মারিয়া নূর। উপস্থাপক, মডেল ও অভিনেত্রী। তার উপস্থাপনায় টি স্পোর্টস চ্যানেলে প্রচার হচ্ছে ক্রীড়াবিষয়ক অনুষ্ঠান 'স্ট্রেট ড্রাইভ'। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উপলক্ষে সাজানো এ আয়োজন ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হলো তার সঙ্গে-

'স্ট্রেট ড্রাইভ' অনুষ্ঠানটি কীভাবে সাজানো হয়েছে?

এই শোয়ের ক্যানভাস অনেক বিস্তৃত। যেটা বরাবরই আমি চেয়েছি। এমনটিতে দেখা যায় আমরা একজন ক্রিকেট বিশ্নেষককে নিয়ে শো করি। এখানে একসঙ্গে তিনজন বিশ্নেষক থাকেন। ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের একজন যুক্ত থাকেন। প্রত্যেক কি প্লেয়ারের টেকনিক্যাল ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। যেহেতু তিনজন ক্রিকেট বিশ্নেষক থাকেন তাই অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়। এই শো'র প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলায় হাজির হচ্ছি।

কয়েক বছর ধরে ক্রিকেটবিষয়ক অনুষ্ঠান করছেন। সেই অভিজ্ঞতার কারণে জানতে চাই, বাংলাদেশে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কেমন পারফর্ম করবে বলে আপনার ধারণা?

ওয়ার্মআপ ম্যাচে আমরা ভালো করিনি। স্কটল্যাল্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের হারার পর মনে হয়েছিল, মাঠের পিচ বুঝতে খেলোয়াড়দের খুব সমস্যা হচ্ছে। বাংলাদেশ স্পিননির্ভর দল। ব্যাটিং-বোলিংয়ের ক্ষেত্রে আমরা সেই শাক্তিকেই ব্যবহারের চেষ্টা করি। তামিম ইকবাল নেই, ওপেনিংয়ে যারা আছেন তাদের কাছ থেকে অনেক দিন ভালো ফর্ম পাচ্ছি না। প্রথম খেলায় ৫৩ রানে ৬ উইকেট হারানো একটি দলের কাছে কীভাবে আমরা এতগুলো রান দিলাম- সেটাই ছিল আমার প্রথম প্রশ্ন। আবার ১৪১ তারা করতে গিয়েও যে হেরে যাব- এটাও ছিল ভাবনার অতীত। তারপরও এই বিশ্বাস ছিল যে, শুরুতে হোচট খেলেও আবার ঠিকই ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। কারণ দেশের খেলোয়াড়রা জানেন কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়। তার প্রমাণও দিয়েছে পরের দুই ম্যাচে। তাই দ্বিতীয় রাউন্ডেও বাংলাদেশ ভালো করবে, এই আশা করতেই পারি।

উপস্থাপনা থেকে একটু দূরে আছেন। এর কারণ কী?

রিয়েলেটি শো ও উৎসবকেন্দ্রিক শোগুলো বেশি করছি। করোনার কারণে দেড় বছর শো বন্ধ ছিল। যেজন্য উপস্থাপনায় কম দেখা গেছে। সর্বশেষ লকডাউনে সেরা রাঁধুনির শুটিং করেছি। অনেকেই বলছেন দীর্ঘদিন উপস্থাপনা করিনি। কথাটা ঠিক নয়। দীর্ঘদিন ক্রিকেটবিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করিনি। আমি এমনিতেই গড়পড়তা শো করতে পছন্দ করি না। সব শো একই রকম হচ্ছে। বাজেট কম। এটাও উপস্থাপনা থেকে একটু দূরে থাকার অন্যতম কারণ।

সম্প্রতি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে ওয়েব সিরিজ 'হেরে যাওয়ার গল্প'। কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি। দেশের দর্শক এটি দেখেছেন। কলকাতার অনেক দর্শক দেখে প্রশংসা করেছেন। ইউটিউবে রিভিউ দিচ্ছেন। এখানে আমি চঞ্চল এক মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। জীবনের সঙ্গে সে লড়াই করে। তারপরেও হাসতে জানে।হ এমদাদুল হক মিলটন

মন্তব্য করুন