২০১৮-১৯ অর্থবছর ইপিজেডের রফতানি লক্ষ্যমাত্রার ১৪ শতাংশ বেশি

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

গত অর্থবছরে (২০১৮-১৯) রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) থেকে রফতানির লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪ শতাংশ বেশি হয়েছে। রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৫০ কোটি ডলার। রফতানি হয়েছে ৭৫২ কোটি ডলারের পণ্য। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় বেশি হয়েছে ১০২ কোটি ডলার। দেশে বর্তমানে ৮টি ইপিজেড রয়েছে। ইপিজেডগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা) সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বেপজা জানায়, রফতানি আয়ের মতো গত অর্থবছরে বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে। গত অর্থবছরে ৩০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তবে মোট ৩৩ কোটি ডলারের নতুন বিনিয়োগ এসেছে ইপিজেডগুলোতে। এ সময়ে ১৯ হাজার ৫৪৮ বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৫ হাজার।

চলতি অর্থবছরের জন্য ৮০০ কোটি ডলারের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা এবং ৩০০ কোটি ডলারের নতুন বিনিয়োগ নির্ধারণের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

বেপজার মহাব্যবস্থাপক নাজমা বিনতে আলমগীর সমকালকে বলেন, আরও বেশি পরিমাণে রফতানি আয় এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগ আছে বেপজার। বিদেশি উদ্যোক্তারা প্রতিনিয়তই নতুন বিনিয়োগের প্রস্তাব নিয়ে বেপজায় যোগাযোগ করছেন। তবে ৮টি ইপিজেডের কোনোটিতে প্লট খালি না থাকায় এ বিনিয়োগ প্রস্তাব গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি জানান, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অর্থনৈতিক অঞ্চলের অধীনে বেপজা নতুন একটি ইপিজেড করছে। এই ইপিজেডের নির্মাণ কাজ শেষ হলে নতুন বিনিয়োগ এবং বেশি রফতানি আয়ের সুযোগ তৈরি হবে। এক হাজার ১৫০ একর জমির ওপর নির্মীয়মাণ এই ইপিজেডের কিছু অংশ আগামী বছরের শেষ নাগাদ উদ্যোক্তাদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১৫০টি প্লট অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্মাণ করা হচ্ছে।