স্বাস্থ্যকর্মীদের পাওনা কতদূর

গত বছর মার্চে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্তদের সেবা দিয়ে চলেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। সংক্রমণ বাড়তে থাকলে সরাসরি করোনা চিকিৎসায় সম্পৃক্ত চিকিৎসক, নার্স ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের হোটেলে আইসোলেশন সুবিধা দেয় সরকার। কিন্তু কয়েক দিন পর সে সুবিধা বাতিল করা হয়। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, করোনায় সেবাদানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের আইসোলেশন সুবিধা ও যাতায়াত ভাড়া বাবদ নির্দিষ্ট হারে অর্থ প্রদান করা হবে। গত বছরের আগস্ট মাস থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি মাসে সেই বিল জমা দিয়ে এলেও এখন পর্যন্ত কোনো আর্থিক সুবিধা তারা পাননি। এ ছাড়া সরকার করোনায় সেবাদানের জন্য যে প্রণোদনার ঘোষণা দিয়েছিল, তাও পাননি স্বাস্থ্যকর্মীরা। যদিও অন্য সেক্টরের সরকারি কর্মকর্তাদের প্রণোদনার অর্থ ইতোমধ্যে প্রদান করা হয়েছে। এমতাবস্থায় করোনা চিকিৎসায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ আর হতাশা বিরাজ করছে। আশা করি, সরকার স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য প্রণোদনাসহ যে আর্থিক সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, দ্রুত সময়ের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করবে।

রাজীব রায়
সাভার, ঢাকা

কুষ্টিয়ায় মাউশির কার্যালয়

বর্তমানে দেশে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ৯টি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে। খুলনা এর অন্যতম। খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের অধীনে রয়েছে ১০টি জেলা, ৫৯টি উপজেলা। একটি কার্যালয় দিয়ে ১০টি জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রয়োজনীয় কাজে শিক্ষক-কর্মচারীদের অনেক ভোগান্তি হচ্ছে। এত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় ফাইলপত্র যথাসময়ে নিষ্পত্তি করতে পারছে না মাউশির খুলনা কার্যালয়। অনেক ফাইল চাপা পড়ে আছে বছরের পর বছর। এ ছাড়া খুলনা আঞ্চলিক অফিসের অনেকেই এখন উৎকোচ-বাণিজ্যে জড়িত। উৎকোচ দিলে কাজ দ্রুত হয়। না দিলে ফাইল চাপা পড়ে থাকে। এমতাবস্থায় কুষ্টিয়ায় মাউশির আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন করা হলে খুলনা অফিসের ওপর চাপ কমবে এবং কুষ্টিয়ার আশপাশের জেলাগুলোর জন্য সুবিধা হবে। এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সনি আহমেদ
মিলপাড়া, কুষ্টিয়া

মানহীন ওষুধ সরান

ওষুধ শিল্পে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এদেশে উৎপাদিত ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে বিশ্বের অধিকাংশ দেশে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, বাংলাদেশের মানুষের অসহায়ত্ব ও অসচেতনতাকে পুঁজি করে কিছু মুনাফাখোর গোষ্ঠী নকল ও মানহীন ওষুধ তৈরি করে বাজারজাত করছে। নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে ব্যবস্থাপত্রে এ ধরনের মানহীন ওষুধের নাম লিখতে চিকিৎসকদের বাধ্য করা হচ্ছে। আর মানহীন ওষুধ সেবনে একদিকে রোগীরা স্বাস্থ্যগত ও আর্থিক দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে চিকিৎসকদের দক্ষতা ও সততা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। কোনো ধরনের চাপ বা প্রলোভনে প্রভাবিত না হয়ে মানহীন ওষুধ বর্জনে চিকিৎসকদের এগিয়ে আসা উচিত। সরকারের দায়িত্ব জনস্বার্থে সব ধরনের ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ করা এবং মানহীন ও ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া।

বিশাল সাহা
শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ

মন্তব্য করুন