'ভালো কাজের মধ্য দিয়ে দর্শকের ভালোবাসা কুড়াতে চাই'

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০১৮     আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০১৮      

নুসরাত ইমরোজ তিশা। মডেল ও অভিনেত্রী। অনন্য মামুন পরিচালিত 'অস্তিত্ব' ছবিতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীর ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৬ পেতে যাচ্ছেন তিনি। পুরস্কার প্রাপ্তি ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হলো তার সঙ্গে—

সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন। সমকালের পক্ষ থেকে আপনাকে শুভেচ্ছা। কেমন লাগছে?

যে কোনো পুরস্কার পেলেই ভালো লাগে। আর তা যদি হয় রাষ্ট্রীয় কোনো পুরস্কার তাহলে ভালো লাগার পরিমাণটা আরও বেড়ে যায়। জাতীয় পুরস্কার অনেক সম্মানজনক বিষয়। প্রতিটি শিল্পীর জন্য এটা অনেক প্রতীক্ষিত। আমার অনেক ভালো লাগছে। পুরস্কার পাওয়ার পর এখন কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেছে।

অনেকে বলেন কাজের বিষয়ে আপনি কিছুটা খুঁতখুঁতে। এজন্য বাছ-বিচার করে কাজ করেন, কথাটা কি সত্য?

কোনো কাজ নিখুঁতভাবে করতে চাওয়া নিশ্চয় দোষের কিছু নয়। আমি চাই যখন যে কাজটি করছি তা যেন ভালোভাবে শেষ হয়। এজন্য খুব বেশি কাজ যেমন হাতে নিই না, তেমনি গল্প ও চরিত্রের বাছবিচার করে কাজের চেষ্টা করি।

চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রেও কি একই চিন্তাধারা...

হ্যাঁ। 'থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার' থেকে শুরু করে 'টেলিভিশন', 'মেন্টাল', 'অস্তিত্ব', 'ডুব', 'হালদা', 'ফাগুন হাওয়া' পর্যন্ত যে ক'টি ছবিতে অভিনয় করেছি, সেখানে চেষ্টা ছিল নির্মাতার পরিকল্পনামাফিক নিজের সেরা কাজটি তুলে ধরা। তা কতটা পেরেছি, তার বিচার করবেন দর্শক।

আগামীতেও ভিন্ন ধরনের ছবিতে আপনাকে দেখা যাবে আশা করি?

সত্যি বলতে কী, ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি খুব একটা ভাবি না। আগামীতে কী করব, কোন ধরনের চরিত্রে নিজেকে দর্শকের সামনে তুলে ধরব— এমন কোনো পরিকল্পনাও করিনি।

আপনার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তার সূচনা ছোট পর্দা থেকে। কিন্তু আজকাল উৎসব বা বিশেষ দিবস ছাড়া নাটক, টেলিছবিতে দেখা যায় না কেন?

চার বছর ধরে ধারাবাহিক নাটক করছি না। কয়েক বছর এক নাগাড়ে বহু নাটক, টেলিছবিতে অভিনয় করেছি। এখন তাই উৎসব বা বিশেষ দিবসে বেশি কাজ করি। কারণ সেসময় ভিন্নধর্মী এবং ভালো কিছু নাটক, টেলিছবি তৈরি হয়। এখন আমার চাওয়া শুধু এটাই— ভালো কাজের মধ্য দিয়ে দর্শকের ভালোবাসা কুড়ানো।