কাফরুলে নিরাপত্তা কর্মকর্তাহত্যায় ছিল ভাড়াটে কিলার

প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০১৪      

সমকাল প্রতিবেদক

রাজধানীর কাফরুলে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা সরদার রফিকুজ্জামান হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দ্বারপ্রান্তে পুলিশ। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কিলিং মিশনে অংশ নেয় ভাড়াটে কিলাররা। তাদের নাম-ঠিকানাও পাওয়া গেছে। শিগগির তাদের গ্রেফতার করা হবে।
৩১ ডিসেম্বর দক্ষিণ কাফরুলের গির্জার গলিতে ৪৫৯/১ নম্বর বাসার পঞ্চম তলা থেকে রফিকুজ্জামানের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি সিকিউরেক্স নামে একটি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
কাফরুল থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী সমকালকে বলেন, রফিকুজ্জামানের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের অন্তত ১২টি চিহ্ন ছিল। এ থেকে ধারণা করা হয়, হত্যার পেছনে ছিল তীব্র ক্ষোভ। ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলেও আমরা অনুমান করি। এর ধারাবাহিকতায় তদন্তে একে একে ক্লু বেরিয়ে আসে। এরই মধ্যে হত্যায় জড়িতদের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় তথ্য আমরা পেয়েছি। দু'একদিনের মধ্যেই তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। হত্যার নির্দেশদাতা বা পরিকল্পনাকারীদের ব্যাপারেও তথ্য মিলেছে।
তদন্ত সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের সময় রফিকুজ্জামানের স্ত্রী-সন্তান বাসায় ছিলেন না। কয়েকদিন আগে তার স্ত্রী শিউলি আক্তার মেয়ে নেহাকে নিয়ে মানিকদীতে তার বাবার বাড়িতে যান। বাসায় কেউ না থাকার সুযোগটিই কাজে লাগায় হত্যাকারীরা। মোবাইল ফোন প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে তাদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
নিহতের স্ত্রী শিউলি আক্তার জানান, ৩০ ডিসেম্বর রাতে রফিকুজ্জামানের শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিকেল থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি পুলিশকে জানান। ওই রাতেই বনানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরদিন সকালে পুলিশ তার মৃতদেহ উদ্ধার করে।