সংসদে সংরক্ষিত আসন

কুড়িগ্রামের ১১ নেত্রী ঢাকায় লবিংয়ে ব্যস্ত

প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০১৪      

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে কুড়িগ্রাম আওয়ামী লীগের ১১ নেত্রী এখন ঢাকায়। তারা দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমাদানের পর রোববার আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করেছেন। তারা সবাই দলীয় মনোনয়ন পেতে ঢাকায় অবস্থান করে জোর লবিং চালাচ্ছেন। জেলা থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন_ নবম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের এমপি আহমেদ নাজমীন সুলতানা নাজলী, সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমপি শাহনাজ সরদার, উলিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নাসিমা বানু, উলিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল মনোনীত প্রার্থী এবং দলীয় সিদ্ধান্তে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারকারী মতি শিউলি রায়, ইডেন কলেজ ছাত্রী সংসদের সাবেক জিএস ও ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মারশাদ আক্তার খুকি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি জাফর আলীর স্ত্রী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি লাইলী বেগম, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী নুরজাহান চৌধুরী জলি, জেলা আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক তাহমিনা বেগম মিনা, নাগেশ্বরী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লাভলী বেগম, জেলা যুব মহিলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আসমা জাহান সাথী ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য লতিফা হোসেন।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার চারটি আসনের তিনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেওয়ায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। শুধু কুড়িগ্রাম-৪ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে মো. জাকির হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ আসনের স্থগিত দুটি কেন্দ্রের পুনরায় ভোট গ্রহণ এখন পর্যন্ত হয়নি। তাই ফল ঘোষিত হয়নি। এখানে ১০৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১০৪টির ফলে জাতীয় পার্টি-জেপির প্রার্থী মো. রুহুল আমিন ৩০ হাজার ৫৪৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। আর আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাকির হোসেন পেয়েছেন ২৩ হাজার ৯৪৬ ভোট। ফলে জাকির হোসেনের নির্বাচিত হওয়া অনিশ্চিত।
এ অবস্থায় কুড়িগ্রাম জেলায় আওয়ামী লীগের কোনো এমপি থাকার সম্ভাবনা না থাকায় এখান থেকে অন্তত দু'জন নারীকে সংরক্ষিত আসনে এমপি করার দাবি উঠেছে। ফলে নারী নেত্রীদের মধ্যে আগ্রহ বেড়ে গেছে।