আবার সেই রাইদা পরিবহন। আবার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণ। এবার এক ছাত্রীকে বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা সড়ক অবরোধ করে পরিবহন কোম্পানিটির অন্তত ৪০টি বাস আটকে দেন। গতকাল সোমবার দুপুরে রাজধানীর রামপুরা পুলিশ বক্সের অদূরে ওই ঘটনার পর বিকেলে শিক্ষার্থীরা বিটিভি ভবনের সামনে সড়ক অবরোধ করে বাসগুলো আটকে চাবি নিয়ে নেন। তবে সন্ধ্যায় পুলিশের মধ্যস্থতায় মালিকপক্ষের প্রতিশ্রুতিতে বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।

রাইদা পরিবহনের বাসটি পোস্তগোলা থেকে দিয়াবাড়ী রুটে চলাচল করে। ১৫ নভেম্বর ঢাকা ইম্পেরিয়াল কলেজের এক ছাত্র অর্ধেক ভাড়া দেওয়ায় তাকে ওই পরিবহনের একটি বাসের কর্মীরা গলা ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেয়। ওই ঘটনার জেরে শিক্ষার্থীরা বিটিভি ভবনের সামনে সড়ক অবরোধ করে রাইদার অর্ধশত বাস আটকে দেন। শেষ পর্যন্ত অর্ধেক ভাড়া নেওয়া এবং যাত্রীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়। রামপুরা থানার ওসি

রফিকুল ইসলাম বলেন, দুপুরের দিকে ইম্পেরিয়াল কলেজের এক ছাত্রীকে রামপুরা পুলিশ বক্সের সামনে নামার সময় রাইদা বাসের হেলপার ধাক্কা দেয়। এতে ওই ছাত্রী পড়ে যান বলে কলেজে তার সহপাঠীদের জানান। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে কলেজের শিক্ষার্থীরা বিটিভি ভবনের সামনের রাস্তায় অবস্থান নেন। পাশাপাশি অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সেখানে এসে সংহতি জানান। একপর্যায়ে ওই সড়কে চলার সময়ে ছাত্ররা রাইদা পরিবহনের ৪০টি বাস আটকে দেন।

ওসি বলেন, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত করেন। পরিবহনের মালিকপক্ষকে খবর দেওয়া হয়। এরপর তিন পক্ষ মিলে সমঝোতা হয়েছে। আর পরিবহনকর্মীরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবে না এবং সোমবারের ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাইদা পরিবহনের পরিচালক মকবুল পাটোয়ারী।

পুলিশের মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ নুরুল আমিন সমকালকে বলেন, রাইদা পরিবহন নিয়ে পুলিশের কাছে বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতে একই ধরনের আচরণ করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



মন্তব্য করুন