মন্ত্রিত্ব লাভের দৌড়ে খুলনার১৬ সাংসদ

প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০১৪      

মামুন রেজা, খুলনা ব্যুরো

নতুন মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে লবিংয়ে ব্যস্ত খুলনা বিভাগের দশ জেলার ১৬ সংসদ সদস্য। তাদের মধ্যে আছেন সাবেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং এবারই প্রথম নির্বাচিতরাও । ঢাকায় অবস্থান করে তারা এখন প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন।
খুলনা-৩ আসন থেকে নির্বাচিত মন্নুজান সুফিয়ান গতবার শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এবারও তাকে একই পদে রাখা হবে বলে প্রত্যাশা দলীয় নেতাকর্মীদের।
খুলনা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা রশিদী সুজাও নতুন মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাবেন_ এমন ধারণা জেলা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের।
এ ছাড়া খুলনা-২ আসন থেকে প্রথম নির্বাচিত মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজানকে প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে বলে নগরীতে গুঞ্জন চলছে।
সাতক্ষীরা-৩ আসন থেকে নির্বাচিত ডা. আ ফ ম রুহুল হক মহাজোট সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে এখন দৌড়ঝাঁপ চালাচ্ছেন তিনি।
সাতক্ষীরা-২ আসন থেকে নির্বাচিত মীর মোস্তাক আহমেদ রবি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হতে আগ্রহী বলে জানান তার
অনুসারীরা।
কুষ্টিয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে আবারও তথ্যমন্ত্রী করা হচ্ছে বলে ধারণা কুষ্টিয়ার মানুষের।
কুষ্টিয়া-৩ আসন থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ মন্ত্রিসভায় থাকছেন বলে আলোচনা হচ্ছে কুষ্টিয়ার মানুষের মধ্যে। এ ছাড়া কুষ্টিয়া-৪ আসনের আবদুর রউফ এবং মেহেরপুর-১ আসনের প্রফেসর ফরহাদ হোসেন দোদুল প্রতিমন্ত্রী হওয়ার জন্য লবিং করছেন। যশোর-৩ (সদর) আসনের কাজী নাবিল আহমেদ ও যশোর-৬ আসনের ইসমাত আরা সাদেক মন্ত্রিত্ব লাভের দৌড়ে রয়েছেন। ।
ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নতুন মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।
পরপর চারবার মাগুরা-১ আসন থেকে নির্বাচিত প্রফেসর ডা. এমএস আকবরকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী করার দাবি মাগুরাবাসীর। মাগুরা-২ আসন থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীরেন শিকদার নতুন মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন।
বাগেরহাট-৩ আসন থেকে চারবার নির্বাচিত খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেককে প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে বলে ধারণা নেতাকর্মীদের।
এ ছাড়া বাগেরহাট-৪ আসনের ডা. মোজাম্মেল হোসেনকে নতুন মন্ত্রিসভায় রাখার দাবি বাগেরহাটবাসীর।