টানা ছয় দিনের পতনের পর গতকাল সোমবার বেশিরভাগ শেয়ারের দরবৃদ্ধি দিয়ে লেনদেন শুরু হলে পৌনে দুই ঘণ্টা পর প্রধান মূল্যসূচক ৭০ পয়েন্টের বেশি বেড়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২১ পয়েন্ট বৃদ্ধি দিয়ে লেনদেন শেষ হয়। তবে লেনদেন অনেক কম। সাম্প্রতিক সময়ে সূচক পতনের সঙ্গে লেনদেনও কমে যাচ্ছে।\হএমনটি হতে পারে আগাম ধারণা করায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনাবেচায় খুব বেশি সক্রিয় হননি। এতে শেয়ার কেনাবেচার পরিমাণ কমেছে। প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে ৭০৮ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা গত ১৯ এপ্রিলের পর ৭ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। ওইদিন এ বাজারে ৬৯৭ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।

গতকাল ডিএসইতে ২৩৮ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর হারিয়েছে ৮৯টি। দর অপরিবর্তিত ৪৫টির। চামড়া এবং টেলিযোগাযোগ ছাড়া সব খাতের দর বেড়েছে, যদিও দরবৃদ্ধির হার ছিল কম। এতে বাজারের প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স রোববারের তুলনায় ২১ পয়েন্ট বেড়ে ৬৭৯৫ পয়েন্টে উঠেছে। যদিও সকাল ১০টায় দিনের স্বাভাবিক লেনদেন শুরুর পৌনে দুই ঘণ্টা শেষে ৬৮৪৪ পয়েন্ট ছাড়িয়েছিল।\হপর্যালোচনায় দেখা গেছে, বেক্সিমকো লিমিটেডের দর কমায় সূচকে প্রায় ১১ পয়েন্ট এবং বেক্সিমকো ফার্মার কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে আরও সাড়ে ছয় পয়েন্ট। বিপরীতে ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারদর বৃদ্ধি সূচকে যোগ করেছে সাড়ে ৩ পয়েন্ট। একক খাত হিসেবে ব্যাংক খাতের কারণে সূচক প্রায় ২০ পয়েন্ট যোগ করে সূচকের পতন ঠেকিয়েছে।

মন্তব্য করুন