চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্রের ছবি

সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ডাক্তারের চেম্বার থেকে বের হলে কিছু ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি মোবাইল হাতে এগিয়ে এসে ব্যবস্থাপত্র দেখতে চান এবং এর ছবি তুলে নেন। আমরাও বুঝে না বুঝে তা করতে দিই। কিন্তু কেন এই ছবিগুলো তারা তুলছেন, তা ক'জন জানেন? এমনিতেই আমাদের স্বাস্থ্য খাতের নানারকম অসংগতি ও কোনো কোনো চিকিৎসকের সরকারি হাসপাতালে যথাযথ দায়িত্ব পালনে অনীহা রয়েছে। তার মধ্যে ওষুধ কোম্পানির এমন কর্মকাণ্ড অনেক প্রশ্ন তুলছে। প্রকৃতপক্ষে তাদের কোম্পানির কয়টি ওষুধ ডাক্তার লিখেছেন, এর প্রমাণস্বরূপ তারা ছবি তুলে রাখেন। পরবর্তী সময়ে হয়তো ডাক্তারকে এর জন্য তাদের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। কারণ ওষুধ কোম্পানিগুলো অনেক চিকিৎসককেই নানা সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে। এসব কারণে কখনও কখনও চিকিৎসক তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ওষুধ লিখে থাকেন বলে অভিযোগ আছে। আমরা অনেকেই বাধ্য হচ্ছি অপ্রয়োজনীয় ও নিম্নমানের ওষুধ কিনতে। এমনিতেই সরকারি হাসপাতালে দালালের দৌরাত্ম্য। তার মধ্যে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের এমন কর্মকাণ্ডে মানুষ অস্বস্তি বোধ করছে। এ ব্যাপারে আমাদের সচেতন হতে হবে এবং ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের ছবি তুলতে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

হাবিব ওয়াহিদ, বড়বাড়ী, গাজীপুর



সেতুটি সংস্কার করুন

কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার মজিদপুর থেকে মোহনপুর সংযোগ সড়কে একটি পুরোনো সেতু রয়েছে। সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। অনেক পুরোনো হওয়ায় সেতুটির পিলারের ঢালাই খুলে পড়ে গিয়ে পিলারগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। তবুও ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছে অটোরিকশা, সিএনজি রিকশাসহ অনেক যানবাহন। বর্তমানে ওই সড়কটির পাকাকরণ কাজ চলছে। যদি সেতুটি সংস্কার করা না হয় তাহলে সড়কটি পাকা হলেও কোনো কাজে আসবে না। তাই সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি সংস্কারে সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এম. এ. রহমান, দাউদকান্দি, কুমিল্লা



বেপরোয়া ট্রলি

সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলাধীন ১নং উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের মহিষখলা বাজার সংলগ্ন কালাগড় রোডে বেপরোয়া হ্যান্ডট্রলি চলাচলে জীবনের ঝুঁকি বাড়ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। এলাকার মানুষ বেপরোয়া ট্রলি চলাচলে আতঙ্কিত। দুর্ঘটনার পাশাপাশি ট্রলি চলাচলে ওই এলাকার রাস্তাঘাটের অবস্থাও শোচনীয়। এলাকাবাসীর দাবি, বেপরোয়া ট্রলিগুলো যেন স্বাভাবিকভাবে রাতে চলাচল করে, অথবা ট্রলি ব্যবহারের বিকল্প হিসেবে যেন নদীপথ ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এর কোনোটিই হচ্ছে না। এ কারণে জীবনের ঝুঁকি বাড়ছে। স্থানীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে যেন নির্বিকার। মৃত্যুর ফাঁদ থেকে বাঁচতে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।

আজিজুল হক, ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জ

মন্তব্য করুন