জামালগঞ্জ ফায়ার স্টেশন চালু হোক

সেই কবে থেকে দেখে আসছি জামালগঞ্জ উপজেলার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনটি। জানা গেছে, এখানে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম ও জনবল নিয়োগও দেওয়া হয়েছে। তার পরও জামালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কার্যক্রম চালু হয়নি কেন? অনুসন্ধানে জানা যায়, নিয়োগ করা জনবল অন্যান্য সেক্টরে কর্মরত আছে। কেউ নদীতে ডুবে গেলে বা কোনো অগ্নিকাণ্ড ঘটলে সুনামগঞ্জ সদর থেকে ফায়ারম্যানরা আসেন। কম করে হলেও সুনামগঞ্জ ফায়ার স্টেশন থেকে জামালগঞ্জ উপজেলার দূরত্ব ৩০-৩৫ কিলোমিটার। সেখান থেকে জামালগঞ্জ আসতে রাস্তার কারণে আরও অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। যদি কোথাও আগুন লাগে তাহলে সুনামগঞ্জ থেকে ফায়ারম্যানরা আসতে আসতে ততক্ষণে সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিস স্টেশন দেখে মানুষের মনের আশা পূর্ণ হয়েছিল; কিন্তু কার্যক্রম না থাকায় আশা ভাঙছে জামালগঞ্জবাসীর। জামালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কার্যক্রম দ্রুত চালু করতে প্রশাসন ও সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

আসাদ বিন সফিক, শিক্ষার্থী, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ, সুনামগঞ্জ।



বৃষ্টির পানি ধরে রাখুন

বর্ষাকাল গ্রামবাংলায় চাষবাসের মৌসুম। তবে বৃষ্টি তো চাষবাসের প্রয়োজন মেপে হয় না। এই মৌসুমে বৃষ্টির পানি ধরে রাখাকে গুরুত্ব দিয়ে আরও বেশি উদ্যোগ নেওয়া হোক। ভূগর্ভের পানি হুহু করে কমছে। ভূগর্ভের পানি মূলত চাষাবাদ, ঘর-গৃহস্থালি ও শিল্পকারখানায় ব্যবহার হয়। এর অতিরিক্ত ব্যবহার ও অপচয় বিপদবার্তা দিচ্ছে। আমাদের এই বাংলাদেশে বর্তমানে বর্ষার সময়কাল কমেছে, বৃষ্টিও অনিয়মিত। এতে ভূগর্ভে পানি ভরে ওঠার কাজটা ঠিকমতো হয় না। কম সময় প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হলে তা মাটির ওপর দিয়ে দ্রুত বয়ে গিয়ে নালা, খাল ও নদীর মাধ্যমে সমুদ্রে চলে যায়। পানি চুঁইয়ে মাটির নিচে যাওয়ার সময় কম থাকে। এই অবস্থায় বৃষ্টির পানি ধরে রাখতে উদ্যোগী হতে হবে। বড় বড় শহরে বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ক্ষেত্রে আবাসনগুলোর ছাদের পানি মাটির নিচে পাঠানোর ব্যবস্থার ওপর জোর দিতে হবে। দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় নতুন বাড়ি নির্মাণে ছাড়পত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে হবে।

লিয়াকত হোসেন খোকন, রূপনগর, ঢাকা।



সিআরবিতে হাসপাতাল নয়

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের এক অনন্য সুন্দর মনোমুগ্ধকর পরিবেশ হলো সিআরবি এলাকা। যে কারও মন ভালো করে দেওয়ার মতো একটি স্থান সিআরবি। এই ইট-পাথরের রুক্ষ-কঠিন শহরের উঁচু উঁচু দালান আর শিল্প প্রতিষ্ঠানের ভিড়ে শতবর্ষী বৃক্ষে ঘেরা- সিআরবিকে এক টুকরো অক্সিজেন প্ল্যানেট বলা চলে। এখানে রয়েছে শতবর্ষী গাছ আবার কোনো কোনোটির বয়স ১৫০ বছরেরও বেশি। আমাদের জনসংখ্যা অনুপাতে চিকিৎসাকেন্দ্র প্রয়োজন, তবে তা সবুজ সুন্দর নয়নাভিরাম প্রকৃতিকে ধ্বংস করে নয়। আর বন্দর নগরীর ফুসফুস কেটে যখন পরিকল্পনা করা হয় বেসরকারি হাসপাতাল তৈরির, তখন মনে হয় নিঃশ্বাস বুঝি বন্ধ হয়ে এলো। হাসপাতালের সিলিন্ডার যে অক্সিজেন সরবরাহ করে, তার আয়ুস্কাল মানবসৃষ্ট, তার ধারণ ক্ষমতা পূর্বনির্ধারিত। তবে শতবর্ষী এই বৃক্ষরাজি যে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অক্সিজেন উৎপাদন করেই চলবে বিরামহীনভাবে। বেঁচে থাকুক শতবর্ষী শিরীষতলা।

আবদুস সামাদ রিফাত, শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

মন্তব্য করুন