চিঠিপত্র

প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২১     আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২১

টিকটক ও লাইকি নিষিদ্ধ হোক

যুব সমাজের নৈতিক পদস্খলনে সময়ের ভিন্নতায় কিছু উপকরণ খুব জোরালো প্রভাব বিস্তার করে থাকে। বর্তমানে নৈতিক অবক্ষয়ের অন্যতম প্রধান হাতিয়ারের ভূমিকা পালন করছে টিকটক ও লাইকি। এসব অ্যাপে ভিডিও তৈরি করা ও আপলোডের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো নীতিমালা না থাকায় বিভিন্ন বয়সের মানুষ অশ্লীল ভিডিও তৈরি ও বিভিন্ন বিকৃত অঙ্গভঙ্গি দিয়ে নানান ভিডিও আপলোড করে। যা একেবারেই রুচিহীন ও দেখার অনুপযোগী। তারচেয়ে বড় কথা, টিকটক ও লাইকির প্রভাবে খুব সহজেই কিশোর গ্যাং তৈরি হয়; যার প্রমাণ সমাজের সচেতন মানুষদের নখদর্পণে। তাই এখন সময় এসেছে এসবের লাগাম টেনে ধরার। সময় এসেছে টিকটক ও লাইকি নিষিদ্ধ ঘোষণা করার। এর পাশাপাশি ইন্টারনেট সাইবার জগতে অন্য যেসব অ্যাপ ব্যবহার উগ্রতা ও অশ্নীলতা ছড়ানো হচ্ছে সেগুলোও নিষিদ্ধ করার দাবি জানাই। তা না হলে আগামী প্রজন্ম নিয়ে বিপাকে পড়তে হবে।

নেছার আহমদ হাজারী
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

লাল চিনি ক্রয় করুন

চিনি আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মধ্যে অন্যতম। তবে আমাদের দেশে সাদা চিনির প্রচলন বেশি। বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় খাবার তৈরিতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাদা চিনি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই সাদা চিনি মানব স্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সাদা চিনি খেলে ডায়াবেটিস, হার্ট অ্যাটাক, লিভার বিকলসহ নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে এসব রোগ থেকে বাঁচতে লাল চিনি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। লাল চিনি হলো সরাসরি আখ থেকে তৈরি অপরিশোধিত চিনি। দেশে উৎপাদিত লাল চিনির চাহিদা একেবারে নেই বললেই চলে। বর্তমানে বাজারে পর্যাপ্ত লাল চিনি থাকলেও ক্রেতারা ঘুরেফিরে সাদা চিনি কিনছেন। এমতাবস্থায় ব্যবসায়ীরাও লাল চিনি বিক্রির প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। বাজারে লাল চিনি তেমন বিক্রি না হওয়ায় ঠিকভাবে বেতন পাচ্ছেন না চিনিকলের কর্মচারীরা। ফলে মানবেতর জীবনযাপন করছেন চিনিকলের শ্রমিকরা। এছাড়া লোকসানে জর্জরিত সরকারি-বেসরকারি অনেক চিনিকল এখন বন্ধ হওয়ার পথে। বাংলাদেশের চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, কেবল গত অর্থবছরেই দেশের সরকারি খাতের চিনিকলগুলোতে লোকসানের পরিমাণ ছিল ৯৭০ কোটি টাকা। তাই দেশের চিনিকলের ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে লাল চিনি ক্রয় করা উচিত। তাহলে একদিকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরাণ্বিত হবে, অন্যদিকে নানাবিধ ব্যাধি থেকেও মুক্ত থাকা যাবে।

আরিফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বন্দর কলেজ
শিক্ষার্থী, বিজ্ঞান বিভাগ।