আসলাম হত্যা মামলা

বিচারপতি রুহুলসহ ৯ জনের নাম প্রত্যাহারের আদেশ বহাল

প্রকাশ: ১০ জুন ২০১৪      

সমকাল প্রতিবেদক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির কর্মী আসলাম হোসেন হত্যা মামলা থেকে রাজনৈতিক বিবেচনার রুহুল কুদ্দুস বাবুসহ (হাইকোর্টের বিচারপতি) নয় আসামির নাম প্রত্যাহারের আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। নয়জনের নাম প্রত্যাহারের সরকারি আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদন খারিজ করে গতকাল সোমবার রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেন। এর ফলে নয়জনের নাম প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে সৃষ্ট আইনি জটিলতার চূড়ান্ত অবসান হলো।
সরকারি আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তাকে সহায়তা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইকরামুল হক টুটুল।
১৯৮৮ সালের ১৭ নভেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল লতিফ হলের ছাত্রশিবির কর্মী আসলাম হত্যার ঘটনায় পরদিন স্থানীয় বোয়ালিয়া থানায় ৩০ জনকে আসামি করে মামলা করেন নিহতের রুমমেট নওয়াব আলী। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় তৎকালীন জাসদ ছাত্রলীগ নেতা রুহুল কুদ্দুস বাবুকে। তদন্তের পর প্রধান আসামি রুহুল কুদ্দুস বাবুসহ ১৪ জনের
বিরুদ্ধে ১৯৮৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি চার্জশিট দাখিল করা হয়। পরে ২০১০ সালের ৮ এপ্রিল রুহুল কুদ্দুস বাবুসহ নয়জনের নাম প্রত্যাহার করে নেন রাজশাহীর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত। পরে এই প্রত্যাহারের বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ হাইকোর্টে একটি রিভিশন দায়ের করেন। একই বছরের ২২ আগস্ট হাইকোর্ট এক রায়ে ওই আবেদন খারিজ করে দেন। এর পর হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে বাদীপক্ষ। গতকাল ওই আবেদনও খারিজ করেন আপিল বিভাগ। এর আগে ২০১১ সালের ৪ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস বাবুকে হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। এর পর ২০১২ সালের ১৫ অক্টোবর তাকে হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।