টেকসই বাঁধ নির্মাণ করুন

প্রতি বছর বর্ষাকালে অতিবৃষ্টির কারণে নদনদীর বাঁধ ভেঙে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দেয়। এ সময় সবচেয়ে বেশি নাজুক অবস্থায় পড়ে দেশের নদনদী ও সমুদ্র-উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ। বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে বিতরণ করা হয় ত্রাণ। প্রতি বছর এভাবে ত্রাণ না দিয়ে স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করলে এর সুফল মিলবে অনেক বেশি। উপকূলবাসী ত্রাণ চায় না, তারা টেকসই বাঁধ চায়। কারণ বন্যার কারণে তাদের কোটি কোটি টাকার ফসল নষ্ট হয়। ইতোপূর্বে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা বা প্রকল্প যে হয়নি তা কিন্তু নয়। প্রকল্প ও পরিকল্পনা সবই হয়েছে, তবে তা অনেক ক্ষেত্রেই কথায় ও কাগজে। দেশের এক-দশমাংশ এলাকা উপকূল। এই বিস্তৃত ভূমিতে প্রায় চার কোটি মানুষের বসবাস। উপকূলীয় অঞ্চলকে ভাঙনপ্রবণ অঞ্চল চিহ্নিত করে বাঁধ নির্মাণ এবং পুরোনো বাঁধ সংস্কার জরুরি। এ ব্যাপারে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। টেকসই বাঁধ নির্মাণ সম্পন্ন হলে উপকূলের জীবন-জীবিকার গতিপথ বদলে যাবে। সংরক্ষিত ও সমৃদ্ধ উপকূল গড়ে উঠলে মানুষের জীবনমানের উন্নতি হবে। বৃহৎ স্বার্থে এ ব্যাপারে মনোযোগ গভীর করতেই হবে।

শাকিবুল হাসান

শিক্ষার্থী, বরেন্দ্র কলেজ, রাজশাহী



ভোলায় মেডিকেল কলেজ চাই

দেশের বিভিন্ন জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হলেও দ্বীপ জেলা ভোলায় এ ধরনের কোনো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না। ফলে জেলায় অবস্থান করে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেকেই। এখানে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক স্কুল-কলেজ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও সন্তোষজনক। কিন্তু ভোলায় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় উচ্চমাধ্যমিকের পর অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছেন। ভৌগোলিক দিক থেকে ভোলা দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চল হওয়ায় এখানকার বেশিরভাগ মানুষ দরিদ্র। তাদের পক্ষে দেশের অন্য অঞ্চলে গিয়ে উচ্চ ব্যয়ে পড়ালেখা করা কঠিন। ভোলাবাসীর উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টিতে এবং উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতকল্পে এ জেলায় একটি করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছি।

সিরাজুল হোসাইন, বোরহানউদ্দিন, ভোলা

বিষয় : চিঠিপত্র

মন্তব্য করুন