কভিড-১৯ অতিমারির কারণে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে গত বছর রপ্তানি আদেশ বাতিলের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন ক্রেতা প্রতিষ্ঠান অনেক ক্ষেত্রে রপ্তানি আদেশ কাটছাঁট করেছে এবং দেরিতে মূল্য পরিশোধ করেছে। সময়মতো পণ্য সরবরাহ করা যায়নি। এসবের প্রভাবে অনেক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়। কভিড সময়ের এ অভিজ্ঞতা থেকে পোশাক খাতের জন্য একটি কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো জরুরি হয়ে পড়েছে।

এইচএসবিসি বাংলাদেশ, নিটওয়্যার উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিকেএমইএ এবং এইচএসবিসির কারিগরি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান সেরাই লিমিটেডের যৌথ আয়োজনে গত মঙ্গলবার এক ওয়েবিনারে বক্তারা এমন মতামত দেন। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল- ২০২১ সালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কীভাবে বাড়তে পারে এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা হতে পারে।

এইচএসবিসি বাংলাদেশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের পোশাকশিল্প, বৈশ্বিক ক্রেতাদের পরিস্থিতি, চাহিদা পরিস্থিতি, এ খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ঝুঁকি এবং সহযোগিতার বিষয়ে বক্তারা আলোকপাত করেন। বাংলাদেশের পোশাক খাত কভিডের পরিপ্রেক্ষিতে যেসব চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়েছে, তা মোকাবিলায় ঝুঁকি তদারকি ও ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব এবং বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা এসব ঝুঁকি কমাতে পারেন সেই পরামর্শ উঠে আসে আলোচনায়।

আলোচনায় পোশাক খাতের বিশেষজ্ঞ, উদ্যোক্তা, এইচএসবিসির গ্রাহক, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। মূল আলোচক ছিলেন বিকেএমইএ সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, সেরাই লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিবেক রামচন্দ্রন এবং এইচএসবিসি বাংলাদেশের হোলসেল ব্যাংকিং প্রধান কেভিন গ্রিন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এইচএসবিসির সহযোগী প্রতিষ্ঠান সেরাই লিমিটেড ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের মধ্যে বিশ্বস্ত

সম্পর্ক তৈরির প্ল্যাটফর্ম, যার প্রাথমিক দৃষ্টি তৈরি পোশাকশিল্পের

ওপর। এই প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণকারীরা অত্যন্ত নিরাপদ উপায়ে সংশ্নিষ্ট উপাত্ত বিনিময় করতে পারেন এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সমাধানের

বিষয়ে সহযোগিতা পেয়ে থাকেন।

মন্তব্য করুন