১০ দিনে ১২ নাটকের দৃশ্যধারণ!

প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯      

আনন্দ প্রতিদিন প্রতিবেদক

এখন একটি এক ঘণ্টার নাটকের দৃশ্যধারণ করতে কমপক্ষে দু'দিন সময় লাগে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তিন দিন থেকে আরও বেশি সময় লাগে। সে হিসেবে এক ডজন নাটকের জন্য লাগতে পারে কমপক্ষে ২৪ দিন। অথচ ১০ দিনেই ইন্দোনেশিয়ায় চিত্রায়িত হলো ১২টি নাটক!

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় দ্বীপ বালিতে তিন নির্মাতা ও আটজন শিল্পী নাটকগুলো চিত্রায়ণ করতে যান ১৮ জানুয়ারি। বালির বিভিন্ন স্থানে গত ২০ জানুয়ারি নাটকগুলোর দৃশ্যধারণ শুরু হয়। চিত্রায়িত ১২টি নাটকের নাম হলো- 'বিপরীত ভালোবাসা', 'অবশেষে', 'চোখ', 'হেলালের হানিমুন', 'এমনও হয়', 'নাটকীয় প্রেম', 'এক টুকরো ভালোবাসা', 'সম্পর্ক', 'এসো হাতটা ধরি', 'হানিমুন', 'জড়িয়ে থাকুক ভালোবাসা' ও 'লস্ট এন্ড ফাউন্ড'। ত্রিধারা মিডিয়া ও মিরাকি প্রোডাকশন হাউসের ব্যানারে নির্মিত নাটকগুলো পরিচালনা করেছেন সাখাওয়াত মানিক, স্বাধীন ফুয়াদ ও আসাদুজ্জামান আসাদ। সৈয়দ ইকবাল, গল্পওয়ালা ও প্রসূন রহমানের রচনায় নাটকগুলোতে অভিনয় করেছেন নিলয়, ওমর আয়াজ অনি, মৌসুমী হামিদ, নুসরাত জান্নাত রুহী, শ্যামল মাওলা, পীরজাদা শহীদুল হারুন, অদ্বিতীয়া আশা, সাইরা প্রমুখ। বালি থেকে ফিরে নির্মাতা সাখাওয়াত মানিক বললেন, 'বিশেষ দিবসকে প্রাধান্য দিয়ে ভিন্নধর্মী এই নাটকগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। বিদেশে নির্মিত নাটকে অনেক সময় গল্প সংকট দেখা দিলেও আমাদের এই নাটকগুলো মূলত গল্পকেই উপজীব্য করে নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি নাটকের গল্পেই চমক রয়েছে।' বালিতে এত দ্রুত সময়ে ১২টি নাটক নির্মাণ কীভাবে সম্ভব? জবাবে তিনি বলেন, 'বিদেশে থাকার কারণে শুটিংয়ের বাইরে পুরো টিমের তেমন কোনো কাজ থাকে না। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত টানা কাজের মধ্যেই থাকতে হয় সবাইকে। শিল্পীদের সময়মতো সেটে আসার বিষয়ে দুশ্চিন্তা করতে হয় না পরিচালককে। সিডিউল ফাঁসানোর বিষয় থাকে না। সবাই থাকেন একই হোটেলে, খাওয়া একই টেবিলে, আড্ডা একই ইউনিটে। তাই নাটকগুলো নির্মাণ করতে সময় কম লাগে। যেটা দেশে থাকলে সম্ভব হয় না। ফলে বিদেশে শুটিং করার সুবিধা অনেক।'