করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই তার সদস্যদের ২০২০ সালের চাঁদা ও জরিমানা মওকুফ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সংগঠনটি। যেসব সদস্য সংগঠন বার্ষিক চাঁদা ও জরিমানা পরিশোধ করেছে, তাদের তা ফেরত দেওয়া হবে।

এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম সমকালকে বলেন, ২০২০ সাল মহামারির কবলে ছিল। এতে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়েছেন। এ জন্য চাঁদা মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দেশের সব জেলা চেম্বার, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যৌথ চেম্বার, বিশেষায়িত চেম্বার ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতি এফবিসিসিআইর সদস্য। প্রতিবছর মার্চ মাসের মধ্যে ওই বছরের চাঁদা পরিশোধের নিয়ম রয়েছে। যদি কোনো চেম্বার বা সমিতি মার্চে চাঁদা পরিশোধ করতে না পারে, তাহলে পরে এক মাস সময় নিতে পারে। এরপর চাঁদার সমান জরিমানা দিয়ে পরিশোধ করতে হয়।

এফবিসিসিআইর 'এ' শ্রেণির চেম্বারের বার্ষিক চাঁদা ৩৫ হাজার এবং 'বি' শ্রেণির চেম্বারের চাঁদা ২৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে 'এ' শ্রেণির অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক চাঁদা ২৫ হাজার এবং 'বি' শ্রেণির ১৮ হাজার টাকা। বর্তমানে ৭৩টি 'এ' শ্রেণির ও ১৪টি 'বি' শ্রেণির চেম্বার রয়েছে। 'এ' শ্রেণির অ্যাসোসিয়েশন আছে ৩৯৯টি আর 'বি' শ্রেণির পাঁচটি।

মন্তব্য করুন