করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় বাণিজ্য সংগঠনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা বাড়িয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গত মঙ্গলবার জারি করা এ বিষয়ে এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় জনসমাগম এড়িয়ে চলার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের লাইসেন্সপ্রাপ্ত সব বাণিজ্য সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভা ও যেসব কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সময়সীমা আগামী ৩১ মে থেকে বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হলো।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্তের পর ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন পূর্ব ঘোষিত তারিখে অনুষ্ঠিত হবে কিনা, তা গতকাল পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন আগামী ৫ মে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে এফবিসিসিআই নির্বাচনী বোর্ড। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন অনুবিভাগের পরিচালক মো. সোলেমান খান সমকালকে বলেন, সব বাণিজ্য সংগঠনের নির্বাচন করার জন্য সময় বাড়ানো হয়েছে। এখন সংগঠনগুলো এর মধ্যে সুবিধাজনক যে কোনো তারিখে নির্বাচন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে যেসব সংগঠনের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে, সেসব সংগঠন ঘোষণা অনুযায়ী করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে নির্ধারিত সময়ে করতে পারে। আবার করোনা পরিস্থিতির কারণে পেছাতেও পারে।

এফবিসিসিআই পরিচালনা পর্ষদের ২০২১-২৩ মেয়াদের নির্বাচনে ৮০ পরিচালক পদে ৮৩ জন প্রার্থী হয়েছেন। এফবিসিসিআই নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ সমকালকে বলেন, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (আজ) এ বিষয়ে তাদের বৈঠক রয়েছে।

এদিকে এফবিসিসিআই পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে প্রার্থীদের খেলাপি ঋণ-সংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার মন্ত্রণালয় থেকে প্রার্থীদের সিআইবি রিপোর্ট চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর পরিচালনা পর্ষদের ২০২১-২৩ মেয়াদের নির্বাচন ৫ মে অনুষ্ঠিত হবে। এফবিসিসিআই সংবিধির ১৫-সি ধারা অনুযায়ী নির্বাচনে ঋণখেলাপিদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ রয়েছে। সে অনুযায়ী প্রার্থীদের খেলাপি ঋণবিষয়ক তথ্য যাচাই প্রয়োজন।

মন্তব্য করুন