মামলার চার্জশিটেবাদীর নারাজি

প্রকাশ: ১০ জুন ২০১৪      

আদালত প্রতিবেদক

মূল আসামিদের বাদ দিয়ে চার্জশিট দেওয়ায় ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম খান মিল্কী হত্যা মামলায় নারাজি দিয়েছেন মামলার বাদী। নিহতের ছোট ভাই মেজর রাশিদুল হক খান মিল্কী আইনজীবীর মাধ্যমে এ নারাজি দাখিল করেন। গতকাল সোমবার মামলায় নারাজি দাখিলের দিন ধার্য ছিল। মামলার মূল নথি মহানগর দায়রা জজ আদালতে থাকায় ১৭ জুন এ-সংক্রান্তে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তারেক মঈনুল ইসলাম ভূঁইয়া মূল নথি না থাকায় পরবর্তী দিন ধার্য করেন।
বাদীর নারাজির আবেদনে বলা হয়, একটি প্রভাবশালী মহলের চক্রান্তে এ মামলায় ইচ্ছাকৃতভাবে মূল অপরাধীদের আড়াল করতে র‌্যাব মনগড়া এক অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। এ হত্যাকা ে জড়িত জাহিদুল ইসলাম টিপু, ওয়াহিদুল আলম আরিফ, মো. আহকামুল্লাহ, আমিনুল ইশান বাবু, মাহবুবুল হক হিরক, এনামুল হক ও মাসুদ উদ্দিন আহমেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করে ফের তদন্ত করা হোক। বাদী আদালতে নারাজির আবেদনটি আমলে নিয়ে মামলার তদন্তভার সিআইডিকে হস্তান্তরের আবেদন জানান। এ সময় জামিনে থাকা তিন আসামি ফরিদউদ্দৌলা পাপ্পু, তুহিনুর রহমান ফাহিম ও শরীফ উদ্দিন চৌধুরী হাজির ছিলেন।
গত ১৫ এপ্রিল এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১-এর পুলিশ সুপার কাজীমুর রশিদ ১১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন; নয়জনকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেন। ২৬ জনকে সাক্ষী করা হয়।
২০১৩ সালের ২৯ জুলাই রাতে মাত্র ১৪ সেকেন্ডের মধ্যে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। হত্যার এ মর্মান্তিক দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন গুলশান-১-এর শপার্স ওয়ার্ল্ড মার্কেটের ক্রেতা ও পথচারীরা। মিশন শেষ করে মোটরবাইকে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে চার যুবক। মধ্যরাতের শ্বাসরুদ্ধকর এ দৃশ্য ধরা পড়ে শপার্স ওয়ার্ল্ডের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায়। পরে তা জব্দ করা হয়।
এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৩০ জুলাই রাত ১২টার দিকে গুলশান থানায় নিহত মিল্কীর ছোট ভাই মেজর রাশিদুল হক খান বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারে যুবলীগ নেতা তারেক, জাহিদুল ইসলাম টিপু, চঞ্চল, আরিফসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।