করোনার শুরুর দিকে তৈরি পোশাকসহ রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানার শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দিতে সরকারি প্রণোদনার ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময় আরও বাড়ানো হয়েছে। অপরিশোধিত ঋণের কিস্তি দিতে আগামী মার্চ থেকে ছয় মাস গ্রেস পিরিয়ড পাবে কারখানা কর্তৃপক্ষ। তবে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের কিস্তি পরিশোধ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল বুধবার এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার ব্যাংকগুলোতে পাঠিয়েছে। দেশে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ ছুটির সময় রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানার এপ্রিল, মে ও জুন মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধে পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাত্র ২ শতাংশ সুদে এ তহবিল দেওয়া হয়। ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড শেষে ১৮ কিস্তিতে ঋণ পরিশোধের কথা ছিল। পরে এ খাতে আরও সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ের ঋণের সুদহার নির্ধারণ করা হয় সাড়ে ৪ শতাংশ। পরে প্রণোদনার আওতায় জুলাই মাসের বেতনও দেওয়ার সুযোগ পান ব্যবসায়ীরা।

সংশ্নিষ্টরা জানান, তৈরি পোশাক খাতসহ অন্য পণ্য রপ্তানিকারক সংগঠনগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এ প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ পরিশোধের সময় বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ক সার্কুলারে নতুন নির্দেশনা দেয়। এতে বলা হয়, এ প্যাকেজের আওতায় দেওয়া ঋণের প্রথম কিস্তি চলতি বছরের জানুয়ারিতে পরিশোধের সময় নির্ধারণ করা ছিল। এ সময় বাড়িয়ে মার্চ থেকে আরও ছয় মাস করা হয়েছে। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর বাকি অর্থ ১৮ সমান মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ

করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্নিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের কিস্তি পরিশোধের পর আবার

ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড পাবেন ঋণ গ্রহীতারা।

মন্তব্য করুন