চামড়া শিল্পের সমস্যা সমাধানে টাস্কফোর্স হচ্ছে

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

চামড়া ও চামড়া পণ্যের সম্ভাবনা থাকলেও অনেক সমস্যা রয়েছে। এ খাতের সব সমস্যা সমাধানে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন। তিনি বলেন, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। প্রতি সপ্তাহে চামড়া শিল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে এর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে এই টাস্কফোর্স।

গতকাল বৃহস্পতিবার 'চামড়া শিল্পনগরী, ঢাকায় ট্যানারি কারখানার উৎপাদন পরিস্থিতি ও টেকসই উন্নয়নে প্রস্তাবনা' শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন শিল্পমন্ত্রী। রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে এ সেমিনার যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) এবং লেদার সেক্টর বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল (এলএসবিপিসি)।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, চামড়া শিল্পনগরীতে সিইটিপি স্থাপন, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো প্রায় শেষ পর্যায়ে। টাস্কফোর্সের পরামর্শে বাকি কাজ শেষ করা হবে। চামড়া শিল্প খাতে ৫ বিলিয়ন ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, চামড়া শিল্প খাতে দুই বছর ধরে রফতানি বাড়েনি। পাদুকা ও চামড়াজাত পণ্য রফতানির সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম বলেন, এ খাতের রফতানি বাড়াতে শ্রমিকের দক্ষতা বাড়াতে হবে। আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করতে হবে। শিল্প সচিব আবদুল হালিম বলেন, ট্যানারি শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী গড়ে তুলতে একটি নীতিমালা তৈরি করে মন্ত্রিসভায় পাঠানো হয়েছে। বিটিএর চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেন, ইতিমধ্যে ৮০টি ট্যানারি কারখানার মান উন্নয়ন হয়েছে। সব ট্যানারিই কমপ্লায়েন্স হতে চায়। কিন্তু এর জন্য সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান এম আবু ইউসুফ। আলোচনায় অংশ নেন বিএফএলএলএফইএর সাবেক সভাপতি টিপু সুলতান ও আবু তাহের, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ কে এম রফিক আহমেদ, এনবিআরের সদস্য সুলতান আহমেদ ইকবাল,সিপিডির গবেষণা পরিচালক গোলাম মোয়াজ্জেম, বিল্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বেগম প্রমুখ।