দ্বিতীয় দফায় আরও ১৬টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ব্রোকারেজ লাইসেন্স ইস্যু করতে প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইকে চিঠি দিয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। গত সোমবার এ চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি। এ দফায় মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সংগঠন বিএমবিএর সভাপতি ছায়েদুর রহমানের ব্রিজ স্টক অনুমোদন পেয়েছে। প্রথম দফায় গত ১৯ মে জাতীয় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের মোনার্ক সিকিউরিটিজসহ ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে ব্রোকারেজ লাইসেন্স দিতে ডিএসইকে চিঠি দিয়েছিল বিএসইসি।

ব্রিজ স্টকের বাইরে যে ১৫ প্রতিষ্ঠান ডিএসইর ব্রোকারেজ লাইসেন্স পেতে যাচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে এমকেএম সিকিউরিটিজ, রিলিফ এক্সচেঞ্জ, স্মার্ট শেয়ার, বিনিময় সিকিউরিটিজ, আমার সিকিউরিটিজ, এম্পেরর সিকিউরিটিজ, মিনহার সিকিউরিটিজ, বিপ্লব হোল্ডিংস, অ্যাসোসিয়েটেড ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজ, বি রিচ, কলম্বিয়া শেয়ার, রহিমা ইক্যুইটি, ব্যাং জি জিও টেক্সটাইল, বি অ্যান্ড বিএসএস ট্রেডিং এবং এনওয়াই ট্রেডিং। ডিমিউচুয়ালাইজেশনের আট বছর পর এই প্রথম নতুন ব্রোকারেজ হাউসের লাইসেন্স ইস্যু হতে যাচ্ছে। মোট ৬৬টি প্রতিষ্ঠান ডিএসইর ব্রোকারেজ লাইসেন্স চেয়ে আবেদন করেছিল। তবে বিএসইসি ৫৪টিকে লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে দুই দফায় ৪৬টিকে লাইসেন্স দিতে ডিএসইকে চিঠি দিয়েছে।

এদিকে, ব্রোকারেজ হাউসে বিনিয়োগকারীদের নগদ জমা টাকার ওপর সুদ দিতে একটি নির্দেশনা জারি করেছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট বছরের টানা এক মাস অন্তত এক লাখ টাকা জমা থাকলে এবং গ্রাহকের অর্জিত সুদ ৫০০ টাকা হলে ওই বিনিয়োগকারীকে সুদ দিতে হবে।

বিষয় : ব্রোকারেজ লাইসেন্স

মন্তব্য করুন