দেশের ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও ৯টি পৌরসভায় ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল সোমবার। তবে অন্যান্যবারের মতো এবারও ভোটে সহিংসতা এড়ানো যায়নি। গতকাল নির্বাচনী সহিংসতায় কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় দু'জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্র দখল, সংঘর্ষ, গোলাগুলি, ব্যালট পেপার ছিনতাই, এজেন্টদের মারধর, অনিয়মের অভিযোগে প্রার্থীদের ভোট বর্জন, ব্যালটে সিল মারার সময় নির্বাচন কর্মকর্তা আটক, ভোটকেন্দ্রে বোমাবাজি, ভোটারদের ভোট নৌকার এজেন্টদের দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অপ্রীতিকর ঘটনায় ৯টি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়েছে। কিছু এলাকায় অবশ্য ভোট হয়েছে শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই। অনেক এলাকায় বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিকে, বাগেরহাটে ভোটের আগের রাতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক নারী নিহত হয়েছেন। ব্যুরো, অফিস, নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে বিস্তারিত :

কক্সবাজার :জেলার ১৪টি ইউপি ও দুটি পৌরসভায় গতকাল ভোট হয়েছে। সংঘর্ষের কারণে ছয়টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। ভোট চলাকালে সহিংসতায় মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় দু'জনের প্রাণহানিসহ আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। সংশ্নিষ্ট সূত্র জানায়, সকাল সাড়ে ৯টায় মহেশখালী উপজেলার কুতুবজুম ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শেখ কামাল ও বিদ্রোহী প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলিতে আবুল কালাম (৩২) নামে একজন নিহত হন। তিনি ওই এলাকার ছোট মিয়ার ছেলে। জেলা ও উপজেলা নির্বাচন অফিস, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুতুবজুম ইউনিয়নে ভোটকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাত ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ওই ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডে দুই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। নৌকা প্রতীকের চেয়াম্যান প্রার্থী শেখ কামাল বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থী খোকনের সমর্থকরা কুতুবজুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জামিয়ুস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসা কেন্দ্র দখল নিতে গোলাগুলি ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটিয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্রোহী প্রার্থী খোকন বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দিয়েছে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শেখ কামালের লোকজন। খবর পেয়ে তার সমর্থকরা কুতুবজুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গেলে নৌকার প্রার্থীর ক্যাডাররা গুলি করে। এতে তার কর্মী আবুল কালাম নিহত হয়েছেন।

এদিকে, কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে আবদুল হালিম (৩৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত ২৬ জন। নিহত আবদুল হালিম বড়ঘোপ ইউনিয়নের গোলদারপাড়া এলাকার মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে। তিনি নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর এজেন্ট ছিলেন। ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। পরে পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কুতুবদিয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কিছুলোক পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে উচ্ছৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গুলি চালালে হালিম নিহত হন। কুতুবদিয়া থানার ওসি ওমর হায়দার বলেন, ভোটকেন্দ্রে গোলযোগ সৃষ্টির চেষ্টাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনছিপ্রাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও লম্বারবিল এমদাদিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে ব্যালট ছিনতাইর ঘটনা ঘটেছে। পরে দুই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এদিকে, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ঘোনারপাড়ায় ঘুম থেকে ডেকে তুলে বুকে গুলি চালিয়ে কৃষক লীগের এক নেতাকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তার নাম সরওয়ার কামাল (৩৫)। তিনি ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত রোববার রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

টেকনাফ :ককক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ১৩ পুলিশ সদস্যসহ ১৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল রাত ৯টার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জাদিমুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গণনা নিয়ে মেম্বার প্রার্থী মো. আলী ও মো. আবদুল্লাহর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। ভোট গণনা শেষে ব্যালট বাক্স ও সরঞ্জাম নিয়ে আসার সময় আবদুল্লাহ লোকজন নিয়ে পুলিশকে ব্যারিকেড দেন। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকজন লোহার রড নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলায় এপিবিএন সদস্যসহ স্থানীয় কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও লেদা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক খানে আলম জানান, রক্তাক্ত অবস্থায় পুলিশসহ ১৩ আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তার মধ্যে তিনজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। টেকনাফ মডেল থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, পুলিশ সেখানে অভিযান চালাচ্ছে। এখনও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

চট্টগ্রাম :ভোট চলাকালে গোলাগুলি, হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে। তবে অনেকটাই শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে বোয়ালখালী পৌরসভার ভোট। বোয়ালখালীতে আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী জহুরুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় নির্বাচন নিয়ে তেমন একটা আমেজ ছিল না।

সন্দ্বীপের ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে দুটিতে বিদ্রোহী প্রার্থী এবং ১০টিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জিতেছেন। সকালে আমানউল্লাহ ইউপিতে ভোট শুরুর পর থেকে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। তিন চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী শাহাদাত চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. নওশাদ সমর্থকদের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়; চলে গোলাগুলি। এতে তাদের কয়েকজন সমর্থক আহত হন। সন্তোষপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মহিউদ্দিন জাফরের সঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থী ফজুলল করিমের সমর্থকদের মধ্যে মারামারি হয়। মুছাপুর ইউনিয়নে মামলা থাকায় আকরাম হোসেন নামে এক মেম্বার প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

খুলনা :ব্যালট বাক্স ছিনতাই ঘটনায় কয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া কেন্দ্র দখল করে সিল মারায় আমাদী ইউনিয়নের চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩০০ ব্যালট বাতিল করা হয়েছে। খুলনা জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা এম মাজহারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১১টায় খুলনার দীঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর মিনাপাড়া এলাকায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী জাকির হোসেন এবং স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ আনসার উদ্দিনের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় ককটেল বিস্ম্ফোরণে পাঁচজন আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে সাতটি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। সংঘর্ষের সময় দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পুকুরে ফেলা হয়। কয়রার চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আমির আলী গাইনের কর্মী-সমর্থকদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ সময় কয়েকটি বুথে ব্যালট পেপার ছিনতাইর ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও বিজিবি গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সাতক্ষীরা :সাতক্ষীরার তালা ও কলারোয়া উপজেলার ২১টি ইউনিয়নে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভোট দিতে আসেন ভোটাররা। কারচুপির অভিযোগ ওঠায় কলারোয়ার কেড়াগাছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন চৌধুরী। এ ছাড়া কলারোয়ার কয়লা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম তার এজেন্টকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করে ভোট বর্জন করেন। তালা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর মক্তব কেন্দ্রের পাশে বোমা বিস্টেম্ফারণ ঘটিয়ে কেন্দ্র দখলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে নৌকার কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এদিকে, রোববার রাতে কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একজন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী, একজন ইউপি সদস্য প্রার্থীসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন। পরে সেখানে ভোট স্থগিত করে স্থানীয় প্রশাসন।

নোয়াখালী :হাতিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীর পক্ষে ব্যালট পেপারে সিল দিতে গিয়ে দুটি ভোটকেন্দ্রে ছয়জন নির্বাচন কর্মকর্তা আটক হয়েছেন। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের ৬ নম্বর কেন্দ্রে এবং জাহাজমারা ইউনিয়নের ১৩ নম্বর কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। আটকরা হলেন- হরনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও হাতিয়া ইউনিয়ন মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান, বেলায়েত হোসেন, জাহাজমারা ইউনিয়নের হাজি মোজাম্মেল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত আহমেদ রফিক ও ছিদ্দিক উল্যা এবং পোলিং এজেন্ট মুন্নি বেগম ও ফারজানা আক্তার। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জাকির হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

বাগেরহাট :বাগেরহাটে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন। এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগে কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ রানা লালন ভোট বর্জন করেন। ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল দেওয়া, ব্যালট পেপার ছিঁড়ে ফেলাসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন।

এ ছাড়া ফেনীর সোনাগাজীতে ফিঙ্গার দেওয়ার পর ভোটারকে দাঁড় করিয়ে রেখে নৌকার এজেন্ট নিজে বুথে ঢুকে ভোট দিয়েছেন। গতকাল পৌরসভার ছাবের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র, এনায়েত উল্যা মহিলা কলেজ কেন্দ্র, প্রি-ক্যাডেট কেন্দ্রে সরেজমিন এ চিত্র দেখা গেছে। ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মঈনুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে ২০ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদিকে, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আল-হেলাল কেন্দ্রের বাইরে বোমা বিস্টেম্ফারণের ঘটনা ঘটে। বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী ইমাম উদ্দিন ভূঁইয়ার সমর্থকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবদুল হালিম সোহেল সমর্থকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে বিজিবি গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।



মন্তব্য করুন