গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ভারসাম্যের কালে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক

কূটনীতি

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০১৯      

ড. ইমতিয়াজ আহমেদ

বর্তমান বিশ্বে একটা বড় সংকট হিসেবে হাজির হয়েছে গণতান্ত্রিক কাঠামোর সঙ্গে উন্নয়নের কাঠামোর ভারসাম্য রক্ষার প্রশ্ন। অনেক ক্ষেত্রে যেসব দেশে উন্নয়নের কথা বলা হচ্ছে, সেখানে গণতান্ত্রিক কাঠামোর ব্যাঘাত ঘটে। অনেক রাষ্ট্রের দিক থেকে গণতন্ত্রের বদলে উন্নয়ন কাঠামোর দিকে বেশি জোর দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। চীন এর একটি বড় উদাহরণ। সেখানে প্রচলিত কাঠামোর গণতন্ত্রের ঘাটতি রয়েছে; কিন্তু তার বদলে প্রাধান্য পেয়েছে উন্নয়ন। সাউথ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ার মতো দেশেও অর্থনৈতিক উত্থানের সময় গণতান্ত্রিক কাঠামো দুর্বল ছিল; কিন্তু উন্নয়নের নামে তা মেনে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীকালে দেশগুলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি বেশি জোর দিয়েছে।

বস্তুত দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে চলার একটি জোরালো ধারা তৈরি হয়েছিল। উন্নয়ন অক্ষুণ্ণ রেখেই মানবাধিকার, গণতন্ত্র, নাগরিক সমাজের ভূমিকা সমুন্নত রাখ হয়েছে। কিন্তু আশির দশকে এসে এই ধারায় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হতে থাকে। এখন খোদ ইউরোপে আমরা দেখছি অনেক দেশের ক্ষমতা ডানপন্থিদের হাতে চলে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রও হয়ে উঠছে এর বড় উদাহরণ। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটা গণতান্ত্রিক পথে রয়েছেন, বলা মুশকিল। তার তৈরি আইন-কানুন কতটা গণতান্ত্রিক, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তিনি নিজেও গণতন্ত্রের প্রতি কতটা অঙ্গীকারবদ্ধ- তা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। প্রতিবেশী ভারতেও একই পরিস্থিতি। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর স্বাধীনতা পাওয়া ভারত উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে চলছিল। কিন্তু উদার গণতান্ত্রিক কংগ্রেসের বদলে সেখানে আশির দশক থেকে ক্রমেই ডানপন্থি ও সাম্প্রদায়িক বিজেপির উত্থান ঘটতে থাকে। এখন বিজেপির মধ্যেও নরেন্দ্র মোদির মতো ব্যক্তির বিপুল উত্থান ঘটেছে। অনেকে তার গণতান্ত্রিক চেতনা নিয়েও সন্দিহান। তার নেতৃত্বে ভারতে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সুরক্ষিত থাকার ব্যাপারে সন্দিহান।

বলা দরকার, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের আগে পশ্চিমা দেশগুলোও গণতন্ত্র ও উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে চলেনি। ইউরোপের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর প্রায় সবারই উপনিবেশ ছিল। ব্রিটিশ গণতন্ত্র বিকাশই লাভ করেছে ভারত উপমহাদেশের মতো অঞ্চলগুলোকে শোষণ করে। আজকের গণতান্ত্রিক জাতি ফরাসি, ডাচদেরও উপনিবেশ ছিল বিশ্বের বিভিন্ন অংশে। এমনকি বেলজিয়ামের মতো দেশেরও উপনিবেশ ছিল আফ্রিকায়। যুক্তরাষ্ট্রও তার স্বার্থে লাতিন দেশগুলোতে এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছিল যে, সেগুলোর নামই হয়েছিল 'বানানা রিপাবলিক'। বাংলায় বললে 'কদলী প্রজাতন্ত্র'। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরও যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রো-আমেরিকানদের অধিকার পেতে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। লাতিন দেশগুলোর ওপর এখনও যুক্তরাষ্ট্র ঔপনিবেশিক আমলের মতো খবরদারি চালিয়ে থাকে।

ইউরোপের জার্মানিতে হিটলার ও ইতালিতে মুসোলিনির আবির্ভাব এবং তার জের ধরে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার পর থেকে ইউরোপ নতুন মাত্রায় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে থাকে। সেখানকার বিভিন্ন দেশের নেতৃত্ব ও জনসাধারণের মধ্যে ডানপন্থা, উগ্রবাদ, ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনা সঞ্চারিত হয়। তারা বুঝতে পারে, কেবল নিজের দেশে নয়, বিশ্বের সর্বত্রই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা জরুরি। কিন্তু আশির দশকে এসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থাও ভেঙে পড়তে থাকে। ধনতান্ত্রিক পুঁজিবাদের ধারাবাহিকতায় ইউরোপে লিভিং কস্ট বা জীবনযাপনের ব্যয় বেড়ে যেতে থাকে। অন্যদিকে উপনিবেশগুলোও ততদিনে স্বাধীন। ফলে কেবল অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যবস্থা থেকে প্রাপ্ত মুনাফায় চলছিল না। পরিস্থিতি সামাল দিতে উৎপাদন ব্যবস্থা প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক রূপ গ্রহণ করে। যেসব দেশে শ্রমের মূল্য বেশি, সেখানকার পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা সস্তা শ্রমের দেশগুলোতে চলে যায়। শ্রমের এই বিশ্বায়ন কার্ল মার্কস বা লেনিনও সম্ভবত চিন্তা করতে পারেননি। বিশ্বায়ন হয়ে উঠল সস্তা শ্রমভিত্তিক। বিশ্ব ব্যবস্থার এই পর্যায়ে চীনের উত্থান। চীন গত কয়েক বছরে যে ধরনের অবকাঠামো বিনিয়োগ করছে, তা পশ্চিমাদেরও অবাক করেছে। অন্যদিকে, আগেই বলেছি, ইউরোপ-আমেরিকা ও এশিয়াতেও ক্রমে গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে থেকেই ডানপন্থার উত্থান ঘটছে। প্রশ্ন হচ্ছে- এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ কোন পথে যাবে?

বাংলাদেশের জনসাধারণ গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ভারসাম্য চায়। ক্ষমতাসীনরাও চান। যে কারণে নির্বাচন এলে তারা জনগণের কাছে গিয়ে বলেন, কীভাবে তাদের সরকার উন্নয়নকে জনগণের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে পেরেছে। অর্থনৈতিকভাবেও বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে। গত পাঁচ বছর ধরে ৭ শতাংশের ওপরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। কিন্তু সামনের দিনগুলোতে এটা ধরে রাখতে হলে উন্নয়ন কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে হবে। সেটা করতে গিয়ে সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়ার মতো গণতান্ত্রিক কাঠামোতে ছাড় দিতে হবে।

আমরা দেখছি, বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে ভারত ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে আসছে। কিন্তু এই পর্যায়ে এসে অবকাঠামো উন্নয়নে যে পরিমাণ মূলধন প্রয়োজন, তা পশ্চিমা দেশগুলো ও ভারতের পক্ষে জোগান দেওয়া সম্ভব নয়। বাংলাদেশের এখন বড় আকারের অবকাঠামোগত উল্লম্ম্ফন প্রয়োজন। জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে ৭ থেকে ১০ শতাংশে নিতে হলে নৌপথ উন্নয়ন করতে হবে; সড়ক ও রেলপথের উন্নয়ন করতে হবে। বড় বড় সেতু তৈরি করতে হবে। সেই জায়গায় ক্ষমতাসীনদের বিচক্ষণতা ও দূরদৃষ্টি দেখতে পাচ্ছি। তারা মনে করছে, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হলে বড় বড় অবকাঠামো তৈরি সহজ হবে।

মজার ব্যাপার, বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের এই লক্ষ্যের সঙ্গে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ মিলে গেছে। চীনা বিনিয়োগের আরও কিছু সুবিধা রয়েছে। তারা উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষা করার 'ঝামেলায়' যায় না। অন্যদিকে পশ্চিমা দেশ, জাপান বা ভারতের বিনিয়োগ বা ঋণের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই সুশাসন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ইত্যাদি নিয়ে তারা নানা প্রশ্ন করে থাকে। চীনের দিক থেকে এ ধরনের প্রশ্ন থাকে না। আমরা দেখেছি, শি জিনপিং তার বাংলাদেশ সফরের সময় চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ছাড়াই ৩০ বিলিয়ন ডলার ঋণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

এ ধারণার ক্ষেত্রে একটি বড় কেসস্টাডি হতে পারে পদ্মা সেতু প্রকল্প। বিশ্বব্যাংকের দিক থেকে সুশাসন ও 'সম্ভাব্য দুর্নীতি' নিয়ে অভিযোগ তুলে বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি প্রত্যাহার করা হয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতাসীনরা যে কোনো মূল্যেই এ প্রকল্প বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছিলেন। তখন চীন এগিয়ে এসেছিল। সুশাসন বা কথিত সম্ভাব্য দুর্নীতি নিয়ে বেইজিংয়ের দিক থেকে কোনো প্রশ্ন ছিল না। ঢাকা ও বেইজিং দু'পক্ষই এটাকে 'উইন উইন সিচুয়েশন' হিসেবে শনাক্ত করেছিল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক চীন সফরে দুই দেশের মধ্যকার উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্পর্ক ছাড়াও রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট একটা বড় ইস্যু ছিল। এই সংকটও ঢাকা-বেইজিং ঘনিষ্ঠতর সম্পর্কের অনুঘটক হিসেবে স্পষ্ট হচ্ছে। পশ্চিমা দেশ বা ভারত যদি রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান দিতে পারত, তাহলে হয়তো বাংলাদেশ এ ব্যাপারে চীনের দ্বারস্থ হতো না। পশ্চিমা দেশ ও জাতিসংঘ মিলে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মিয়ানমারের ওপর কার্যত কোনো চাপ তৈরি করতে পারেনি। ভারতও রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান দূরে থাক, বরং সেখানে থাকা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিতে গিয়ে নতুন সমস্যা তৈরি করেছে।

মিয়ানমারের ওপর চাপ তৈরি করার ক্ষেত্রে চীনেরও নিজের গরজ রয়েছে। এর মূলেও রয়েছে চীনা বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ। খোদ রাখাইন রাজ্যে এই খাতে চীনের বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে। তাদের দিক থেকেও রাখাইনকে স্থিতিশীল করে তোলা দরকার। রোহিঙ্গা সংকট এই স্থিতিশীলতার প্রশ্নে একটি বড় বাধা। এমনিতে রাখাইনে রোহিঙ্গা সংকট নতুন নয়। সত্তর দশকে আড়াই লাখ, নব্বইয়ের দশকে পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পার হয়ে এসেছিল। তখনও পশ্চিমা দেশগুলো প্রতিবাদ জানিয়েছে। কিন্তু এবার তারা বলছে, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর 'গণহত্যা' চালানো হয়েছে। খোদ জাতিসংঘও বলছে, 'জেনোসাইডাল ইনটেন্ট'। আগে কখনও তারা এ অভিযোগ তোলেনি। এখন মার্কিন কংগ্রেসম্যান বলেছেন, দক্ষিণ সুদানের মতো আরাকানকে স্বাধীন করে বা বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া উচিত। এ ধরনের অভিযোগ সামনের দিনগুলোতে আরও বাড়বে বৈ কমবে না। এমনি একটি এলাকা চীনের বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত হতে পারে না। রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘায়িত হলে তার বিনিয়োগ বিঘ্নিত হবে। আর সংকট যত তাড়াতাড়ি সমাধান হবে, তা চীনা বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ততই মঙ্গল। শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতে চীনা প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট তাই বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বেইজিং 'যা প্রয়োজন, তা-ই করবে'।

শেখ হাসিনার এবারের চীন সফরের সময়টাও তাৎপর্যপূর্ণ। আমেরিকার সঙ্গে চীনের 'বাণিজ্য যুদ্ধ' চলছে এখন। পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে, এই যুদ্ধের ফলে বাংলাদেশের মতো কিছু দেশ লাভবান হতে পারে। চীনের অনেক উৎপাদন কাঠামো বাংলাদেশে স্থানান্তর হতে পারে। স্বাভাবিকভাবে সরকার ছাড়াও বাংলাদেশের ব্যবসায়ী মহল চাইবে, এই স্থানান্তর ঘটুক। আমরা এর সুযোগ নিতে চাইলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও জোরদার করতে হবে। আর এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নিজেও 'উৎপাদক রাষ্ট্র' হিসেবে তৈরি হতে পারে। আমেরিকা-চীন বাণিজ্য যুদ্ধ যদি শেষও হয়ে যায়, অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে বাংলাদেশ সুবিধা পেতেই থাকবে। আমরা নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে চাচ্ছি। সে ক্ষেত্রেও এটা একটা সুযোগ। বাংলাদেশ যদি এই সুযোগ না নেয়, তাহলে অন্য কোনো দেশে নিয়ে যাবে।

প্রসঙ্গক্রমে বলি, চীনের ঋণ ও বিনিয়োগ নিয়ে অনেকে সমালোচনা করেন। এর ফলে 'ডেট ট্র্যাপ' বা ঋণ-ফাঁদ তৈরি হয় বলে তাদের আশঙ্কা। এ ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে এই অঞ্চলে শ্রীলংকা ও পাকিস্তানের উদাহরণ দিয়ে থাকেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ওই দুই দেশ ও বাংলাদেশের পরিস্থিতি এক নয়। শ্রীলংকার কথাই বলি, তারা পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে চীনের চেয়েও বেশি ঋণ নিয়েছে। পাকিস্তানেও একই পরিস্থিতি। দুই দেশের প্রবৃদ্ধির হারও বাংলাদেশের চেয়ে অনেক কম। অন্যদিকে বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির উচ্চহার নিয়েই চীনের সঙ্গে সম্পর্ক করতে যাচ্ছে। আর চীনও শ্রীলংকা ও পাকিস্তানের অভিজ্ঞতার পর এ ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে। এটা ঠিক, এসব ঋণ ও বিনিয়োগের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া যদি ঠিকমতো না হয়, যদি দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে না থাকে, তাহলে এখানেও শ্রীলংকা বা পাকিস্তানের মতো উদাহরণ তৈরি হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্নেষক; অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়