চিঠিপত্র

প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২০     আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২০

শিশুদের রক্ষা করুন

এক দশক আগেও শিশুরা মাঠেঘাটে খেলাধুলা করে তাদের শৈশব অতিবাহিত করত। তাদের মেধার বিকাশ ঘটত খোলামেলা পরিবেশে। কিন্তু বর্তমান সময়ে শিশুরা আর মাঠেঘাটে খেলাধুলা করে না। কারণ তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় স্মার্টফোন। শিশুরা স্মার্টফোনে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও গেমস খেলে শৈশব অতিবাহিত করছে। একসময় ভিডিও গেমস তাদের নেশায় পরিণত হচ্ছে। এ ছাড়া শিশুকাল থেকে ফোন ব্যবহার করায় মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অনেকেই। মা-বাবার উচিত শিশুদের হাতে স্মার্টফোন না দিয়ে বরং তাদের মাঠে গিয়ে খেলার প্রতি উৎসাহিত করা।

জাফরুল ইসলাম
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রেলরুটে ভোগান্তির শেষ কবে?

বাংলাদেশের অন্যতম জনবহুল জেলা নোয়াখালী। এ অঞ্চলের অধিবাসীদের বৃহৎ একটি অংশ নিত্যনৈমিত্তিক কাজে রাজধানী ঢাকায় আসা-যাওয়া করে। সড়কপথের তীব্র যানবাহনের চাপ, যানজটসহ নানা সমস্যার কারণে যাত্রীরা রেলপথকে বেশি নিরাপদ মনে করেন। কিন্তু এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ রুটে একটি মাত্র ট্রেন বরাদ্দ থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে। ওই রুটে একমাত্র ট্রেন উপকূল এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেন হিসেবে পরিচিত হলেও এর সেবার মান নিয়ে যাত্রীদের রয়েছে পাহাড়সম অভিযোগ ও ক্ষোভ। ঢাকা থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত ১১-১২টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি, পথিমধ্যে ট্রেনের গতি কমিয়ে যাত্রী ওঠানামা করা, শিডিউল বিপর্যয় অনেকটা সাধারণ রুটিনে পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া ট্রেনের প্রতিটি বগিতে নোংরা পরিবেশে সময় পার করতে হয় যাত্রীদের।

তানভীর আহমেদ রাসেল
শিক্ষার্থী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়