সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির সমাবেশে বক্তারা

মূল ধারার রাজনৈতিক দলগুলো সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে

প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০১৪      

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
সংখ্যালঘুদের ওপর হামলাকারীদের বিচার বিশেষ ট্রাইব্যুনালে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি। গতকাল মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে সংগঠনের নেতারা বলেছেন, মূল ধারার রাজনৈতিক দলগুলো সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। দলীয় বিবেচনার ঊধর্ে্ব উঠতে না পারলে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধ করা যাবে না। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানান তারা।
দেশব্যাপী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, লুটপাট, অগি্নসংযোগের প্রতিবাদে বিকেলে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি এ সমাবেশের আয়োজন করে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মানবাধিকার নেত্রী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামালের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম, নারী প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবীর, স্টেপস্ টুওয়ার্ডস ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক রঞ্জন কর্মকার, ব্র্যাকের পরিচালক শীপা হাফিজ, কর্মজীবী নারীর নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া রফিক বেবী, মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক সালমা আলী প্রমুখ।
সমাবেশে সুলতানা কামাল বলেন, স্বাধীনতার ৪২ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও আমরা দেশকে সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত করতে পারিনি। কারণ দেশের মূল ধারার রাজনৈতিক দলগুলো সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দিয়ে আসছে। তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলা হতে পারে এমন বিষয় রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে জানানো হলেও তারা হামলা প্রতিহত ও প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়েছে। যা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না। এসব নির্যাতনের দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে। অন্যদিকে সাম্প্রদায়িক রাজনীতিও দেশে চালু রাখা যাবে না। তিনি আরও বলেন, রাজনীতিকরা নিজেদের স্বার্থে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রকে বাদ দিয়ে কলমের খোঁচায় রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সংযোজন করেছেন। এ কারণে দেশে আজ সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আয়শা খানম বলেন, দলীয় বিবেচনার ঊধর্ে্ব উঠে সংখ্যালঘু হামলার বিচার করতে হবে। সরকারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত কমিশন গঠন
করতে হবে।