চিঠিপত্র

প্রকাশ: ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯      

খেলার মাঠ রক্ষায় আবেদন

প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন- আর কোনো খেলার মাঠ যেন দখল না হয়। এ ঘোষণায় আমরা খুশি হয়েছিলাম, তাতে যদি আমাদের এলাকার খেলার মাঠটি রক্ষা পায়। আমরা সুনামগঞ্জের ভাটি অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষ; দেশের অন্যতম বৃহৎ হাওর হালির হাওরপাড়ের বাসিন্দা, বছরের ৬ মাস পানিবন্দি থাকি। বাকি ৬ মাস একমাত্র বোরো ফসল চাষাবাদ করি। হালির হাওরের পূর্ব প্রান্তে সাচনা, রামপুর, কালীবাড়ি, শরৎপুর ও কামলাবাজা গ্রামে প্রায় ৭ হাজার মানুষের বসবাস। এসব গ্রামের শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা কিংবা বৈশাখ মাসে কৃষকদের জন্য এ এলাকায় কোনো খালি জায়গা ছিল না। সাচনা গ্রামের বাসিন্দা কল্যাণব্রত ঘোষ (মৃত) এ বিষয়টি চিন্তা করে ১৩৬৭ দাগের ১ একর ৬৯ শতাংশ জমি খেলার মাঠের জন্য সরকার বরাবর দিয়ে দেন। এর পর থেকে এটি এই হাওর এলাকার একমাত্র খেলার মাঠে পরিণত হয়। ঘোড়দৌড়, ফুটবল, ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ও মেলার আয়োজন হতো এ মাঠে। আর বৈশাখ মাসে এই মাঠে কৃষকরা ধান মাড়াই করেন। কিন্তু বিগত জোট সরকারের আমলে কিছু ভূমিখেকো হঠাৎ কিছু মানুষকে ভূমিহীন সাজিয়ে মাঠটি দখল করে নেয়। রাতারাতি মাঠটি ক্ষতবিক্ষত করে ৬৬টি ঘর তৈরি করে। এ নিয়ে পত্রিকায় লেখালেখি হয়। বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কিছু মানুষ মুক্তিযোদ্ধা ও ভূমিহীন সেজে এ মাঠটি বন্দোবস্ত নিতে প্রক্রিয়া শুরু করে। তারা রাতারাতি মাঠটি দখলে নিয়ে অস্থায়ী স্থাপনা তৈরি করে। গত কয়েক বছর ধরে এ নিয়ে পত্রিকায় অনেক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আমরা জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় প্রশাসন বরাবর আবেদন করেও মাঠটি দখলমুক্ত করতে পারিনি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।

সেলিম উদ্দিন, আব্দুল বাতেন, সুকেশ দাস, রাজন পাল, রাসেল আহমেদ ও সুমন আহমেদ, জামালগঞ্জ, সুনামগঞ্জ

অতিথি পাখি শিকার নয়

শীত এলেই বাংলাদেশে আগমন ঘটে অতিথি পাখির। প্রতি বছর এ সময়ে জলাশয়, বিল, হাওর, পুকুর ভরে যায় রংবেরঙের নাম না জানা পাখিতে। আদর করে আমরা সেগুলোকে অতিথি পাখি নামে ডাকি। নাম অতিথি হলেও এসব পাখি ঝাঁকে ঝাঁকে আমাদের দেশে হাজির হয় নিজেদের জীবন বাঁচাতে। অতিথি পাখি দেখে লোকে আনন্দ পায়। এর কলকাকলিতে ভরে ওঠে পরিবেশ। কিছু অসাধু ও অসচেতন মানুষ প্রতি বছর অনেক পাখি নিধন করে। অনেকেই শখের বশে ও খাবারের জন্য পাখি শিকার করে। বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী নিয়ে নীতি থাকলেও তার যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় মানুষের হাতে মারা যাচ্ছে অনেক পাখি।

মাহফুজুর রহমান খান

চিনিতোলা, মেলান্দহ, জামালপুর