ছয় ধাপে উপজেলা নির্বাচন

প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০১৪      

সমকাল প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশন মোট ৬ ধাপে দেশের ৪৮৭টি উপজেলায় নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায়। এ বিষয়ে তারা জরুরি ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয় বলে কমিশন সচিবালয় সূত্র জানায়। এ ছাড়া দ্বিতীয় দফায় ১১৭টি উপজেলার তফসিল আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঘোষণার পরিকল্পনা নিয়েছে কমিশন। একই দিন উপজেলা নির্বাচনের আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক ডাকা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ সমকালকে বলেন, বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফা তফসিল ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত না হলেও জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, মার্চ ও এপ্রিল মাসজুড়ে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা চলবে। কমিশনের প্রস্তাবিত দিনে ভোটগ্রহণ হলে পরীক্ষার্থীদের কোনো সমস্যা হবে কি-না তা জানতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে।
ইতিমধ্যে কমিশন ১৯ জানুয়ারি ১০২টি উপজেলায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। এসব উপজেলায় ভোট গ্রহণ হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো প্রস্তাব অনুযায়ী কমিশন দ্বিতীয় ধাপে ২৭ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপে ১৫ মার্চ, চতুর্থ ধাপে ২৫ মার্চ, পঞ্চম ধাপে ৩১ মার্চ এবং ষষ্ঠ ধাপে ৩ মে উপজেলা নির্বাচনের ভোট গ্রহণের দিন ধার্য করতে চায়।
চার উপজেলায় সীমানা জটিলতা :সীমানা জটিলতার কারণে রংপুর সদর উপজেলা, পীরগাছা, গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া উপজেলার নির্বাচন স্থগিত হতে পারে। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে গতকাল নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে কমিশন সচিবালয় সূত্র জানায়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, রংপুর সিটি করপোরেশন গঠনের কারণে এই চারটি উপজেলার সীমানা নতুন করে বিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ এর আলোকে ব্যবস্থা নিতে কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছে।
আরও জানা যায়, কমিশন সচিবালয় গতকাল পীরগঞ্জ উপজেলার ভোট গ্রহণের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ২৪ ফেব্রুয়ারি করার প্রস্তাব দিয়ে কমিশনে নথি উত্থাপন করেছে। এর কারণ তফসিল অনুযায়ী ২০ ফেব্রুয়ারি রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনে ভোট হবে। কমিশন সচিবালয়ের মতে, একই আসন বা উপজেলার ভোটারদের পক্ষে পরপর দু'দিন ভোট দেওয়া কষ্টকর হবে বিবেচনা করেই কমিশন সচিবালয় ভোট গ্রহণের দিন পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছেড়ে দেওয়ার কারণে এ আসনটি শূন্য ঘোষিত হয়।