বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক নিয়ে অবহেলা নয়

কয়েকদিন আগেই বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে আরও একটি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদপত্রের খবরে জানা যায়, বাঘটি বড় একটি গুইসাপ খেয়ে ফেলায় আস্তে আস্তে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। কিন্তু এটাই কি আসল কারণ? কিছুদিন আগে টিকিট বিক্রিতে অনিয়ম নিয়ে দুদক অভিযানও চালিয়েছিল এই সাফারি পার্কে। সেখানেও অনিয়ম ধরা পড়েছে। একটি সংবাদপত্রে প্রকাশ, সাফারি পার্কের ঝুলন্ত ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ার পথে এবং এ কারণে দর্শনার্থীদের ব্রিজে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। বিভিন্ন সময় নানা ধরনের অভিযোগের কথাও আসে। বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক দেশের একটি মহামূল্যবান সম্পদ। সেখানে প্রাণীদের খাবার দেওয়ার প্রক্রিয়া ও খাবারের মান যাচাইয়ে আরও উন্নত কোনো পদ্ধতি গ্রহণ করা যায় কি-না তা সংশ্নিষ্ট বিভাগকে ভাবতে হবে। পার্কটিতে লোকবল ও চিকিৎসক সংকট নিরসন করা দরকার। যেহেতু সাফারি পার্কটি ভাওয়াল ও মধুপুর গড়বেষ্টিত সুতরাং এখানে ভাওয়াল গড় গবেষণাগার তৈরি করে গজারি গাছের কৃত্রিম প্রজননে গবেষণা হওয়া দরকার। এছাড়া ভাওয়াল গড়ের বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীগুলোকে টিকিয়ে রাখারও উদ্যোগ নেওয়া দরকার।

সাঈদ চৌধুরী, শ্রীপুর, গাজীপুর

চিলমারী-ঢাকা আন্তঃনগর ট্রেন চাই

৬৪টি জেলার মধ্যে দারিদ্র্যের দিক থেকে শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে কুড়িগ্রাম জেলা। আগে দারিদ্র্যের হার ছিল ৬৩.৬৭ শতাংশ, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০.৮৭ শতাংশ। দারিদ্র্যের শীর্ষস্থানে অবস্থান করা সত্ত্বেও এই জেলায় শিক্ষার হার প্রায় ৫৬ শতাংশ।

সারাদেশে ছড়িয়ে আছে এই জেলার কয়েক লাখ লোক। তাদের বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী। যেখানে দারিদ্র্যের কশাঘাতে জীবন অতিষ্ঠ সেখানে বিলাসিতা করে যাতায়াতের কথা চিন্তা করা আমাদের মানান না। তাছাড়া সড়কপথে যাতায়াতে দুর্ঘটনা নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দরিদ্র পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি যদি দুর্ঘটনার শিকার হন তাহলে পরিবারের দায়ভার কে নেবে? আন্তঃনগর ট্রেন চালু হলে আশা রাখি যাতায়াতে ভোগান্তি অনেকাংশে কমে যাবে। তাই সংশ্নিষ্ট মহলের কাছে আকুল আবেদন, যাতায়াত ব্যবস্থার ভোগান্তি কমাতে চিলমারী টু ঢাকা আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা হোক।

জেলী আক্তার

শিক্ষার্থী, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ, রসুলপুর, কুড়িগ্রাম

রাস্তা সংস্কার হোক

দীর্ঘদিন থেকে পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়া, ফরিদাবাদ, দয়াগঞ্জ, মিলব্যারাক, কাঠেরপুল, আইজি গেট, করিমউল্লাহবাগের রাস্তাঘাটের অবস্থা এতই শোচনীয়, যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এসব রাস্তা রিকশা, ভ্যানগাড়ি, বাস-ট্রাক চলাচলের জন্য একেবারে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বহু চিঠি দেওয়া সত্ত্বেও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন রাস্তাগুলো সংস্কারে উদাসীনতা প্রদর্শন করছে। ৫/৬ বছর আগে দয়াগঞ্জ, কাঠেরপুল, মুরগীটোলার দুর্বল নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কোনোরকমে সংস্কার করা হলেও বর্তমানে এসব রাস্তার অবস্থা বেহাল এবং বিধ্বস্ত। বিশেষ করে কেবি রোড ও হরিচরণ রায় রোড, ডিস্টিলারি রোড, দীননাথ সেন রোড, রজনী চৌধুরী রোডের অবস্থা ভীষণ খারাপ। এলাকার মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই।

জরুরি ভিত্তিতে পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, মিলব্যারাক, ফরিদাবাদ, আইজি গেট ও দয়াগঞ্জের রাস্তাগুলো সংস্কার করার জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী

ফরিদাবাদ, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা

মন্তব্য করুন