চিঠিপত্র

প্রকাশ: ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯      

খেলার মাঠ সংস্কার হোক

১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের রয়েছে হাজারো অর্জন। তবুও এর রয়েছে নানা সীমাবদ্ধতা। যেমন বিশুদ্ধ খাবার পানি সংকট, ডিগ্রি শাখায় কোনো ব্যাংকের শাখা না থাকা, শ্রেণিকক্ষ সংকট, শৌচাগার সংকট, আবাসিক হলে আসন সংকট। এ কলেজের ডিগ্রি শাখার একমাত্র খেলার মাঠটি এক যুগেরও বেশি সময় কচুক্ষেতে পরিণত রয়েছে, যা এখন মশার প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। খেলার মাঠটি সংস্কারে অধ্যক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

আবু সুফিয়ান রাসেল

শিক্ষার্থী, ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ, কুমিল্লা

টোল আদায় আর কত

ভ্রমণপিপাসুরা জল, স্থল, রেল ও আকাশপথ ব্যবহার করে। যেসব যাত্রী স্থল, রেল ও আকাশপথ ব্যবহার করে তাদেরকে বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও বিমানবন্দর ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু এসব স্টেশন ব্যবহারের জন্য সরকারকে কোনো টোল দিতে হয় না। শুধু নদীবন্দরগুলোতে লঞ্চে যাতায়াতের উদ্দেশ্যে যাত্রীসাধারণকে টোল দিতে হয়। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে নদীবন্দরের লঞ্চ টার্মিনালে প্রবেশ ফি ৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছে। নৌবন্দরে এ ধরনের বৈষম্যমূলক টোল আদায়ের অবসান চাই।

মো. জিল্লুর রহমান

সতীশ সরকার রোড

গেণ্ডারিয়া, ঢাকা

নওয়াব আব্দুল লতিফ কলেজ চাই

ভারতবর্ষে মুসলিম নবজাগরণের অগ্রদূত ও সমাজসংস্কারক খান বাহাদুর নওয়াব আব্দুল লতিফ। তিনি ১৮২৮ সালে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানার রাজাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। যিনি শুধু বাংলায় নয়, বরং সমগ্র ভারতবর্ষে মুসলিমদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়েছেন এবং সমাজসেবায় জীবন উৎসর্গ করেছেন, আজ তিনিই অবহেলিত। স্মৃতি ধরে রাখার মতো তার জন্মস্থানে উল্লেখযোগ্য নিদর্শন নেই। সে জন্য বোয়ালমারীর রাজাপুরে একটি সরকারি অনার্স কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হোক আর কলেজটির নাম দেওয়া হোক সরকারি নওয়াব আব্দুল লতিফ কলেজ।

মো. আতাউর রহমান সুজন, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, ফরিদপুর



হলুদ কার্টিজের অস্বাভাবিক মূল্য

যারা নিয়মিত বা অনিয়মিত আদালত প্রাঙ্গণে যান, তাদের কাছে হলুদ কার্টিজ বেশ পরিচিত। দেওয়ানি মামলার আর্জি থেকে শুরু করে প্রায় সব আবেদনই হলুদ কার্টিজে লেখার মাধ্যমে আদালতে দাখিল করতে হয়। চুক্তিপত্র, দলিল, অঙ্গীকারনামা, হলফনামার মধ্যে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের পাশাপাশি কার্টিজ ব্যবহূত হয়। এর স্বাভাবিক মূল্য প্রতি পিস ৭ টাকা। এ টাকার মধ্যেই সরকারিভাবে তৈরি খরচ, লভ্যাংশ এবং বিক্রেতাদের লভ্যাংশ থাকে। কিন্তু কয়েক মাস ধরে চট্টগ্রাম আদালতে কার্টিজের দাম বৃদ্ধি পেতে পেতে এখন ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকারিভাবে কার্টিজের দাম বাড়ানো হয়েছে, নাকি ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট দাম বাড়িয়েছে, জানে না কেউ। আইনজীবী, ক্রেতা কিংবা সরকারের সংশ্নিষ্ট বিভাগ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আলোচনা না থাকায় নীরবেই হাজার হাজার কোটি টাকা গচ্চা যাচ্ছে নাগরিকদের। এ বিষয়ে সরকারের সংশ্নিষ্ট বিভাগ থেকে জানানো প্রয়োজন।

জুবায়ের আহমেদ

বাকলিয়া, চট্টগ্রাম