ইপিজেডের রপ্তানি বেড়েছে

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

সমকাল প্রতিবেদক

রপ্তানিতে অবদান বেড়েছে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (ইপিজেড) অবস্থিত কারখানাগুলোর। গত ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে ইপিজেডগুলোর অংশ এখন ১৯ দশমিক ২৭ শতাংশ। আগের বছর যা ছিল ১৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ। মোট রপ্তানি হয়েছে ৬৪৯ কোটি ডলারের বিভিন্ন পণ্য।

দেশে বর্তমানে আটটি ইপিজেড রয়েছে। আরও একটি চালুর পক্রিয়ায় রয়েছে। ইপিজেডগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) জানায়, করোনা পরিস্থিতিতে সময়োপযোগী এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে বেপজার উৎপাদন এবং রপ্তানিতে তেমন একটা সমস্যা হয়নি। সামাজিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎপাদন অব্যাহত রাখা হয়েছে। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা সামগ্রী পিপিই এবং মাস্ক উৎপাদনে আগ্রহী বেপজার কারখানাগুলোকে উৎসাহ ও সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

রপ্তানির ন্যায় বিনিয়োগও বেড়েছে ইপিজেডগুলোর। গত অর্থবছরে ইপিজেডগুলোতে ৪৭৫টি চালু এবং ৭৪টি বাস্তবায়নাধীন কারখানায় ৫২৯ কোটি ডলার বিনিয়োগ এসেছে। এসব কারখানায় প্রায় পাঁচ লাখ বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।