চিঠিপত্র

প্রকাশ: ২০ নভেম্বর ২০১৯      

পাবলিক লাইব্রেরির সংস্কার জরুরি



বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি চাকরিপ্রত্যাশীরা তাদের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য লাভের আশায় পড়াশোনা করতে প্রতিদিনই বাংলাদেশের পাবলিক লাইব্রেরিগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন। লাইব্রেরিগুলোর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান গ্রন্থাগার, সুফিয়া কামাল গণগ্রন্থাগারের ভিড় চোখে পড়ার মতো। এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরি, জাতীয় গণগ্রন্থাগারসহ প্রায় সব গ্রন্থাগারে সবসময়ই শিক্ষার্থীদের আনাগোনা চলে। দেশে চাকরিপ্রত্যাশী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর অনুপাতে পাবলিক লাইব্রেরির সংখ্যা খুবই কম। সকাল ৬টা থেকে একটি সিটের আশায় দলে দলে লাইন দিয়ে সিট পাওয়ার জন্য অপেক্ষায় থাকেন জ্ঞানপিপাসুরা। সিট সংকট, ওয়াশরুমের সমস্যাসহ নানা সমস্যার কথা প্রতিনিয়ত পাঠকদের মাঝে শোনা যায়। অতি শিগগিরই সিট বৃদ্ধিকরণ, রেফারেন্স বই বৃদ্ধি, পাবলিক লাইব্রেরিতে নানা সংস্কারসহ নতুন পাবলিক লাইব্রেরি নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. হাছিবুল বাসার

শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

সিন্ডিকেটের দুষ্টচক্র ভাঙতে হবে



প্রতি বছরই সুযোগ বুঝে এক শ্রেণির অসাধু সিন্ডিকেট নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়িয়ে মানুষকে জিম্মি করে ফেলে। এ ক্ষেত্রে সরকারের সংরক্ষণ ও সুষম বণ্টনের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা না থাকাটাই পরোক্ষভাবে দায়ী। এ জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেতে চাই প্রান্তিক বিতান, যা স্থাপন হবে প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে। একটি আধুনিক সংরক্ষণযোগ্য খাদ্যগুদাম তৈরি করতে হবে। যার সঙ্গে বিক্রয়কেন্দ্র প্রান্তিক বিতানে সব নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য থাকবে। মৌসুমে স্থানীয় কৃষকের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে ফসল সংগ্রহ এবং প্রয়োজনে আমদানিকৃত পণ্য এখানে সংরক্ষণ ও পরে তা বিক্রি হবে। জাতীয় আইডি কার্ডের নম্বরে এক কার্ডের মাধ্যমে পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচজন পোষ্য ধরে একটি রেশন কার্ড করতে হবে। প্রকৃত বাজারমূল্যে ও বিশেষ সময়ে সরকার ভর্তুকি দিয়ে এখানে খাদ্যদ্রব্য বিক্রি করবে। প্রতিটি কার্ডধারী প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্য অর্থের বিনিময়ে সংগ্রহ করতে পারবে। সবার জন্য ন্যায্যমূল্যে পণ্য ক্রয়ের সুযোগ থাকবে। এর সব কার্যক্রম সুপারশপের মতো ডিজিটাল অনলাইন পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। মূলধন হিসেবে সঞ্চয়পত্রের টাকা এবং প্রয়োজনে সহজশর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা হবে। লাইসেন্সসহ যাবতীয় সুবিধা তাদের সরকারের পক্ষ থেকে দিতে হবে। এ উদ্যোক্তারা কখনোই জনগণকে জিম্মি করে ব্যবসা করবে না। এক দিন হতদরিদ্র কর্মসূচি এবং টিসিবির ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি সাধারণ জনগণের জন্য অপমানজনক বলে প্রতীয়মান হবে। সার্বিক দিক বিবেচনায় খাদ্যদ্রব্যের সুষম বণ্টন এবং সিন্ডিকেটের দুষ্টচক্র ভাঙতে প্রতিটি ইউনিয়নে চালু করা হোক প্রান্তিক বিতান।

জাকারিয়া স্বাধীন, পলাশ, নরসিংদী