আলোচনা সভায় পরামর্শ পোশাকের দাম বাড়াতে জাতিসংঘের সহায়তা নিতে হবে

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সমকাল প্রতিবেদক

তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে রোল মডেল। ফলে শক্ত অবস্থানে দাঁড়িয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে দর কষাকষির সময় এসেছে। পণ্যের ন্যায্য দাম আদায়ে প্রয়োজনে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ এসেছে এক আলোচনায়। গতকাল ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্স (ডিএসসিই) আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এই পরামর্শ দেন। উদ্যোক্তা কার্যক্রম আন্তর্জাতিকীকরণ শীর্ষক এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডিএসসিইর গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। রাজধানীর ইস্কাটনে ডিএসসিই কার্যালয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আস্ট্রেলিয়ার গ্রিফিট বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসেন।

খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশ আগের অবস্থানে নেই। মাথা উঁচু করে ক্রেতাদের সঙ্গে পণ্যের দাম নিয়ে আলোচনা করতে হবে। তিনি বলেন, পণ্য বৈচিত্র্যকরণ জরুরি।

ড. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ক্রেতাদের সঙ্গে দর কষাকষি করে পোশাকের দাম বাড়াতে হবে। চাপে পড়ে শুধু কারখানায় কাজের পরিবেশ ও শ্রমিকের নিরাপত্তার কমপ্লায়েন্স বাস্তবায়ন করলেই হবে না। পণ্যের দাম বৃদ্ধির কমপ্লায়েন্সও ক্রেতাদের মানতে হবে। বিএকেএমইর প্রথম সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর এ দেশের কারখানাগুলো নানা সংস্কার বাস্তবায়ন করেছে। কিন্তু ক্রেতারা দাম বাড়ায়নি বরং কমিয়েছে। ট্রাস্ট ব্যাংকের এএমডি হুমায়রা আজম বলেন, আমাদের বেসরকারি ব্যাংকিং খাতের যাত্রা বেশি দিনের নয়। ১৯৮১ সালে এর যাত্রা শুরু। চীন, সিঙ্গাপুরসহ অনেক দেশে শুরুর দিকে এ খাতে অনিয়ম ছিল। এখানেও অনিয়ম কমে যাবে।