বাঁশ ও কাঠের মতো প্রাকৃতিক পাল্পের কাঁচামালের সরবরাহ কমছে। এ সংকটের সমাধান হতে পারে পাটের পাল্পের মাধ্যমে। পাট থেকে পাল্প তৈরির প্রযুক্তি এখন সহজলভ্য। এ সুবিধায় কাঠের বিকল্প হিসেবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাটের পাল্প উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট (বিল্ড) আয়োজিত 'প্রসপেক্টস অব প্রডিউসিং পেপার পাল্প ফ্রম হোল জুট প্লান্ট :পটেনশিয়াল অ্যান্ড ওয়ে ফরোয়ার্ড' শীর্ষক ভার্চুয়াল সংলাপে গতকাল সোমবার এসব কথা বলা হয়।

সংলাপে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, এ উদ্যোগের জন্য পেশাদার লোক প্রয়োজন। হোল জুট প্লান্ট ব্যবহারের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিতে হবে। কৃষকদের আরও বেশি পাট চাষে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। শক্তিশালী গবেষণা কার্যক্রমও হাতে নিতে হবে।

বিল্ডের চেয়ারপারসন আবুল কাসেম খান বলেন, হোল জুট প্লান্ট থেকে পেপার পাল্প উৎপাদন শিল্পের বাণিজ্যিকীকরণ, ইকোসিস্টেম উন্নয়ন, বিদ্যমান নীতিমালায় পরিবর্তন আনয়ন, জুট পাল্প ও পেপার অ্যাক্ট সংস্কার প্রয়োজন। জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. মনজুরুল আলম বলেন, হোল জুট প্লান্ট থেকে পেপার পাল্প উৎপাদনে স্থানীয়ভাবে কটেজ শিল্প গড়ে তুলতে হবে।

মূল প্রবন্ধে বিল্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বেগম পাট থেকে পাল্প তৈরির শিল্পকে এগিয়ে নিতে প্রণোদনার মাধ্যমে কৃষকদের উৎসাহ প্রদান, প্রযুক্তি উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া ও বন্ড-সংক্রান্ত ঘাটতি দূর করার কথা বলেন। পাটশিল্পের উদ্যোক্তারা সংলাপে অংশ নেন।

মন্তব্য করুন