জবানবন্দিতে যাদের নাম এসেছে তাদের গ্রেফতার করুন :বিএনপি

প্রকাশ: ১০ জুন ২০১৪      

সমকাল প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনায় র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) কর্নেল জিয়াউল আহসানসহ সব গডফাদারকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। দলের যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ বলেন, র‌্যাব এ হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে সব জানত। তাহলে তারা কেন চুপ ছিল, জনগণ তা জানতে চায়। ন্যায়বিচারের স্বার্থে এ ঘটনায় জবানবন্দিতে যাদের নাম এসেছে, তাদের গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে দাবি করেন রিজভী।
গতকাল সোমবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান। ব্রিফিংয়ে দলের যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ, সহ-দফতর সম্পাদক আসাদুল করীম শাহিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির
যুগ্ম মহাসচিব বলেন, গণমাধ্যমে জিয়াউল আহসানের নাম কয়েকবার এসেছে। কিন্তু তার পরও তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। বিএনপি বিশ্বাস করে, হাইকোর্ট আদেশ না দিলে র‌্যাবের ওই তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হতো না। সরকার ধূম্রজাল সৃষ্টি করে ঘটনাটি ধামাচাপা দিত।
তিনি বলেন, তারা মনে করেন, নারায়ণগঞ্জের হত্যাকা ের সঙ্গে যাদের নাম এসেছে, তাদের গ্রেফতার না করা ন্যায়বিচারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন ও রাষ্ট্রকে ব্যর্থ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছু নয়। ন্যায়বিচারের স্বার্থে কর্নেল জিয়াসহ সব অপরাধীকে গ্রেফতার করার জোর দাবি জানান তিনি।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ৭ খুনের ঘটনায় জড়িত মেজর আরিফ ও নৌবাহিনীর কর্মকর্তা এমএম রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে হুকুমদাতাদের নাম প্রকাশ করেছেন। তাদের জবানবন্দির ওই তালিকায় র‌্যাবের কর্নেল জিয়াউল আহসান ও একজন গডফাদারের নামও পত্রিকায় ফলাওভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীকে আড়ালে রেখে কোনো কার্যসিদ্ধি হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, 'স্ব্বীকারোক্তিতে কর্নেল জিয়াসহ অপরাধীদের নাম আসার পরও তাদের গ্রেফতার করা হয়নি, এটা রহস্যজনক। রাজনৈতিক দল হিসেবে আমাদের দায়িত্ব বিষয়টি জনগণকে জানানো।'