আখ বা নারিকেলের ছোবড়া থেকে হাতে তৈরি পণ্য ও বৈচিত্র্যকৃত পাটপণ্যে তৈরিতে যন্ত্রের ব্যবহার করলেও এখন থেকে নগদ সহায়তা দেবে সরকার। তবে হাতে তৈরি পণ্যে যন্ত্রের ব্যবহারের ক্ষেত্রে কায়িক শ্রমের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। আর পাটপণ্যে ৫০ শতাংশের বেশি মূল্যমানের পাটের ব্যবহার হতে হবে। গতকাল এ-সংক্রান্ত দুটি সার্কুলার জারি করে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়।

বিদ্যমান নিয়মে, বৈচিত্র্যকৃত পাটপণ্যে ২০ শতাংশ এবং হোগলা, খড়, আখ ও নারিকেলের ছোবড়া, গাছের পাতা বা খোলা এবং গার্মেন্টের ঝুট কাপড় দিয়ে হাতে তৈরি পণ্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা পান উদ্যোক্তারা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, হাতে তৈরি পণ্য রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তার ক্ষেত্রে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় হাতের ব্যবহারের পাশাপাশি প্রয়োজনে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা যাবে। তবে যন্ত্রের ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিল্প নীতি অনুযায়ী উপযুক্ত কায়িক শ্রমের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। একই সঙ্গে এ খাতের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনের প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে। আর বৈচিত্র্যপূর্ণ পাটপণ্যের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশের বেশি মূল্যমানের পাট ব্যবহার হলে তা হাতে বা মেশিনে যে মাধ্যমেই তৈরি হোক নগদ সহায়তা পাবে।

বিষয় : নগদ সহায়তা

মন্তব্য করুন