সরকারি ব্যাংকগুলোতে পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ মানদণ্ড অনুসরণ না করায় মাঝেমধ্যে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম হচ্ছে। ভবিষ্যতে পরিচালক নিয়োগে নতুন মানদণ্ড নির্ধারণের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি জালিয়াতি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এসব কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক কেলেঙ্কারি, বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারিসহ সরকারি বিভিন্ন ব্যাংকের নানা দুর্নীতির সঙ্গে ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদের কতিপয় সদস্যের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বেসিক ব্যাংকের প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার ঋণ কেলেঙ্কারির সঙ্গে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এ প্রেক্ষাপটে অর্থমন্ত্রী সরকারি ব্যাংকের পরিচালক নিয়োগে চিন্তাভাবনার কথা জানালেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে সব সময়ই কিছু না কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থাকেন। কোনো কোনো সময় রাজনৈতিক নিয়োগের ক্ষেত্রে পছন্দ ঠিকমতো হয় না। এতে অসুবিধায় পড়তে হয়। নানা ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে অভিযোগ ওঠে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, রাতারাতি দুর্র্নীতি বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে বড় বড় জালিয়াতি ধরা পড়ায় পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার দুর্বলতা সম্পর্কে অবহিত হওয়া যাচ্ছে। দুর্নীতি রোধে অনেক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এসব জায়গায় আরও পরিবর্তন আসবে। সরকারি ব্যাংকে জালিয়াতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সবাইকে মিলেই দোষটা মেনে নিতে হবে। কেননা, পর্যবেক্ষণ অতটা শক্তিশালী ছিল না।

মন্তব্য করুন