৫০ কোটি ইয়েন সমপরিমাণ ৩৯ কোটি টাকা অনুদান দেবে জাপান সরকার। চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) বাস্তবায়নে এ অর্থ কাজে লাগানো হবে। গতকাল সোমবার পরিকল্পনা কমিশনে ইআরডি কার্যালয়ে অনুদান চুক্তি সই হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন এবং জাপান সরকারের পক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত সে দেশের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি।\হইআরডি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জাপানের এ অনুদানে পিইডিপি-৪ প্রকল্পের কারিকুলাম পর্যালোচনা এবং উন্নয়ন করা হবে। এ ছাড়া পাঠ্যবই উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের পেশাগত মানোন্নয়নেও এ অর্থ ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০১৮ সালে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। আগামী ২০২৩ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা। এর আগে প্রকল্পটির তৃতীয় পর্যায় (পিইডিপি-৩) বাস্তবায়নেও ২৪৯ কোটি ইয়েন সমপরিমাণ ১৯৮ কোটি টাকা অনুদান দেয় জাপান। ২০১১ সালে শুরু হয়ে ২০১৮ সালে তৃতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ হয়েছে।\হপ্রসঙ্গত, একক দেশ হিসেবে জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে উন্নয়ন অংশীদার। গত জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে জাপান সরকারের ঋণ এবং অনুদানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। জাপানের অর্থায়নে বিদ্যুৎ, সড়ক, সেতু, টেলিযোগাযোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পানি সরবরাহ এবং পয়ঃনিস্কাশন, গ্রামীণ উন্নয়ন, পরিবেশ ও মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপানি অর্থ সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

মন্তব্য করুন