগবালাই হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। আশার বিষয় হলো- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ ও সীমান্তরক্ষাকারী বাহিনী (বিজিপি) তিন বছর ধরে গরু মোটাতাজাকরণে স্টেরয়েড ও হরমোনসহ ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদন, ব্যবহার ও চোরাচালানি বন্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে আসছে। মানব স্বাস্থ্যরক্ষায় নজরদারি আরও বাড়ানো উচিত। কোনো ধরনের হরমোন, স্টেরয়েড ও ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদন, ব্যবহার ও চোরাচালানি বন্ধে নজরদারি আরও বাড়াতে সংশ্নিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

মো. মোশারফ হোসেন, নকলা, শেরপুর

মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় আনুন

প্রাথমিক শিক্ষা হচ্ছে সব শিক্ষার ভিত্তি। তাই শিক্ষাব্যবস্থাকে উন্নত ও যুগোপযোগী করতে হলে প্রথমে প্রাথমিক শিক্ষার ওপর অত্যধিক গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। শিশু শিক্ষার্থীকে যা শেখানো হয় তাই তার মস্তিস্ক সহজে আয়ত্ত করে নেয়। এ জন্যই জাপান, ফিনল্যান্ডের মতো উন্নত দেশগুলো তাদের দেশের মেধাবীদের সবচেয়ে বেশি সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়। কিন্তু আমাদের দেশে প্রাথমিক শিক্ষকতা পেশা যেন সামাজিক ও আর্থিকভাবে এখনও অবহেলিত। তাই আমাদের দেশের মেধাবীরা প্রাথমিক শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট হন না এবং যারা আসেন তারাও এ পেশায় বেশিদিন থাকতে চান না। কর্তৃপক্ষের উচিত মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের জন্য আমলাতান্ত্রিক জটিলতা সৃষ্টি না করে প্রাথমিক শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি- প্রধান শিক্ষকদের ১০ম ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডসহ সিনিয়রিটি ও বিভাগীয় পরীক্ষার মাধ্যমে বিভাগীয় উচ্চপদগুলোয় শিক্ষকদের শতভাগ পদোন্নতি প্রদান করা। তাতে মেধাবীরা প্রাথমিক শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট হবেন ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষাও অর্জিত হবে।

মাহফিজুর রহমান মামুন, বোদা,পঞ্চগড়



যানবাহনে সতর্ক থাকুন

এই শহরে মানুষের ব্যস্ততা বেড়ে চলছে দিন দিন। যাতায়াতে পাবলিক যানবাহন তো সবারই নিত্যসঙ্গী। বাস, লেগুনা, অটোরিকশা, সিএনজি আমাদের যাতায়াতের মাধ্যম। গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে লক্ষ্য এটাই। যাতায়াতের ক্ষেত্রে একটা বিষয় খেয়াল করলে দেখা যায়, যাত্রীদের ওঠাতে বা নামাতে খুবই তাড়া থাকে হেলপারদের। খুব দ্রুত ওঠাতে বা নামাতে পারলেই যেন তাদের স্বস্তি। কিন্তু ব্যাপারটা ঝুঁকিপূর্ণ। সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি- কথাটা মুখে যতটা বলতে শোনা যায়, বাস্তবিক পক্ষে এর প্রয়োগ খুব কম চোখে পড়ে। পরিবহন-সংশ্নিষ্টদের উচিত যাত্রীদের ওঠানামার ব্যাপারে অধিকতর সতর্ক থাকা। নামাতে বা ওঠাতে একটু সময় দেওয়া! তাহলে দুর্ঘটনা কমে যাবে।

মিতা কলমদার

শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়