কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রবৃদ্ধির ক্ষমতা বাড়াতে হবে

প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০১৮      

বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো উচ্চহারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করলেও তা যথেষ্ট কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারছে না। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ এসেছে বিশ্বব্যাংকের এক রিপোর্টে।

'সাউথ এশিয়া ইকোনমিক ফোকাস' নামে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের ষাণ্মাসিক প্রতিবেদন গত রোববার প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনের এবারের বিষয় কর্মসংস্থান। এতে বলা হয়েছে, উচ্চ কর্মসংস্থানের জন্য শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিই যথেষ্ট নয়। দক্ষিণ এশিয়ার পৃথিবীর দ্রুততম প্রবৃদ্ধির অঞ্চল হলেও অন্যান্য উন্নয়নশীল অঞ্চলের তুলনায় কর্মসংস্থানে পিছিয়ে আছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে প্রতি শতাংশীয় হারে প্রবৃদ্ধির বিপরীতে কর্মসংস্থান হয় ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার। ভারতের ক্ষেত্রে এ হার ৪ লাখ থেকে সাড়ে ৭ লাখ। পাকিস্তানে ২ লাখ থেকে ৪ লাখ ১০ হাজার। বাংলাদেশে ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বছরে মোট জনসংখ্যার অনুপাতে কর্মক্ষম লোকের সংখ্যা শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে কর্মক্ষম লোকের অনুপাতে কর্মসংস্থানের হারও কমেছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ।

প্রতিবেদনের তথ্য মতে, বাংলাদেশে মোট কর্মসংস্থানের হার ৫৩ শতাংশ (মোট কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর অনুপাতে)। প্রতি মাসে কর্মক্ষম লোক বাড়ছে ১ লাখ ৭০ হাজার। এ অবস্থায় কর্মসংস্থানের এ হার ধরে রাখতে হলে প্রতি বছরে প্রায় ১১ লাখ লোককে কর্মে নিয়োজিত করতে হবে। আর তুলনীয় অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে নিতে হলে বছরে ১৬ লাখ নতুন কর্মসংস্থান দরকার। দীর্ঘমেয়াদে কর্মসংস্থানের এ হার ধরে রাখতে হলে ১০ শতাংশের বেশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দরকার হবে।

দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান অর্থনীতিবিদ মার্টিন রামা বলেন, কর্মসংস্থানের হার বাড়াতে বিশেষত শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে অধিকতর কর্মসংস্থানমুখী করতে হবে। প্রতিবেদনটির মূল লেখক রবাট বেয়ার বলেন, কর্মসংস্থানের জন্য প্রবৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু উচ্চ প্রবৃদ্ধি কর্মসংস্থানের হার বাড়াতে যথেষ্ট নয়। এমন নীতি এবং কার্যক্রম হাতে নিতে হবে যাতে প্রবৃদ্ধি আরও শ্রমনিবিড় হয় এবং সেই ধরনের কর্মসংস্থান তৈরি করে যা শ্রমশক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ায়।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন সমকালকে বলেন, বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের হার কম। কারণ এখানে শ্রমশক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ কম। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন অভ্যন্তরীণ বাজারভিত্তিক শিল্প অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বেশি প্রভাব রাখছে। রফতানিমুখী শিল্পের তুলনায় এখানে শ্রম নিবিড়তা কম।
ট্রাম্প-কিম দ্বিতীয় বৈঠক ফেব্রুয়ারিতে

ট্রাম্প-কিম দ্বিতীয় বৈঠক ফেব্রুয়ারিতে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম ...

বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর তদন্ত করছে কুয়েত

বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর তদন্ত করছে কুয়েত

বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর এবং কর্মকর্তাদের নির্যাতনের ঘটনা তদন্ত করছে কুয়েত ...

আজ ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনা যেমন

আজ ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনা যেমন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের নিরঙ্কুশ বিজয় উদযাপনে বিজয় সমাবেশ ...

আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আজ

আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আজ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের নিরঙ্কুশ বিজয় উদযাপনে বিজয় সমাবেশ ...

ইউএনও আসার খবরে বাবা-মেয়ে উধাও

ইউএনও আসার খবরে বাবা-মেয়ে উধাও

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নে বড়গাঁও গ্রামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ...

ভূমির রাজস্ব যায় কই

ভূমির রাজস্ব যায় কই

ভূমি খাত থেকে আদায় হওয়া রাজস্বের একটি বড় অংশ সরকারি ...

ছয় বছরে প্রাণহানি ২৪০ নিখোঁজ দুই শতাধিক

ছয় বছরে প্রাণহানি ২৪০ নিখোঁজ দুই শতাধিক

২০১২ সালের ১২ মার্চ থেকে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ...

হাওরে পাখি নেই আগের মতো

হাওরে পাখি নেই আগের মতো

একসময় শীত এলেই পরিযায়ী পাখির কলরবে মুখর হতো নাসিরনগরের মেদীর ...