আগের ধারাবাহিকতায় গেল মাসেও প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থের উচ্চ প্রবৃদ্ধি রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭৮ কোটি ডলার। গত বছরের একই মাসের চেয়ে যা ৩৩ কোটি ডলার বা ২২ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেশি। হুন্ডি প্রবণতা কমে যাওয়া, সরকারের ২ শতাংশ প্রণোদনা ও ডলারের দর স্থিতিশীল থাকার প্রভাবে করোনার সংকটের মধ্যেও রেমিট্যান্স চাঙ্গা রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি পরিসংখ্যান যোগ করে চলতি অর্থবছরের আট মাসে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৬৬৯ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে একই সময়ে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) যার পরিমাণ ছিল এক হাজার ২৫০ কোটি ডলার। এ হিসাবে গত ৮ মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৪১৯ কোটি ডলার বা ৩৩ দশমিক ৫১ শতাংশ।

করোনাভাইরাসের প্রভাব শুরুর পর বিশ্বব্যাংক, আইএমএফসহ বিভিন্ন সংস্থার অনুমান ছিল, বাংলাদেশের রেমিট্যান্স কমবে। অবশ্য করোনার প্রভাব শুরুর পর মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে কমেও গিয়েছিল। তবে জুন থেকে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। মূলত আগে অবৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স আসা একেবারেই কমে গেছে। ব্যাংকিং চ্যানেলে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে জনশক্তি রপ্তানি কমে যাওয়া, বিদেশে কর্মহীন হয়ে পড়া এবং কাজ হারিয়ে অনেকে দেশে ফেরায় কতদিন রেমিট্যান্স বৃদ্ধির এ ধারা বজায় থাকবে তা নিয়ে অনেকের মধ্যে সংশয় রয়েছে।

মন্তব্য করুন